ZamzamITPostAd

কারক কাকে বলে কত প্রকার

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক আজকাল অনেকেই কারক কাকে বলে কত প্রকার বিষয় নিয়ে জানতে চান। আপনিও হয়তো অনেক খোঁজাখুঁজির পর নিশ্চয়ই কারক কাকে বলে কত প্রকার কি তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন।
কারক ও বিভক্তি কয় প্রকার ও কি কি?
হ্যাঁ আজকে আমি সঠিকভাবে কারক কাকে বলে কত প্রকার নিয়ে আলোচনা করব। চলুন এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে ফেলি।

কারক কাকে বলে কত প্রকার

কারক কাকে বলে?
  • বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।
উদাহরণ:
ছেলেটি (কর্তৃকারক) বই পড়ছে (ক্রিয়া)।
আমি (কর্তৃকারক) তাকে (কর্মকারক) একটি বই দিলাম (ক্রিয়া)।
কারকের প্রকারভেদ
আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে ছয় প্রকার কারক আছে:
১. কর্তৃকারক: যে নামপদ ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তৃকারক বলে।
উদাহরণ:
ছেলেটি বই পড়ছে।
মেয়েটি গান গাইছে।
২. কর্মকারক: যার উপর ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে।
উদাহরণ:
আমি বইটি পড়লাম।
সে তাকে চিঠি লিখল।
৩. করণকারক: যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে।
উদাহরণ:
আমি ছুরি দিয়ে আপেল কাটলাম।
সে গাড়িতে করে বাজারে গেল।
৪. অপাদানকারক: যেখান থেকে ক্রিয়া শুরু হয় তাকে অপাদানকারক বলে।
উদাহরণ:
আমি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে গেলাম।
সে তার ঘর থেকে বেরিয়ে এল।
৫. সম্প্রদান কারক: যাকে সম্পূর্ণ অধিকার ত্যাগ করে প্রদান করা হয়,তাকে সম্প্রদান কারক বলে।
উদাহরণ: দেব তোমায় ভক্তি। কি দেয়? ভক্তি,ভক্তি হলো সম্প্রদান কারক।
৬. অধিকরণ কারক: অধিকরণ অর্থ আধার।ক্রিয়ার স্থান,সময় ও বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
খুকু যাবে বাড়ি।কোথায় যাবে? বাড়ি।বাড়ি হলো অধিকরণ কারক।
  • প্রতিটি কারকের নিজস্ব বিশেষ বিভক্তি আছে।
  • একই নামপদ একই বাক্যে একাধিক কারকে ব্যবহৃত হতে পারে।
  • কারক বাদ দিলে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট হতে পারে।

কারক নির্ণয় এর সহজ পদ্ধতি

আসুন আজ কারক কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি এই বিষয় জানার সাথে সাথে কারক নির্ণয় এর সহজ পদ্ধতি জেনে রাখি। বিভিন্ন পরীক্ষার পাশাপাশি ভর্তিসহ চাকরির বিভিন্ন পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করে থাকে। সেই কারণে যদি আপনি কারক এবং বিভক্তি সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারেন তাহলে সেই পরীক্ষাগুলোতে 100 ভাগ নাম্বার পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
প্রশ্ন করো কে বা কারা
কর্তা তোমায় দিবে সাড়া।।

প্রশ্ন করো কি বা কাকে
পাবে তখন কর্মটাকে।।

প্রশ্ন করো দ্বারা , দিয়া
করণ তোমার হবে প্রিয়া।।

প্রশ্নকরো শুধু কাকে,
পাবে তখন সম্প্রদানটাকে।।

প্রশ্ন করো হতে,থেকে
আটকে ধরো অপাদানটাকে।।

প্রশ্ন করো কোথায়,কখন
তখন পাবে অধিকরণ।।

কারকের উদাহরণ:
১. রিনা খায় খই। কে খায়? রিনা, রিনা কর্তৃকারক।
২. বিনা পড়ে বই।কি পড়ে? বই, বই হলো কর্মকারক।
৩. বল খেলে মুক্তি।কি দিয়ে খেলে? বল, বল হলো করণকারক।
৪. দেব তোমায় ভক্তি।কি দেয়? ভক্তি, ভক্তি হলো সম্প্রদান কারক।
৫. ঢাকা ছাড়ে গাড়ি।কোথা হতে ছাড়ে? ঢাকা,  ঢাকা হলো অপাদান কারক।
৬. খুকু যাবে বাড়ি।কোথায় যাবে? বাড়ি। বাড়ি হলো অধিকরণ কারক।

কারক ও বিভক্তি কয় প্রকার ও কি কি?

