স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য জেনে নিন
ভূমিকা
সুপ্রিয় পাঠক আজকাল অনেকেই অনলাইনে স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে জানতে চান। আপনিও হয়তো অনেক খোঁজাখুঁজির পর নিশ্চয়ই স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য কি তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন।
হ্যাঁ আজকে আমি সঠিকভাবে স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য তা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব। চলুন এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন।
স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি
এখন আর দেরি না করে আমরা স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি তা নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন। ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে স্বামীর উপর স্ত্রীর হক (অধিকার) কয়েকটি মূল বিষয়ের মধ্যে বিভক্ত করা যায়। সংক্ষিপ্তভাবে বলছি:
১. ন্যায্য ভরণ-পোষণ (নফকা):
- স্বামীকে স্ত্রীর খাবার, পোশাক, বাসস্থান ও প্রয়োজনীয় খরচ যথাসম্ভব সক্ষমতা অনুযায়ী দিতে হবে।
২. ভালো ব্যবহার ও সদ্ব্যবহার:
- স্ত্রীকে মর্যাদা ও সম্মানের সাথে রাখা, কষ্ট বা অপমান না করা, সহানুভূতিশীল আচরণ করা।
৩. দাম্পত্য অধিকার পূরণ:
- স্ত্রীর বৈধ যৌন চাহিদা পূরণ করা, যাতে সে গুনাহের দিকে না ঝোঁকে।
৪. শিক্ষা ও দ্বীনি দিকনির্দেশনা:
- স্ত্রীকে ইসলামের শিক্ষা শেখানো বা শিখতে সহযোগিতা করা।
৫. নিরাপত্তা ও সুরক্ষা:
- স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নিরাপদ রাখা, অন্যায়ভাবে কষ্ট না দেওয়া।
৬. ন্যায় ও ইনসাফ:
- যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তাহলে তাদের মধ্যে সমান আচরণ ও ন্যায়বিচার করা।
৭. মায়ের মর্যাদা:
- স্ত্রী যদি সন্তানের মা হয়, তাহলে তার এই মর্যাদাকে সম্মান করা।
- ইসলামী স্কলারদের মতে, স্বামীর উপর স্ত্রীর প্রধান কয়েকটি হক হচ্ছে ভরণ-পোষণ, সুন্দর ব্যবহার, দাম্পত্য অধিকার পূরণ, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও ন্যায়বিচার।
স্বামীর হক স্ত্রীর অধিকার pdf
এখন আর দেরি না করে আমরা স্বামীর হক স্ত্রীর অধিকার pdf নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্বামীর হক স্ত্রীর অধিকার pdf নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন।
- ইসলামী স্কলারদের মতে, স্বামীর উপর স্ত্রীর প্রধান কয়েকটি হক হচ্ছে ভরণ-পোষণ, সুন্দর ব্যবহার, দাম্পত্য অধিকার পূরণ, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও ন্যায়বিচার।
স্ত্রীর হক কি কি
এখন আর দেরি না করে আমরা স্ত্রীর হক কি কি তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্ত্রীর হক কি কি নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন। ইসলাম অনুযায়ী স্ত্রীর স্বামীর উপর মূল হক বা অধিকারগুলো সংক্ষেপে নিচে তুলে ধরছি, যা কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত:
১. ন্যায্য ভরণ-পোষণ (নফকা):
- স্বামীর দায়িত্ব স্ত্রীর খাবার, পোশাক, চিকিৎসা, বাসস্থান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয়তা তার সামর্থ্য অনুযায়ী জোগান দেয়া।
- কুরআন: “তাদের ভরণপোষণ ও কাপড়চোপড় প্রথা অনুযায়ী স্বামীর উপর ন্যস্ত।” (সূরা বাকারা, আয়াত ২৩৩)
২. সুন্দর ব্যবহার ও সম্মান:
- স্ত্রীকে আদর, স্নেহ, ভালোবাসা, বিনয় ও সম্মানের সাথে রাখা।
- কুরআন: “তোমরা তাদের সাথে উত্তম আচরণ করবে।” (সূরা নিসা, আয়াত ১৯)
৩. দাম্পত্য অধিকার পূরণ:
- স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ করা, যাতে সে হারাম পথে না যায়।
