কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ সময়ে করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন
ভূমিকা
সুপ্রিয় পাঠক আজকাল অনেকেই অনলাইনে কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ সময়ে করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন নিয়ে জানতে চান। আপনিও হয়তো অনেক খোঁজাখুঁজির পর নিশ্চয়ই কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ সময়ে করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন কি তা জানার জন্যই আমাদের এই জমজম আইটি সাইটটিতে এসেছেন।
হ্যাঁ আজকে আমি সঠিকভাবে কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ সময়ে করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন তা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব। চলুন এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন।
কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক , ইংরেজি, সংস্কৃত, আরবি নাম কী বিস্তারিত জেনে নিন
কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম কী? কাঁঠালের ইংরেজি নাম কি? কাঁঠালের সংস্কৃত নাম কি? কাঁঠালের আরবি নাম কি?
কাঁঠাল সম্পর্কিত নামগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম: Artocarpus heterophyllus
- কাঁঠালের ইংরেজি নাম: Jackfruit
- কাঁঠালের সংস্কৃত নাম: পণস (Panasa / पणस)
- কাঁঠালের আরবি নাম: جاك فروت (Jackfruit)
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন নামে পরিচিত।
কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ সময়ে করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন
কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল। এদেশে ২৭ হাজার হেক্টর জমি থেকে কাঁঠালের বাৎসরিক উৎপাদন প্রায় ২ লক্ষ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাদেশের সব জেলাতেই কম বেশী কাঁঠালের চাষ হয়। তবে ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও সিলেট জেলার পাহাড়ী এলাকায় সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপন্ন হয়।
- দামের তুলনায় এত বেশি পুষ্টি উপাদান আর কোন ফলে পাওয়া যায় না। কচি কাঁঠাল ও কাঁঠালের বীজ তরকারি হিসেবে খুবই সুস্বাদু। এছাড়াও বীজ ভেজে বা পুড়িয়ে খাওয়া যায়।
- পৃথিবীতে যত রকমের ফল উৎপন্ন হয় তার মধ্যে আকারের দিক থেকে কাঁঠাল সবচেয়ে বড়। সম্ভবত কাঁঠালই উদ্ভিদ জগতের একমাত্র সদস্য যা উন্নতমানের ফল ও কাঠ উভয়টিই উৎপন্ন করে।
- কাঁঠাল নানা গুণে গুণান্বিত একটি ফল। পুষ্টিমানের দিক থেকেও কাঁঠাল খুবই সমৃদ্ধ। কাঁঠালের শাঁস ও বীজে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, আমিষ ও ভিটামিন ”এ” এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে। শাঁস এবং বীজকে বলবর্ধক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- শিকড়ের রস জ্বর এবং পাতলা পায়খানা নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক ভাবে কাঁঠাল উৎপাদনের জন্য প্রথমেই বলব জাতের কথা। জাত নির্বাচন ভুল হলে কয়েক বৎসর পর ক্ষতির সম্মুখিন হতে হয়। উন্নত মানের উচ্চ ফলনশীল জাত নির্বাচন করতে হবে।
বাংলাদেশে কাঁঠালের চাষকৃত জাত বিস্তারিত জেনে নিন
কাঁঠালগাছ পরপরাগায়িত হওয়ায় প্রত্যেকটি কাঁঠাল থেকে জন্মানো ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে সাধরনত তিন ধরনের কাঁঠাল চাষ হয়ে থাকে। এদেশে চাষকৃত কাাঁঠালগুলোকে শাঁসের বুনটের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। যথাঃ খাজা বা চাওলা (শাঁস শক্ত ও কচকচে), গালা বা রসা (শাঁস অত্যন্ত নরম ও রসালো) দুরসা বা আধরসা (শাঁস মাঝারী শক্ত ও রসালো)। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কাঁঠালের ছয়টি উন্নত জাত মুক্তায়িত করেছে। জাত ছয়টির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ ঃ