বাংলা ব্যাকরণের অন্যতম অংশ কারক ও বিভক্তি। আসুন আজ কারক ও বিভক্তি কত প্রকার ও কি কি সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করি। সঠিকভাবে ও বিভক্তি নির্ণয়ের জন্য কারক ও বিভক্তি কত প্রকার ও কি কি সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানা উচিত। এখন আমরা কারক ও বিভক্তি কয় প্রকার ও কি কি সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি। 
কারক ও বিভক্তি: প্রকারভেদ
কারক: বাক্যস্থিত নামপদ ও ক্রিয়াপদের মধ্যকার সম্পর্ককে কারক বলে।
প্রকারভেদ:
আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে ছয় প্রকার কারক রয়েছে:
কর্তৃকারক: 
  • যে নামপদ ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তৃকারক বলে।
উদাহরণ: ছেলেটি বই পড়ছে।
কর্মকারক: 
  • যার উপর ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে।
উদাহরণ: আমি বইটি পড়লাম।
করণকারক: 
  • যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে।
উদাহরণ: আমি ছুরি দিয়ে আপেল কাটলাম।
অপাদানকারক: 
  • যেখান থেকে ক্রিয়া শুরু হয় তাকে অপাদানকারক বলে।
উদাহরণ: আমি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে গেলাম।
অধিকরণকারক: 
  • যেখানে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণকারক বলে।
উদাহরণ: আমি টেবিলে বসে লিখছি।
সম্বন্ধকারক: 
  • যার সম্পর্কে কথা বলা হয় তাকে সম্বন্ধকারক বলে।
উদাহরণ: বাংলা ভাষা আমার প্রিয় ভাষা।
বিভক্তি:
নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি যা কারক নির্দেশ করে তাকে বিভক্তি বলে।
প্রকারভেদ:
  • বাংলা ভাষায় সাত প্রকার বিভক্তি রয়েছে:
  • প্রথমা বিভক্তি: (-): কর্তৃকারক নির্দেশ করে।
  • দ্বিতীয়া বিভক্তি: (-কে, -টাকে, -কে, -কে): কর্মকারক নির্দেশ করে।
  • তৃতীয় বিভক্তি: (-দিয়ে, - দ্বারা, -সহ, -সাথে): করণকারক নির্দেশ করে।
  • চতুর্থী বিভক্তি: (থেকে, -হতে, -হইতে): অপাদানকারক নির্দেশ করে।
  • পঞ্চমী বিভক্তি: (-এ, -ই): অধিকরণকারক নির্দেশ করে।
  • ষষ্ঠী বিভক্তি: (-র, -এর, -ইর, -দের): সম্বন্ধকারক নির্দেশ করে।
  • সপ্তমী বিভক্তি: (-ও, -ওয়া): সম্বোধন নির্দেশ করে।
  • উল্লেখ্য: ষষ্ঠী বিভক্তির ব্যবহার বিতর্কিত।

কারক ও বিভক্তির সম্পর্ক

কারক কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি এবং বিভক্তি কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি জানার পাশাপাশি আমরা এখন জানতে চলেছি কারক ও বিভক্তির সম্পর্ক কি। প্রতিটি কারকের নিজস্ব বিভক্তি থাকে। চলুন আর দেরি না করে আমরা জেনে নেই কারক ও বিভক্তির সম্পর্ক।
উদাহরণ:
  • কর্তৃকারক: ছেলেটি (প্রথমা বিভক্তি) বই পড়ছে।
  • কর্মকারক: আমি বইটি (দ্বিতীয়া বিভক্তি) পড়লাম।
  • করণকারক: আমি ছুরি দিয়ে (তৃতীয় বিভক্তি) আপেল কাটলাম।
  • অপাদানকারক: আমি ঢাকা থেকে (চতুর্থী বিভক্তি) চট্টগ্রামে গেলাম।
  • অধিকরণকারক: আমি টেবিলে (পঞ্চমী বিভক্তি) বসে লিখছি।
  • সম্বন্ধকারক: উদাহরণ: বাংলা ভাষা আমার প্রিয় ভাষা।