৪. শিক্ষা ও দ্বীনি দিকনির্দেশনা:
- স্ত্রীকে দ্বীন শিখতে সাহায্য করা ও ভালো কাজে উৎসাহিত করা।
৫. নিরাপত্তা ও সুরক্ষা:
- স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নিরাপদ রাখা; অন্যায়ভাবে আঘাত, গালি বা অপমান না করা।
৬. ন্যায় ও ইনসাফ:
- যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের মধ্যে সমান আচরণ ও ন্যায়বিচার করা।
৭. তালাকের পরে অধিকার:
- তালাক দিলে ইদ্দতকালে ভরণপোষণ করা এবং ইজ্জতের সাথে বিদায় করা।
ইসলাম স্ত্রীর জন্য স্বামীর দায়িত্ব হিসেবে ভরণপোষণ, সম্মান, ভালো ব্যবহার, যৌন অধিকার, শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিয়েছে।
স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য
ইসলাম অনুযায়ী স্ত্রীর উপর স্বামীর কিছু মৌলিক অধিকার বা স্ত্রীর কর্তব্য আছে, যেগুলো সংসারের শান্তি, ভালোবাসা ও বন্ধন দৃঢ় করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সংক্ষেপে উল্লেখ করছি: এখন আর দেরি না করে আমরাস্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন।
১. স্বামীকে শ্রদ্ধা ও মান্য করা
- স্বামীকে সম্মান করা, কথাবার্তায় ও আচরণে বিনয়ী থাকা।
২. স্বামীর বৈধ আদেশ মান্য করা
- যতক্ষণ সেটা ইসলামের বিধানের বিরুদ্ধে না যায়, ততক্ষণ স্বামীর নির্দেশ পালন করা স্ত্রীর দায়িত্ব।
৩. স্বামীর সম্পদ ও সম্মান রক্ষা করা
- স্বামী অনুপস্থিত থাকলেও তার সম্মান ও সম্পদ রক্ষা করা, বিশ্বাসঘাতকতা না করা।
৪. ভালো ব্যবহার ও সহযোগিতা
- স্বামীর সাথে ভালো আচরণ করা, সংসারে শান্তি-সুখ বজায় রাখতে সহযোগিতা করা।
৫. দাম্পত্য অধিকার পূরণ
- স্বামীকে তার বৈধ দাম্পত্য অধিকার দেওয়া, অযথা বিরক্ত না করা।
৬. স্বামীকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা
- স্বামীকে খুশি রাখা এবং দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা বজায় রাখা।
৭. গোপনীয়তা রক্ষা করা
- স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত কথা বা দাম্পত্য জীবনের গোপন বিষয় অন্য কারও কাছে প্রকাশ না করা।
হাদিসে এসেছে:
“যে স্ত্রী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রমজানের রোযা রাখে, স্বামীর ইজ্জত রক্ষা করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে সে জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা মতো প্রবেশ করবে।” (সহীহ আল-বুখারী ও মুসলিম)
শ্রদ্ধা, আনুগত্য, বিশ্বস্ততা, সুন্দর ব্যবহার ও দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা রক্ষা করা এগুলোই মূলত স্ত্রীর প্রধান কর্তব্য।
স্বামীর হক কি কি
আর দেরি না করে আমরা স্বামীর হক কি কি তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্বামীর হক কি কি নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন। ইসলাম অনুযায়ী, স্ত্রীর উপর স্বামীর প্রধান হক (অধিকার) সংক্ষেপে নিচে উল্লেখ করছি, যা কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত:
১. স্বামীর আনুগত্য করা
- যতক্ষণ তা আল্লাহর অবাধ্যতার মধ্যে না পড়ে, স্বামীর বৈধ কথায় ও নির্দেশে従মান্য থাকা।
রাসুল ﷺ বলেছেন:
“যদি আমি কাউকে অন্য কারো সিজদা করতে বলতাম, তবে স্ত্রীকে স্বামীকে সিজদা করতে বলতাম।” (তিরমিজি)
২. দাম্পত্য অধিকার রক্ষা করা
- স্বামীর যৌন চাহিদা পূরণ করা, অযথা কারণ ছাড়া বঞ্চিত না করা।
রাসুল ﷺ বলেছেন:
“যখন স্বামী স্ত্রীকে তার শয্যায় আহ্বান করে আর সে (কারণ ছাড়া) তা প্রত্যাখ্যান করে, তখন সকাল পর্যন্ত ফেরেশতারা তাকে অভিসম্পাত করে।” (বুখারি, মুসলিম)
৩. স্বামীর সম্পদ ও সম্মান রক্ষা করা
