ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক আপনি অনেক খোঁজাখুজির পর নিশ্চয়ই ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয়
তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন।

হ্যাঁ আজকে আমি ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয় তা নিয়ে আলোচনা করব। এই লেখার
মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন।
ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা বিস্তারিত জেনে নিন
ঢোক গিলতে গলা ব্যথার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো গলায় সংক্রমণ। এই সংক্রমণ
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, বা ছত্রাক দ্বারা হতে পারে। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ সবচেয়ে
বেশি দেখা যায়, এবং এটি সাধারণ সর্দি-কাশির একটি উপসর্গ। ব্যাকটেরিয়াজনিত
সংক্রমণের মধ্যে রয়েছে টনসিলাইটিস, ফ্যারিনজাইটিস, এবং লারিঞ্জাইটিস।
ছত্রাকজনিত সংক্রমণ সাধারণত শিশুদের মধ্যে দেখা যায়, এবং এটিকে মিউকাস
মেমব্রেনের ক্যানডিডিয়াসিস বলা হয়।
গলা ব্যথার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এসব কারণ গুলোর মধ্যে গলা ব্যথার
অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:
- অ্যালার্জি
- শুষ্ক বাতাস
- ধূমপান বা তামাকের ধোঁয়া
- রাসায়নিক বা অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শ
- গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)
- থাইরয়েড সমস্যা
- ক্যান্সার
আপনার গলা ব্যাথা হলে বা ঢোক গিলতে গেলে গলায় ব্যথা হয় এবং সে ব্যথার
বিভিন্ন লক্ষণ রয়েছে। ঢোক গিলতে গলা ব্যথার লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:
- গলাব্যথা
- গলায় খুসখুসে ভাব
- গলা শুকিয়ে যাওয়া
- গলায় চাপ অনুভব করা
- কথা বলা বা চিৎকার করায় ব্যথা
- খাওয়া বা পান করায় ব্যথা
ঢোক গিলতে গলা ব্যথা হলে সাধারণত প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে উপশম করা যায়।
এক্ষেত্রে ব্যথানাশক ওষুধ, গরম পানির গড়গড়া, এবং প্রচুর পরিমাণে তরল পান করা
উপকারী। তবে যদি ব্যথা তীব্র হয় বা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে একজন চিকিৎসকের
পরামর্শ নেওয়া উচিত।
- মাঝে মধ্যেই আমরা শুনে থাকি যে কেউ বলছে ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা পাচ্ছে।
- এমনকি আমাদের নিজেদের সাথে এমনটা হয়েছে বা সামনে হতে পারে।
- অনেক সময় শুল্ক আবহাওয়া, শীতকালে ঘরের মধ্যে গরম লাগা, অধিক মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া, ধূমপানের কারণেও হতে পারে।
- টনসিল ইনফেকশনের কারণে ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা হতে পারে।
- কিছু রোগের কারণেও ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা হতে পারে। যেমন: ভাইরাসের কারণেই অসুস্থতা মনোনিউক্লিওসিস এবং ডিপথেরিয়া।
- ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা ছাড়াও এই আর্টিকেলে আরো জানতে পারবেন গলা ব্যথা হলে করণীয় কি, গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত।
- গলা ব্যথা হলে করণীয় কি জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।
ভিটামিন বি ১২ একটি জটিল জৈব যৌগ যা মানবদেহের জন্য অপরিহার্য। এটি একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীরে সঞ্চিত থাকে না। ভিটামিন বি 12 এর অপর নাম কি জানেন? ভিটামিন বি 12 এর অপর নাম হল কোবালামিন। এটি একটি জটিল জৈব যৌগ যা মানবদেহের জন্য অপরিহার্য। এটি একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীরে সঞ্চিত থাকে না। বিস্তারিত জানতে এখানে চাপ দিন।
ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে করনীয় ও গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত
জীবনে একবার হলেও আমাদের প্রত্যেকের ই গলা ব্যথা হয়েছে। ঠান্ডায় গলা ব্যথা খুবই
একটি পরিচিত শব্দ আমাদের কাছে। কিন্তু আপনি কি জানেন ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে
করণীয় কি বা গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত। যদিও আজকাল প্রায় মানুষই জানেন
ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে করণীয় কি। ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয় ও গলা ব্যথা
হলে কি খাওয়া উচিত:
- হালকা গরম জলের সাথে লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করুন।
- পানির মধ্যে কয়েক টুকরা আদা দিয়ে পাশ থেকে দশ মিনিট জাল দিন। এরপর এই পানি কমপক্ষে দুবার পান করুন।
- এক গ্লাস গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে দুবার পান করুন।
- রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক কাপ গরম পানিতে ২/৩ চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন।
- কাঁচা রসুন খেলেও উপকার পাওয়া যায়।
এই ছিল গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত তার ঘরোয়া টোটকা। আশাকরি এই পর্বের মাধ্যমে