কারক ও বিভক্তি উদাহরণ

প্রতিটি বিষয় পরিষ্কারভাবে উপস্থাপনের জন্য উদাহরণের কোন বিকল্প নেই। সুতরাং চলুন কারক ও বিভক্তির উদাহরণ দিয়ে পরিষ্কার ভাবে বোঝার চেষ্টা করি। এখন আমরা আলোচনা করতে চলেছি কারক ও বিভক্তির উদাহরণ কি এবং সেগুলো কি কি। কারক ও বিভক্তি: উদাহরণ
কারক:
  • বাক্যস্থিত নামপদ ও ক্রিয়াপদের মধ্যকার সম্পর্ককে কারক বলে।
প্রকারভেদ:
আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে ছয় প্রকার কারক রয়েছে:
  • কর্তৃকারক: যে নামপদ ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তৃকারক বলে।
উদাহরণ: ছেলেটি (কর্তৃকারক) বই পড়ছে।
  • কর্মকারক: যার উপর ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে।
উদাহরণ: আমি বইটি (কর্মকারক) পড়লাম।
  • করণকারক: যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে।
উদাহরণ: আমি ছুরি দিয়ে (করণকারক) আপেল কাটলাম।
  • অপাদানকারক: যেখান থেকে ক্রিয়া শুরু হয় তাকে অপাদানকারক বলে।
উদাহরণ: আমি ঢাকা থেকে (অপাদানকারক) চট্টগ্রামে গেলাম।
  • অধিকরণকারক: যেখানে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণকারক বলে।
উদাহরণ: আমি টেবিলে (অধিকরণকারক) বসে লিখছি।
  • সম্বন্ধকারক: যার সম্পর্কে কথা বলা হয় তাকে সম্বন্ধকারক বলে।
উদাহরণ: বাংলা ভাষা (সম্বন্ধকারক) আমার প্রিয় ভাষা।
বিভক্তি:
  • নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি যা কারক নির্দেশ করে তাকে বিভক্তি বলে।
প্রকারভেদ:
বাংলা ভাষায় সাত প্রকার বিভক্তি রয়েছে:
  • প্রথমা বিভক্তি: (-): কর্তৃকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: ছেলেটি (কর্তৃকারক) বই পড়ছে।
  • দ্বিতীয়া বিভক্তি: (-কে, -টাকে, -কে, -কে): কর্মকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি বইটি (কর্মকারক) পড়লাম।
  • তৃতীয় বিভক্তি: (-দিয়ে, - দ্বারা, -সহ, -সাথে): করণকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি ছুরি দিয়ে (করণকারক) আপেল কাটলাম।
  • চতুর্থী বিভক্তি: (থেকে, -হতে, -হইতে): অপাদানকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি ঢাকা থেকে (অপাদানকারক) চট্টগ্রামে গেলাম।
  • পঞ্চমী বিভক্তি: (-এ, -ই): অধিকরণকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি টেবিলে (অধিকরণকারক) বসে লিখছি।
  • ষষ্ঠী বিভক্তি: (-র, -এর, -ইর, -দের): সম্বন্ধকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: বাংলা ভাষার (সম্বন্ধকারক) ব্যাকরণ।
  • সপ্তমী বিভক্তি: (-ও, -ওয়া): সম্বোধন নির্দেশ করে।
উদাহরণ: বন্ধু