- স্বামী অনুপস্থিত থাকলেও তার সম্পদ, ঘর ও সম্মান রক্ষা করা, গোপনীয়তা বজায় রাখা।
৪. সুন্দর ব্যবহার ও কথা বলা
- স্বামীর সাথে বিনয়, সম্মান ও ভালো ব্যবহার করা।
৫. স্বামীকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করা
- স্বামীকে খুশি রাখার চেষ্টা করা; কারণ স্বামীর সন্তুষ্টি স্ত্রীর জন্য বড় সওয়াবের কাজ।
৬. ঘর ও সন্তান দেখাশোনা করা
- সংসার ও সন্তানদের যত্ন নেয়া, ঘরের পরিবেশ সুন্দর রাখা।
৭. স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া
- গুরুত্বপূর্ণ বা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে স্বামীর অনুমতি নিয়ে বাইরে যাওয়া।
স্বামীর প্রতি স্ত্রীর প্রধান কর্তব্য হলো— স্বামীর আনুগত্য, দাম্পত্য অধিকার রক্ষা, স্বামীর সম্পদ ও সম্মান রক্ষা, সুন্দর ব্যবহার, সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা, সন্তান-সংসারের দেখাশোনা ও গোপনীয়তা রক্ষা।
স্বামীর কাছে স্ত্রীর প্রথম অধিকার কী
স্বামীর কাছে স্ত্রীর প্রথম অধিকার ধর্মীয়, সামাজিক এবং নৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে, স্ত্রীর প্রথম অধিকারগুলো নিম্নরূপ: এখন আর দেরি না করে আমরা স্বামীর কাছে স্ত্রীর প্রথম অধিকার কী তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্বামীর কাছে স্ত্রীর প্রথম অধিকার কী তা নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন।
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে স্ত্রীর প্রথম অধিকার:
- মহব্বত ও সম্মান (ভালবাসা ও মর্যাদা দেওয়া)
কুরআনে বলা হয়েছে:
“...তাঁর (আল্লাহ) এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করো। এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।” সূরা আর-রূম: ২১
নফকা বা ভরণপোষণ
- স্বামী বাধ্য যে স্ত্রীকে খাওয়া-পরার, বাসস্থানের এবং মৌলিক চাহিদার ব্যবস্থা করবে (যতটুকু তার সামর্থ্য অনুযায়ী)।
“...পুরুষগণ নারীদের অভিভাবক, কারণ আল্লাহ তাদের একের উপর অপরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে।” সূরা নিসা: ৩৪
শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা
- স্ত্রী যেন ভয়হীন, নিরাপদ এবং মানসিক প্রশান্তিতে থাকতে পারে, সে দায়িত্ব স্বামীর।
বিশ্বাস ও আস্থা বজায় রাখা
- স্বামীর প্রতি স্ত্রীর আস্থা যেন টিকে থাকে, তার জন্য বিশ্বাসযোগ্য হওয়া, প্রতারণা না করা জরুরি।
ন্যায়বিচার ও সমতা
- যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তবে তাদের মধ্যে সমতা রক্ষা করা ইসলামী নির্দেশ।
সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে:
- সন্তান জন্ম ও লালনপালনে অংশীদারত্ব
- পারিবারিক সিদ্ধান্তে স্ত্রীর মতামতকে মূল্য দেওয়া
- সম্মানজনক সামাজিক পরিচয় দেওয়া
- স্ত্রীর প্রথম অধিকার হলো — ভালবাসা, ভরণপোষণ, নিরাপত্তা ও সম্মান।
একে ভিত্তি করেই একটি পরিবারে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে।
স্বামীর ৫টি পি কি কি
এখন আর দেরি না করে আমরা স্বামীর ৫টি পি কি কি তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটিরস্বামীর ৫টি পি কি কি নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন। "স্বামীর ৫টি পি" এটি একটি জনপ্রিয় ও শিক্ষণীয় ধারনা, যা স্বামীর কিছু গুরুত্বপূর্ণ গুণ বা দায়িত্বকে তুলে ধরে। এটি বিভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়, তবে নিচে ইসলামি ও পারিবারিক মূল্যবোধ অনুযায়ী একটি স্বীকৃত ও অর্থবহ "৫টি পি" উপস্থাপন করছি:
স্বামীর ৫টি 'পি' (P):
Protector (পাওয়ার রক্ষাকারী)
- স্ত্রীকে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবে নিরাপদ রাখা স্বামীর অন্যতম দায়িত্ব।
