বাংলাদেশের অর্জন - ভিশন ২০২১ - ভিশন ২০৪১ - ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১

ভূমিকা

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক জমজম আইটির পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। আপনি নিশ্চয়ই বাংলাদেশের অর্জন - ভিশন ২০২১ - ভিশন ২০৪১ - ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ - আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার, ২০২৩ কি তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন। হ্যাঁ আজকে আমি বাংলাদেশের অর্জন - ভিশন ২০২১ - ভিশন ২০৪১ - ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ - আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার, ২০২৩ নিয়ে আলোচনা করব।
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। আমরা গত ১৩ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন অর্জন করেছি। আমাদের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বেড়েছে, দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হয়েছে। তবে এখনও আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমরা দারিদ্র্য, অসমতা, দুর্নীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে চাই।

বাংলাদেশের অর্জনসমূহ

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। তবে, গত কয়েক দশকে দেশটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। বাংলাদেশের কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে:
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: বাংলাদেশ একটি দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। ২০২৩ সালে দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২%।
দারিদ্র্য বিমোচন: বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হার ছিল ৪৮.৯%। ২০২৩ সালে তা কমে ১৮.৫%-এ দাঁড়িয়েছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা: বাংলাদেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে দেশটির প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাক্ষরতার হার ৭৪.৭% এবং শিশু মৃত্যুহার ১০০০ জনে ১০ জন।
খেলাধুলা: বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো পদক জয় করে।
বাংলাদেশের কিছু উল্লেখযোগ্য বিশেষ অর্জনের মধ্যে রয়েছে:

  • বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১: বাংলাদেশ ২০১৮ সালে নিজস্ব অর্থায়নে বঙ্গবন্ধু-১ নামক একটি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে। এটি ছিল বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
  • বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল: ঢাকায় নির্মাণাধীন মেট্রোরেল ২০২৫ সালে চালু হবে। এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল।
  • বাংলাদেশের প্রথম প্রযুক্তি পার্ক: ঢাকায় নির্মাণাধীন প্রযুক্তি পার্ক ২০২৪ সালে চালু হবে। এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম প্রযুক্তি পার্ক।
বাংলাদেশ এখনও অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তবে, দেশের বর্তমান অগ্রগতি প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ভিশন ২০২১

ভিশন ২০২১ ছিল ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি নির্বাচনী ইশতেহার। এটি দেশের বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরের জন্য বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক রূপরেখা হয়ে ওঠে।
ভিশন ২০২১ এর মূল লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। এটি অর্জনের জন্য, সরকার সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বেশ কিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল।
সামাজিক ক্ষেত্রে, সরকার দারিদ্র্য বিমোচন, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়নের উপর জোর দেয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, সরকার কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতের উন্নয়নের উপর জোর দেয়। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে, সরকার গণতন্ত্র, সুশাসন এবং মানবাধিকারের উন্নয়নের উপর জোর দেয়।

ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের জন্য, সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে রয়েছে:

  • দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ।
  • সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং মান উন্নয়ন।
  • স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নির্মাণ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের আমদানি।
  • কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতের উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
  • গণতন্ত্র, সুশাসন এবং মানবাধিকারের উন্নয়নের জন্য আইনি ও প্রশাসনিক সংস্কার।
ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। ২০২৩ সালে, বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২%, দারিদ্র্য হার ১৮.৫%, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাক্ষরতার হার ৭৪.৭% এবং শিশু মৃত্যুহার ১০০০ জনে ১০ জন।
তবে, ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে:
দারিদ্র্য বিমোচন: বাংলাদেশের দারিদ্র্য হার এখনও ২২% এর উপরে রয়েছে।
অসমতা: বাংলাদেশের সম্পদ ও সুযোগের বন্টন এখনও অসম।
জলবায়ু পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।
বাংলাদেশ এখনও অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তবে, ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের ফলে দেশটি একটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে ওঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

ভিশন ২০৪১

২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের (UMIC) মর্যাদা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা অর্জন।দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক অসমতা হ্রাস।মানব উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন, যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং জীবনযাত্রার মান।একটি টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলা।একটি সুশাসন এবং ন্যায়বিচারপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১ অর্জনের জন্য, সরকার, বেসরকারি খাত এবং নাগরিক সমাজের সকল স্তরে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জনগণের কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতার মাধ্যমে এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