কারক ও বিভক্তি নির্ণয়

কারক কাকে বলে কত প্রকার এর কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের কৌশল সম্পর্কে জানা থাকলে কারক ও বিভক্তি নির্ণয় সহজ হয়। আসুন আজ কারক কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি সেই বিষয় এবং কারক নির্ণয় ও বিভক্তি নির্ণয় এর সঠিক পদ্ধতি নিয়ে আমরা আলোচনা করি। কারক বাক্যস্থিত নামপদ ও ক্রিয়াপদের মধ্যকার সম্পর্ককে নির্দেশ করে। বিভক্তি হল নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি যা কারক নির্দেশ করে।
কারক ও বিভক্তি নির্ণয়
কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের নিয়ম:
১. ক্রিয়ার সাথে সম্পর্ক:
প্রথমে বাক্যের ক্রিয়া খুঁজে বের করতে হবে।
তারপর ক্রিয়ার সাথে নামপদের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে হবে।
২. বিভক্তি ব্যবহার:
বিভিন্ন কারকের জন্য নির্দিষ্ট বিভক্তি ব্যবহার করা হয়।
নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি বিশ্লেষণ করে কারক নির্ণয় করা যায়।
৩. প্রশ্ন ব্যবহার:
বিভিন্ন কারকের জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্ন ব্যবহার করা যায়।
বাক্যে নামপদের পরিবর্তে প্রশ্ন ব্যবহার করে কারক নির্ণয় করা যায়।
উদাহরণ:
বাক্য: ছেলেটি বই পড়ছে।
১. ক্রিয়ার সাথে সম্পর্ক:
ক্রিয়া: পড়ছে
নামপদ: ছেলেটি
২. বিভক্তি ব্যবহার:
ছেলেটি-তে কোন বিভক্তি নেই।
প্রথমা বিভক্তি কর্তৃকারক নির্দেশ করে।
৩. প্রশ্ন ব্যবহার:
কে পড়ছে?
ছেলেটি পড়ছে।
সুতরাং,
ছেলেটি (কর্তৃকারক) বই পড়ছে।

বাংলা ভাষায় সাত প্রকার বিভক্তি রয়েছে:
  • প্রথমা বিভক্তি: (-): কর্তৃকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: ছেলেটি (কর্তৃকারক) বই পড়ছে।
  • দ্বিতীয়া বিভক্তি: (-কে, -টাকে, -কে, -কে): কর্মকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি বইটি (কর্মকারক) পড়লাম।
  • তৃতীয় বিভক্তি: (-দিয়ে, - দ্বারা, -সহ, -সাথে): করণকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি ছুরি দিয়ে (করণকারক) আপেল কাটলাম।
  • চতুর্থী বিভক্তি: (থেকে, -হতে, -হইতে): অপাদানকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি ঢাকা থেকে (অপাদানকারক) চট্টগ্রামে গেলাম।
  • পঞ্চমী বিভক্তি: (-এ, -ই): অধিকরণকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: আমি টেবিলে (অধিকরণকারক) বসে লিখছি।
  • ষষ্ঠী বিভক্তি: (-র, -এর, -ইর, -দের): সম্বন্ধকারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ: বাংলা ভাষার (সম্বন্ধকারক) ব্যাকরণ।
  • সপ্তমী বিভক্তি: (-ও, -ওয়া): সম্বোধন নির্দেশ করে।
উদাহরণ: বন্ধু

কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ে সাবধানতা

ব্যাকরণের প্রতিটি বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জন এবং কিছু সাবধানতা অর্জন করলেই বেকার অংশে ভালো নম্বর পাওয়া যায়। কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও কারো কত প্রকার ও কি কি বিভক্তি কত প্রকার ও কি কি? কিভাবে কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করতে হয় সেই বিষয়গুলো ভালোভাবে জানলেই কারক ও বিভক্তি নির্ণয় সঠিকভাবে করা সম্ভব। তাই কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ে নিম্নোক্ত সাবধানতা গুলো অবলম্বন করা উচিত।
  • একই নামপদ একই বাক্যে একাধিক কারকে ব্যবহৃত হতে পারে।
  • কারক বাদ দিলে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট হতে পারে।
  • বিভিন্ন কারকের বিভক্তি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