- সে যেন স্ত্রীকে অপমান বা নির্যাতনের শিকার না হতে দেয়।
Provider (পাওয়ার যোগানদাতা)
- স্ত্রী ও পরিবারের মৌলিক চাহিদা (খাদ্য, বসবাস, পোশাক, চিকিৎসা) পূরণ করা।
- এটি ইসলামীভাবেও ফরজ দায়িত্ব।
Partner (সহযোগী)
- জীবনসঙ্গী হিসেবে স্ত্রীকে বন্ধু, সহকর্মী ও সহযোদ্ধা মনে করা।
- সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্ত্রীকে গুরুত্ব দেওয়া।
Patience (ধৈর্যশীল)
- স্ত্রীর প্রতি সহনশীলতা, ক্ষমাশীলতা ও ধৈর্য প্রদর্শন করা।
- সংসারে ভুল বোঝাবুঝি হলে তা ভালোভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা।
Pious (ধার্মিক)
- নিজে ধর্মীয় নীতি মেনে চলা এবং স্ত্রীকে সেই পথে উৎসাহিত করা।
- আল্লাহভীতি ও ন্যায়ের পথ অবলম্বন।
স্বামী = Protector + Provider + Partner + Patience + Pious
ভালো স্বামী হওয়ার মানে শুধু উপার্জন নয়, বরং দায়িত্বশীল, ধার্মিক, সহানুভূতিশীল হওয়া।
স্ত্রীর কয়টি অধিকার রয়েছে
স্ত্রীর অধিকার অনেক, তবে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে স্ত্রীর কিছু মূল অধিকার রয়েছে যা পরিবারে শান্তি, মর্যাদা ও সমতা প্রতিষ্ঠা করে। এগুলোকে সহজভাবে বোঝাতে সাধারণত ৫টি, ৭টি বা ১০টি মূল অধিকার হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। এখন আর দেরি না করে আমরা স্ত্রীর কয়টি অধিকার রয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্ত্রীর কয়টি অধিকার রয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন।
ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী স্ত্রীর মূল ১০টি অধিকার:
১. ভরণপোষণের অধিকার (Nafaqah)
- স্বামী স্ত্রীর খাবার, পোশাক, বাসস্থান, চিকিৎসা ইত্যাদি মৌলিক চাহিদা পূরণ করবে।
২. বাসস্থান বা নিরাপদ আবাসনের অধিকার
- স্ত্রীকে নিরাপদ, সম্মানজনক এবং ব্যক্তিগত গোপনতা রক্ষা করে এমন বাসস্থান দিতে হবে।
৩. ভালবাসা ও সম্মানের অধিকার
- স্ত্রীকে ভালোবাসা, মর্যাদা ও সম্মান দেওয়া ফরজ।
৪. শারীরিক সম্পর্কের অধিকার
- স্বামীকে যৌক্তিকভাবে স্ত্রীকে শারীরিকভাবে তৃপ্ত করতে হবে। এটি ইসলামে স্ত্রীর হক হিসেবে বিবেচিত।
৫. শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের অধিকার
- স্বামী স্ত্রীকে ইসলামী ও দুনিয়াবি জ্ঞান অর্জনে বাধা দিতে পারবে না।
৬. ওয়ালিদের (পিতামাতার) সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বজায় রাখার অধিকার
- স্ত্রীকে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ থেকে বঞ্চিত করা অন্যায়।
৭. নারীস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকার
- স্বামী স্ত্রীর মতামত শুনবে ও সম্মান করবে, যৌক্তিকভাবে তার মতামত বিবেচনা করবে।
৮. ইসলামী সীমার মধ্যে চলার স্বাধীনতা
- স্ত্রী যেন পর্দা, নম্রতা ও ধর্মীয় বিধান মেনে চলার সুযোগ পায়।
৯. ইনসাফ ও সমতা পাওয়ার অধিকার (যদি একাধিক স্ত্রী থাকে)
- একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মধ্যে সমতা রাখা আবশ্যক।
১০. তালাকের পর ইদ্দতের সময় ভরণপোষণ ও বাসস্থান
- তালাকের পর নির্ধারিত ইদ্দতকালে স্ত্রীর খরচ চালানো স্বামীর দায়িত্ব।
ইসলাম স্ত্রীকে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আর্থিক সব দিকেই অধিকার দিয়েছে — যা ভালোবাসা, দায়িত্বশীলতা এবং ন্যায়ের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।
স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সাধারণ অধিকার কি কি