ভিশন ২০৪১ হল বাংলাদেশের একটি দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা যা ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উচ্চ আয়ের উন্নত দেশে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়ে রচিত। এই পরিকল্পনাটি ২০২১ সালের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১ এর একটি অংশ।
ভিশন ২০৪১ এর মূল লক্ষ্যগুলি হল:
  • মাথাপিছু আয় ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
  •  দারিদ্র্য দূরীকরণ।
  • ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
  • বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৯ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
  • রাজস্ব কর জিডিপির ১৫% পর্যন্ত বাড়ানো।
  • রপ্তানি বৈচিত্র্য অর্জন।
  • রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
  • গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
  • মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
  • ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
  • জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
  • কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
  • অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।
ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের জন্য, সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:
 কৃষি: কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষি জমির উন্নয়ন।
 শিল্প: রপ্তানিমুখী শিল্প উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক শিল্প উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলা।
 সেবা: পর্যটন শিল্প উন্নয়ন, আর্থিক খাত উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন।
 শিক্ষা: মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের উন্নয়ন এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি।
স্বাস্থ্য: সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন।
যোগাযোগ: অবকাঠামোগত উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি।
পরিবেশ: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন।
ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। তবে, সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এবং জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে এই লক্ষ্যগুলি অর্জন করা সম্ভব।
ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। এটি হবে একটি দেশ যেখানে সকল মানুষের জন্য সুযোগ ও সুবিধা সমানভাবে বিদ্যমান থাকবে। এটি হবে একটি দেশ যেখানে দারিদ্র্য, অসমতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো চ্যালেঞ্জগুলি দূর করা হবে।

ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১

ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ হল একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা যা ২০৭১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রচিত। এই পরিকল্পনাটি ২০১৮ সালের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১ এর একটি অংশ।
ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ এর মূল লক্ষ্যগুলি হল:
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং বন্যা ও খরার মতো চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করা।
টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা: পরিবেশ সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ ছয়টি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে রচিত:
  • বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা: বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব কমাতে কার্যকর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।
  • নদী ব্যবস্থাপনা: নদীর গতিপথ এবং প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নদীর স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা।
  • নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা: নগর ও গ্রামে নিরাপদে ও টেকসইভাবে পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশন নিশ্চিত করা।
  • বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: বর্জ্য পরিশোধন ও পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধ করা।
  • পরিবেশ সংরক্ষণ: বনায়ন, জলাশয় সংরক্ষণ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা।
  • জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজন: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়নের জন্য, সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:
  • সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা: ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
  • আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা: ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
  • জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা: ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়নে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়ন একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। তবে, সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এবং জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে এই লক্ষ্যগুলি অর্জন করা সম্ভব।
ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ একটি টেকসই ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। এটি হবে একটি দেশ যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করা হবে এবং পরিবেশ সংরক্ষিত হবে। এটি হবে একটি দেশ যেখানে সকল মানুষের জন্য সুযোগ ও সুবিধা সমানভাবে বিদ্যমান থাকবে।

ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়নের জন্য নিম্নলিখিত কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা প্রয়োজন:

অর্থায়ন: ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়নের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে। এই অর্থায়ন সরকারি, বেসরকারি এবং আন্তর্জাতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা প্রয়োজন।
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা: ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তবায়নের জন্য উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রয়োজন। এই সক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
মানবসম্পদ উন্নয়ন: ডেল্টা প্ল্যান ২০৭১ বাস্তব

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার, ২০২৩

আমাদের লক্ষ্য
আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা একটি সমৃদ্ধ, সুখী এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজ গড়ে তুলতে চাই।
আমাদের প্রতিশ্রুতি

আমরা নিম্নলিখিত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি:
দারিদ্র্য হ্রাস: আমরা দারিদ্র্য হ্রাস করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব। আমরা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করব।

অসমতা হ্রাস: আমরা অসমতা হ্রাস করার জন্য কাজ করব। আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অর্থনৈতিক সুযোগের ক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত করব।

দুর্নীতি দমন: আমরা দুর্নীতি দমনের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেব। আমরা একটি জবাবদিহিমূলক এবং স্বচ্ছ সরকার গড়ে তুলব।
জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবেলা: আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবেলা করার জন্য কাজ করব। আমরা একটি টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলব।
আমাদের কর্মসূচি

আমরা নিম্নলিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করব:

কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি: আমরা কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ করব। আমরা কৃষকদের জন্য সহায়তা প্রদান করব।
শিল্প ও উৎপাদন বৃদ্ধি: আমরা শিল্প ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগ করব। আমরা নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করব।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন: আমরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিনিয়োগ করব। আমরা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করব।
যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়ন: আমরা যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করব। আমরা একটি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলব।

শক্তি ও জ্বালানি নিরাপত্তা: আমরা শক্তি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করব। আমরা পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনের উপর জোর দেব।

পরিবেশ সুরক্ষা: আমরা পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কাজ করব। আমরা একটি টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলব।

উপসংহার

আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। আমরা সকল নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করি।
আমার এই লেখাটি  যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্য কমেন্ট করে জানান। আর আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে আজকে এখানে শেষ করছি ভালো থাকবেন সবাই।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url