কারক ও বিভক্তি চেনার সহজ উপায়

আপনার প্রতিটি বিষয়ের পড়ার পদ্ধতি যদি সহজ হয় তাহলে সে বিষয়গুলো সহজেই মনে রাখা ও সহজেই হয়। আসুন আজ কারক ও বিভক্তি চেনার সহজ উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করি। কারক ও বিভক্তি বাংলা ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাক্যে নামপদের ভূমিকা নির্ধারণে এদের জ্ঞান অপরিহার্য।
কিছু সহজ উপায় যা আপনাকে কারক ও বিভক্তি চিনতে সাহায্য করবে:
১. প্রশ্ন পদ্ধতি:
কর্তৃকারক: কে/কী (কাজ করে)?
কর্মকারক: কাকে/কী (কাজ করা হচ্ছে)?
করণকারক: দিয়ে/দ্বারা/সহ/সাথে (কাজ করা হচ্ছে)?
অপাদানকারক: থেকে/হতে/হইতে (কাজ শুরু হচ্ছে)?
অধিকরণকারক: কোথায় (কাজ করা হচ্ছে)?
সম্বন্ধকারক: কার/কিসের (সম্পর্কে কথা বলা হচ্ছে)?
উদাহরণ:
বাক্য: ছেলেটি বই পড়ছে।
কর্তৃকারক: কে (কাজ করে)? ছেলেটি
কর্মকারক: কী (কাজ করা হচ্ছে)? বই
২. বিভক্তি চিহ্ন:
কর্তৃকারক: সাধারণত কোন বিভক্তি থাকে না।
কর্মকারক: -কে, -টাকে, -কে, -কে
করণকারক: -দিয়ে, -দ্বারা, -সহ, -সাথে
অপাদানকারক: থেকে, -হতে, -হইতে
অধিকরণকারক: -এ, -ই
সম্বন্ধকারক: -র, -এর, -ইর, -দের
উদাহরণ:
বাক্য: ছেলেটি বই পড়ছে।
কর্তৃকারক: ছেলেটি (কোন বিভক্তি নেই)
কর্মকারক: বই (কর্মকারকের বিভক্তি নেই)
৩. বাক্যের অর্থ বিশ্লেষণ:
বাক্যের অর্থ বিশ্লেষণ করেও কারক ও বিভক্তি চিহ্নিত করা সম্ভব।
উদাহরণ: বাক্য: ছেলেটি বই পড়ছে।
বাক্যটিতে 'ছেলেটি' কাজ করছে, তাই এটি কর্তৃকারক।
'বই' এর উপর কাজ করা হচ্ছে, তাই এটি কর্মকারক।
কিছু টিপস:
  • নিয়মিত অনুশীলন করুন।
  • বিভিন্ন বাক্য বিশ্লেষণ করে দেখুন।
  • সন্দেহ হলে অভিধান বা ব্যাকরণের বই ব্যবহার করুন।
  • অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করুন।
কারক ও বিভক্তি শেখা আপনার বাংলা ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং আপনাকে আরও স্পষ্ট ও সাবলীলভাবে ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করবে।