আর দেরি না করে আমরা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সাধারণ অধিকার কি কি তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি। আর জমজম আইটির স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সাধারণ অধিকার কি কি তা নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন। হাতে সময় থাকলে আরো পড়ুন লিংকে চাপ দিয়ে জ্ঞান অর্জন করুন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কিছু সাধারণ (পারস্পরিক) অধিকার আছে যেগুলো উভয়ের প্রতি সমানভাবে প্রযোজ্য। ইসলামী দৃষ্টিকোণ, সামাজিক মূল্যবোধ এবং নৈতিকতা সব দিক থেকেই এই অধিকারগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সাধারণ অধিকার (পারস্পরিক):
১. ভালোবাসা ও সহানুভূতি (Love & Compassion)
- উভয়ের প্রতি হৃদ্যতা, দয়া ও সম্মান প্রদর্শন করা।
- “তিনি (আল্লাহ) তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।” সূরা রূম: ২১
২. বিশ্বাস ও বিশ্বস্ততা (Trust & Loyalty)
- একে অপরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকা, গোপনীয়তা রক্ষা করা ও প্রতারণা না করা।
৩. স্নেহ ও শারীরিক সম্পর্ক (Mutual Fulfillment)
- একে অপরের মানসিক ও শারীরিক চাহিদা পূরণ করা। এতে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হয়।
৪. সহযোগিতা ও দায়িত্ব ভাগাভাগি (Cooperation & Responsibility)
- সংসার, সন্তান, জীবনযাপন—সব দিকেই একে অপরকে সাহায্য করা।
৫. পরস্পরের মতামতের প্রতি সম্মান (Mutual Respect of Opinions)
- সিদ্ধান্ত গ্রহণে একে অপরের মতামতকে মূল্য দেওয়া, অপমান না করা।
৬. ধৈর্য ও ক্ষমাশীলতা (Patience & Forgiveness)
- ভুল-ত্রুটি হলে মাফ করে দেওয়া ও পরিস্থিতি মোকাবেলায় ধৈর্যধারণ।
৭. ধর্মীয় দায়িত্বে সহায়তা (Supporting in Religious Duties)
- একে অপরকে নামাজ, রোজা, ইসলামি শিক্ষা ও নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ করা।
সংক্ষিপ্ত তালিকা: স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সাধারণ অধিকার কি কি
স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার কী কী?
- ইসলামে স্বামী স্ত্রীর দায়িত্ব কি?
- একজন স্বামী কেমন হওয়া উচিত?
- স্বামীকে নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?
- স্ত্রী কিভাবে তালাক দিবে?
- সংসারে স্ত্রীর দায়িত্ব কী কী?
- স্ত্রীকে আদর করে কোন নামে ডাকা যায়?
- বউকে কি বোন বলা যাবে?
- স্বামী কি স্ত্রীকে তুই করে বলতে পারবে?
- মেয়েরা কি স্বামীকে মুখে তালাক দিতে পারে?
- কাবিননামা ছাড়া ডিভোর্স করা কি সম্ভব?
- ডিভোর্স দিলে কি দেনমোহর দিতে হয়?
- স্ত্রীর সম্পদে স্বামীর কত অধিকার রয়েছে?
- স্ত্রী কেমন হওয়া উচিত?
- একজন স্বামী তার স্ত্রীর কাছে কী চায়?
- নবীজির স্ত্রীদের কি নামে ডাকতেন?
- প্রেমিকের আদরের ডাক নাম কী?
- স্বামীকে কি বলে ডাকা যায়?
- স্বামীর বড় বোনকে কী বলে?
- বউকে কি নামে ডাকা যায়?
- বউয়ের বড় বোনকে কী বলে ডাকে?
- কাদের 'তুই' সম্বোধন করে বলা যায়?
উপসংহার
প্রিয় পাঠক এই আর্টিকেলে আমরা স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম। আপনার স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য এখন আর কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং এটি একটি আবশ্যকতা। এটি শুধুমাত্র আপনার পাঠকদের জন্য একটি জ্ঞান এবং আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে না, বরং স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য অপরিহার্য। তাই, উল্লেখিত টিপসগুলো অনুসরণ করে আপনার স্বামীর উপর স্ত্রীর হক কয়টি এবং স্বামীর প্রতি স্ত্রীর কর্তব্য ও কার্যকরী রাখুন, যা আজকের ডিজিটাল বিশ্বে আপনার সফলতার পথ প্রশস্ত করবে, ধন্যবাদ।


জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url