জানতে পেরেছেন গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত। গলা ব্যথা হলে কি খাওয়া উচিত তা
ছাড়াও আরো জানতে পারবেন গলা ব্যথা ঔষধ সম্পর্কে।
গলা ব্যথার ঔষধ-গলা ব্যথার এলোপ্যাথিক ঔষধ
গলা ব্যাথার ধরন অনুযায়ী গলা ব্যথার ঔষধ দেওয়া হয়। যদি আপনার গলা ব্যথার সাথে
জ্বর থাকে তাহলে গলা ব্যথা ঔষধ নাপা এক্সটেন্ড খাবেন। আর শুধু গলা ব্যথা হলে গলা
ব্যথা ঔষধ রোলাক খাবেন। গলা ব্যথার এলোপ্যাথিক ঔষধ অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ
অনুযায়ী খাবেন। গলা ব্যথা ঔষধ ছাড়াও পরবর্তী ধাপে গলা ব্যথা ও কাশির ঔষধ
সম্পর্কে জানতে পারবেন।
১. গলা ব্যথার জন্য এলোপ্যাথিক ঔষধ দ্রুত উপশম দেয়।
২. সাধারণত পেনসিলিন বা অ্যামোক্সিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।
৩. এলোপ্যাথিক সিরাপ যেমন পারাসিটামল বা ইবুপ্রোফেন ব্যথা ও জ্বালা কমায়।
৪. গলা ব্যথা, ইনফেকশন বা ভাইরাসজনিত সমস্যা কমাতে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন জরুরি।
৫. গার্গল বা কফ সিরাপও এলোপ্যাথিক চিকিৎসার অংশ হতে পারে।
৬. সর্দি-কাশির সঙ্গে যুক্ত গলা ব্যথার জন্য সাপোর্টিভ মেডিসিন দেওয়া হয়।
৭. অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ গলা ফুলে যাওয়া কমাতে সহায়ক।
৮. এলোপ্যাথিক ঔষধ সাধারণত সংক্রমণ দ্রুত নিরাময় করে।
৯. শিশু ও বয়স্কদের জন্য ডোজ বিশেষভাবে নির্ধারণ করা হয়।
১০. গলা ব্যথা গুরুতর হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ ব্যবহার করা উচিত।
গলা ব্যথা ও কাশির ঔষধ বিস্তারিত জেনে নিন
কাশি খুব ই একটি যন্ত্রণাদায়ক সমস্যা। বিশেষ করে রাতে ঘুমের মধ্যে অনেক সময়
কাশতে কাশতে মনে হয় যেন প্রাণ টা বের হয়ে যাবে। গলা ব্যথার ওষুধ সম্পর্কে আমরা
আগেই জেনেছি। এখন শুধু কাশির ঔষধ সম্পর্কে জানবো। গলা ব্যথা ও কাশির ঔষধ যারা
জানতে চেয়েছেন তারা এই পর্বে গলা ব্যথা ও কাশির ঔষধ সম্পর্কে জানতে পারবেন। গলা
ব্যথা ও কাশির ঔষধ:
কাশির ধরন অনুযায়ী কাশির ঔষধ দেওয়া হয়। এজন্য কাশির চিকিৎসা করাতে অবশ্যই
ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ বিভিন্ন কারণে কাশি হতে পারে যেমন যক্ষা, ঠান্ডা
লাগা।
দ্রুত গলা ব্যাথা কমানোর উপায় বিস্তারিত জেনে নিন
ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয় কি, কিভাবে হচ্ছে, এ বিষয়গুলো জেনে গেছেন। গলা
ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। গলা ব্যথার দ্রুত উপশম করার
জন্য নিম্নলিখিত উপায়গুলি অনুসরণ করা যেতে পারে:
লবণ-পানির গড়গড়া:
- গলা ব্যথা হলে লবণ-পানির গড়গড়া গলায় জমে থাকা শ্লেষ্মা দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে।
- এক কাপ গরম পানিতে ১/২ চা চামচ লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করুন।
ব্যথানাশক ওষুধ:
- ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয় হল ব্যথানাশক ওষুধ, যেমন প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন, গলা ব্যথার ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
- এভাবে ওষুধ ব্যবহার করেও গলা ব্যথা কমানো যায়।
মধু:
- পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ এবং ফলপ্রসূ হচ্ছে মধু।মধুতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা গলা ব্যথার ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
- এক চা চামচ মধু গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন।
আদা:
- আদাতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা গলা ব্যথার ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
- এক টুকরো আদা কুচি করে গরম পানিতে ফুটিয়ে নিন।
- ঠান্ডা হলে পান করুন। সুতরাং আদা ব্যবহার করেও আপনার গলা ব্যাথা কমাতে পারেন।
গরম পানীয়:
- গরম পানীয় গলাকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে। চা, কফি, লেবুর রস, বা অন্য যেকোনো গরম পানীয় পান করতে পারেন।
প্রচুর পরিমাণে তরল পান:
- তরল পান গলাকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে। পানি, ফলের রস, বা স্যুপ পান করতে পারেন।
- গলা ব্যাথা হলে আমরা রহস্য বিভিন্ন ধরনের খাবার বা তরল খাবার বচন করে থাকি।
- আসলে পদার্থ বর্জন না করে নির্দিষ্ট পরিমাণে পান করা উচিত।
গলাকে বিশ্রাম দিন:
- গলা ব্যথা হলে কথা বলা বা চিৎকার করা থেকে বিরত থাকুন। এতে গলায় আরও চাপ পড়বে এবং ব্যথা বাড়তে পারে।
- গলা ব্যথা যদি তীব্র হয় বা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
উপসংহার
আজ আমরা .ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে ভালো কোনো টপিক নিয়ে হাজির হবো। আশা করছি উপরের ঠান্ডায় গলা ব্যথা হলে কি করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন বিষয়ে আলোচনা আপনার ভালো লেগেছে। যদি এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানান । আমাদের ফলো করে সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।


জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url