কারক ও বিভক্তি প্রশ্ন উত্তর

কারক ও বিভক্তি নিয়ে প্রশ্ন উত্তর খোঁজার পূর্বেই আপনাকে কারো ও বিভক্তি কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি উপরের এই বিষয়গুলো বিস্তারিত জানতে হবে। সুতরাং আর দেরি না করে কারো অভিব্যক্তি কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি সেই বিষয়গুলো বিস্তারিত জেনে আসুন। এখন আমরা আলোচনা করব  কারক ও বিভক্তি: প্রশ্ন উত্তর।
কারক বাক্যস্থিত নামপদ ও ক্রিয়াপদের মধ্যকার সম্পর্ককে নির্দেশ করে। বিভক্তি হল নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি যা কারক নির্দেশ করে।
প্রশ্ন: ১. কারক কত প্রকার?
উত্তর: আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে ছয় প্রকার কারক রয়েছে:
কর্তৃকারক: যে নামপদ ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তৃকারক বলে।
কর্মকারক: যার উপর ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে।
করণকারক: যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে।
অপাদানকারক: যেখান থেকে ক্রিয়া শুরু হয় তাকে অপাদানকারক বলে।
অধিকরণকারক: যেখানে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণকারক বলে।
সম্বন্ধকারক: যার সম্পর্কে কথা বলা হয় তাকে সম্বন্ধকারক বলে।
২. বিভক্তি কত প্রকার?
উত্তর: বাংলা ভাষায় সাত প্রকার বিভক্তি রয়েছে:
  • প্রথমা বিভক্তি: (-): কর্তৃকারক নির্দেশ করে।
  • দ্বিতীয়া বিভক্তি: (-কে, -টাকে, -কে, -কে): কর্মকারক নির্দেশ করে।
  • তৃতীয় বিভক্তি: (-দিয়ে, - দ্বারা, -সহ, -সাথে): করণকারক নির্দেশ করে।
  • চতুর্থী বিভক্তি: (থেকে, -হতে, -হইতে): অপাদানকারক নির্দেশ করে।
  • পঞ্চমী বিভক্তি: (-এ, -ই): অধিকরণকারক নির্দেশ করে।
  • ষষ্ঠী বিভক্তি: (-র, -এর, -ইর, -দের): সম্বন্ধকারক নির্দেশ করে।
  • সপ্তমী বিভক্তি: (-ও, -ওয়া): সম্বোধন নির্দেশ করে।
৩. কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের নিয়ম কী?
উত্তর: কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের জন্য নিম্নলিখিত নিয়মগুলি অনুসরণ করা যেতে পারে:
ক্রিয়ার সাথে সম্পর্ক: প্রথমে বাক্যের ক্রিয়া খুঁজে বের করতে হবে। তারপর ক্রিয়ার সাথে নামপদের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে হবে।
বিভক্তি ব্যবহার
  • বিভিন্ন কারকের জন্য নির্দিষ্ট বিভক্তি ব্যবহার করা হয়। নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি বিশ্লেষণ করে কারক নির্ণয় করা যায়।
প্রশ্ন ব্যবহার: 
  • বিভিন্ন কারকের জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্ন ব্যবহার করা যায়। বাক্যে নামপদের পরিবর্তে প্রশ্ন ব্যবহার করে কারক নির্ণয় করা যায়।
৪. কারক ও বিভক্তি ব্যবহারের কিছু উদাহরণ দিন।
উত্তর: বাক্য: ছেলেটি বই পড়ছে।
কারক ও বিভক্তি প্রশ্ন উত্তর pdf
কারক ও বিভক্তি: প্রশ্ন উত্তর (PDF)
কারক বাক্যস্থিত নামপদ ও ক্রিয়াপদের মধ্যকার সম্পর্ককে নির্দেশ করে। বিভক্তি হল নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি যা কারক নির্দেশ করে।
এই পিডিএফ ফাইলে কারক ও বিভক্তি সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রশ্ন ১: কারক কত প্রকার?
উত্তর: আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে ছয় প্রকার কারক রয়েছে:
  • কর্তৃকারক: যে নামপদ ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তৃকারক বলে।
  • কর্মকারক: যার উপর ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্মকারক বলে।
  • করণকারক: যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণকারক বলে।
  • অপাদানকারক: যেখান থেকে ক্রিয়া শুরু হয় তাকে অপাদানকারক বলে।
  • অধিকরণকারক: যেখানে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণকারক বলে।
  • সম্বন্ধকারক: যার সম্পর্কে কথা বলা হয় তাকে সম্বন্ধকারক বলে।
উদাহরণ:
  • কর্তৃকারক: ছেলেটি (কাজ করে) বই পড়ছে।
  • কর্মকারক: আমি (কাজ করি) বইটি পড়লাম।
  • করণকারক: আমি ছুরি দিয়ে (কাজ করি) আপেল কাটলাম।
  • অপাদানকারক: আমি ঢাকা থেকে (কাজ শুরু হয়) চট্টগ্রামে গেলাম।
  • অধিকরণকারক: আমি টেবিলে (কাজ করি) বসে লিখছি।
  • সম্বন্ধকারক: বাংলা ভাষার (সম্পর্কে কথা বলা হয়) ব্যাকরণ।
প্রশ্ন ২: বিভক্তি কত প্রকার?
উত্তর: বাংলা ভাষায় সাত প্রকার বিভক্তি রয়েছে:
  • প্রথমা বিভক্তি: (-): কর্তৃকারক নির্দেশ করে।
  • দ্বিতীয়া বিভক্তি: (-কে, -টাকে, -কে, -কে): কর্মকারক নির্দেশ করে।
  • তৃতীয় বিভক্তি: (-দিয়ে, - দ্বারা, -সহ, -সাথে): করণকারক নির্দেশ করে।
  • চতুর্থী বিভক্তি: (থেকে, -হতে, -হইতে): অপাদানকারক নির্দেশ করে।
  • পঞ্চমী বিভক্তি: (-এ, -ই): অধিকরণকারক নির্দেশ করে।
  • ষষ্ঠী বিভক্তি: (-র, -এর, -ইর, -দের): সম্বন্ধকারক নির্দেশ করে।
  • সপ্তমী বিভক্তি: (-ও, -ওয়া): সম্বোধন নির্দেশ করে।
উদাহরণ:
  • প্রথমা বিভক্তি: ছেলেটি (কর্তৃকারক)
  • দ্বিতীয়া বিভক্তি: বইটি (কর্মকারক)
  • তৃতীয় বিভক্তি: ছুরি দিয়ে (করণকারক)
  • চতুর্থী বিভক্তি: ঢাকা থেকে (অপাদানকারক)
  • পঞ্চমী বিভক্তি: টেবিলে (অধিকরণকারক)
  • বাংলা ভাষার (সম্পর্কে কথা বলা হয়) ব্যাকরণ।

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা কারক ও বিভক্তি

পাবলিক পরীক্ষার সহ বিভিন্ন ধরনের চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন পরীক্ষায় আশা কারো ও বিভক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পূর্বেই আপনাকে কারক ও বিভক্তি কাকে বলে এবং কত প্রকার ও কি কি সেই বিষয়ে সঠিক ধারণা রাখা উচিত। বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা কারক ও বিভক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি।
কারক বাক্যস্থিত নামপদ ও ক্রিয়াপদের মধ্যকার সম্পর্ককে নির্দেশ করে। বিভক্তি হল নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি যা কারক নির্দেশ করে।
বিভিন্ন পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে যেসব প্রশ্ন বারবার আসে তার কিছু উদাহরণ:
১. কারক চিহ্নিত করুন:
  • বাক্যে নামপদগুলো চিহ্নিত করুন এবং তাদের কারক নির্ধারণ করুন।
  • নির্দিষ্ট শব্দের কারক নির্ধারণ করুন।
  • বাক্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন কারকের উদাহরণ দিন।
২. বিভক্তি চিহ্নিত করুন:
  • নামপদের শেষে যোগ করা বিভক্তি চিহ্নিত করুন।
  • বিভিন্ন কারকের জন্য ব্যবহৃত বিভক্তি নির্ধারণ করুন।
  • নির্দিষ্ট শব্দের বিভক্তি নির্ধারণ করুন।
৩. বাক্য গঠন:
  • নির্দিষ্ট কারক ব্যবহার করে বাক্য গঠন করুন।
  • বিভিন্ন বিভক্তি ব্যবহার করে বাক্য গঠন করুন।
  • অর্থপূর্ণ বাক্য গঠনের জন্য উপযুক্ত কারক ও বিভক্তি ব্যবহার করুন।
৪. অনুবাদ:
  • বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার সময় কারক ও বিভক্তির ব্যবহার।
  • ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করার সময় কারক ও বিভক্তির ব্যবহার।
  • অনুবাদের সময় অর্থের স্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য উপযুক্ত কারক ও বিভক্তি ব্যবহার।
৫. রচনা:
  • রচনায় কারক ও বিভক্তির সঠিক ব্যবহার।
  • বিভিন্ন ধরণের রচনায় কারক ও বিভক্তির প্রয়োগ।
  • ভাব প্রকাশের জন্য উপযুক্ত কারক ও বিভক্তি ব্যবহার করে রচনাকে সমৃদ্ধ করা।
কিছু টিপস:
  • নিয়মিত অনুশীলন করুন।
  • বিভিন্ন বাক্য বিশ্লেষণ করে দেখুন।
  • সন্দেহ হলে অভিধান বা ব্যাকরণের বই ব্যবহার করুন।
  • অনলাইন রিসোর্স ব্যবহার করুন।
কারক ও বিভক্তি শেখা আপনার বাংলা ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং আপনাকে আরও স্পষ্ট ও সাবলীলভাবে ভাব প্রকাশ করতে সাহায্য করবে।

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা কারক ও বিভক্তি প্রশ্ন উত্তর

কারক বাক্যস্থিত নামপদ ও ক্রিয়াপদের মধ্যকার সম্পর্ককে নির্দেশ করে। বিভক্তি হল নামপদের শেষে যোগ করা অক্ষর বা অক্ষরসমষ্টি যা কারক নির্দেশ করে।


বিভিন্ন পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে যেসব প্রশ্ন বারবার আসে তার কিছু উদাহরণ:

ক্র.নং

বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা কারক ও বিভক্তি প্রশ্ন উত্তর

মন্তব্য

০১

‘ইট -পাথরের দালান' এখানে ‘ইট -পাথরের'কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক কর্মে সপ্তমী

খ কর্তৃকারকে ষষ্ঠী

গ করণে ষষ্ঠী

ঘ করণে সপ্তমী


০২

'প্রভাতে সূর্য উঠে' বাক্যটির 'প্রভাতে' কোন কারক?

ক কালাধিকরণ

খ আধারিকরণ

গ ভাবাধিকরণ

ঘ কোনোটিই নয়


০৩

খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি । এখানে ‘ঘুম’ কোন কারক?

ক কর্ম

খ করণ

গ অপাদান

ঘ অধিকরণ


০৪

ডাক্তার ডাক । কোন কারক?

ক কর্মে শূন্য

খ কর্তায় শূন্য

গ করণে শূন্য

ঘ সম্প্রদানে সপ্তমী


০৫

‘পৃথিবীতে কে কাহার’? এই বাক্যে ‘পৃথিবীতে’ পদটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ক অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি

খ অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি

গ কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি

ঘ কর্মকারকে ৫মী বিভক্তি


০৬

'ভোরবেলা সজীবের ঘুম ভেঙ্গে গেল'- এখানে ভোরবেলা কোন কারকে কোন বিভক্তি ?

ক কর্তৃকারকে ৭মী

খ করণে ৭ মী

গ অধিকরণে ৭মী

ঘ অপাদানে ৭মী


০৭

সকলকে মরতে হবে- বাক্যে সকলকে কোন কারকে কোন বিভক্তি-

ক কর্মে ২ য়া

খ কর্তায় ৭মী

গ অপদানে ৭মী

ঘ কর্তায় ২য়া


০৮

”প্রিয়জনে যাহ দিতে চাই তাই দিই দেবতার। “ কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করুন-

ক কর্তায় সপ্তমী

খ কর্মে সপ্তমী

গ সম্প্রদানে দ্বিতীয়া 

ঘ অপাদানে ষষ্ঠী


০৯

অন্ধজনে দয়া কর- ”অন্ধজনে” কোন কারকে, কোন বিভক্তি?

ক কর্মে সপ্তমী

খ কর্তায় সপ্তমী

গ কর্মে শূন্য

ঘ সম্প্রদানে সপ্তমী


১০

'শিক্ষককে শ্রদ্ধা কর' কোন কারকে কোন বিভক্তি ?

ক করণে সপ্তমী

খ সম্প্রদানে সপ্তমী

গ অপাদানে সপ্তমী

ঘ অধিকরণে সপ্তমী


উপসংহার

প্রিয় পাঠক আজ কারক কাকে বলে কত প্রকার নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে অন্য কোনো ভালো টপিক নিয়ে হাজির হবো। আশা করছি উপরের কারক কাকে বলে কত প্রকার আলোচনা আপনার ভালো লেগেছে। যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান আর আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে এই কনটেন্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের ফলো করে সাথেই থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url