বারি কাঠাল -১ ঃ
- নিয়মিত ফলদানকারী উচ্চ ফলনশীল আগাম ( মে-জুন বা জ্যৈষ্ঠ) জাত। গাছ প্রতি ১২০-১২৫টি ফল ধরে। একটি মাঝারি ফলের ওজন ৯.৫ কেজি। শাঁস মধ্যম নরম, খুব রসালো এবং মিষ্টি (ব্রিক্সমান ২২%)। খাদ্যোপযোগী অংশ ৫৫%। হেক্টর প্রতি ফলন ১১৫-১২০ টন।
বারি কাঁঠাল- ২ ঃ
- এটি একটি নিয়মিত ফলদানকারী উচ্চ ফলনশীল অমৌসুমী জাত। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত ফল আহরণ করা যায়। গাছ প্রতি ৫৪-৭৯ টি ফল ধরে।
- একটি মাঝারি ফলের ওজন প্রায় ৭ কেজি, দেখতে আর্কষনীয়। ফলের শাঁস হালকা হলুদ বর্ণের, মধ্যম রসালো এবং খুব মিষ্টি (বিক্সমান ২১%)।
- খাদ্যোপযোগী অংশ ৬০%। হেক্টর প্রতি ফলন ৩৮-৫৮ টন।
বারি কাঁঠাল - ৩ ঃ
- এটি নিয়মিত ফলদানকারী একটি উচ্চ ফলনশীল ও বারমাসী জাত। গাছ প্রতি ২০০-২৫০টি ফল ধরে।
- ফল মাঝারী আকৃতি ও দেখতে আকর্ষণীয় ও ফলের ওজন ৫.০ কেজি। ফলের শাঁস হালকা হলুদ বর্ণের, সুগন্ধযুক্ত, মধ্যম রসালো এবং খুব মিষ্টি (ব্রিক্সমান ২৩.৫%)।
- খাদ্যোপযোগী অংশ ৫২.৫%।
বারি কাঁঠাল - ৪ ঃ
- খাদ্যোপযোগী অংশ ৫৪.৩২%। সংগ্রহকালনি সময় জুলাই মাস । প্রতটিি ফলরে গড় ওজন ৫.৩৮ কজে। টিএসএস ২৪.৬%।
- খাদ্যোপযোগী অংশ ৫৪.৩২%।
- ফলন: হক্টেরপ্রতি ফলন ১৯.৬ টন।
বারি কাঁঠাল - ৫ ঃ
- সংগ্রহকালনি সময় জানুয়ারি - এপ্রিল মাস ।
- প্রতটিি ফলরে গড় ওজন ৪.০০কেজি। টিএসএস ২৭.৪%।
- খাদ্যোপযোগী অংশ ৫০.৪০%।
বারি কাঁঠাল - ৬ ঃ
- সংগ্রহকালনি সময় সেপ্টেম্বর - জুন মাস । প্রতটিি ফলরে গড় ওজন ৪.৪০ কেজি ।
- টিএসএস ২৪.৮%। পাল্প শক্ত ও উজ্জল হলুদ বর্নেও আঠাবিহীন।
- খাদ্যোপযোগী অংশ ৬৯.৮৪%।
জমি নির্বাচন ও তৈরি এবং রোপণ পদ্ধতি বিস্তারিত জেনে নিন
কাঁঠাল গাছ জলাবদ্ধতার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। স্বল্প সময়ের জলাবদ্ধতায় গাছ মারা যায়। এ জন্য বৃষ্টির পানি দাঁড়ায় না বা বন্যার পানি উঠে না এমন উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি কাঁঠাল চাষের জন্য নির্বাচন করা আবশ্যক। বাগান তৈরির জন্য ২-৩ টি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করে নেয়া ভাল। পাহাড়ী এলাকায় জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করে নিতে হবে। সমতল ভূমিতে আয়তাকার, বর্গাকার বা কুইনকান্স পদ্ধতি এবং পাহাড়ী অঞ্চলের জন্য কন্টুর পদ্ধতি আবলম্বন করা হয়।
রোপণের সময় ঃ
- চারা বা কলম রোপণের উপযুক্ত সময় হচ্ছে মধ্য-জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য শ্রাবণ অর্থ্যাৎ জুন-আগষ্ট মাস। ভাদ্র-আশ্বিন (সেপ্টেম্বর) মাস পর্যন্ত চারা রোপণ করা যেতে পারে।
- তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় চারা/কলম রোপণ না করাই ভাল।
কাঁঠাল চাষের জন্য গর্ত তৈরি ও চারা রোপন বিস্তারিত জেনে নিন
চারা রোপণের ১৫-২০ দিন আগে ১০ মি. দূরুত্বে ১মি দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতা সম্পন্ন গর্ত তৈরি করতে হবে। গর্তের উপরের মাটির সাথে ২০-২৫ কেজি জৈব সার, ৫০০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম এমওপি ও ২০০ গ্রাম জিপসাম সার ভালভাবে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করে তাতে পানি দিয়ে রেখে দিতে হবে।গর্ত ভরাটের অন্তত ১৫ দিন পর চারা লাগাতে হবে।
ডাল ছাঁটাইকরণ ঃ
- ছোট অবস্থায় চারা/কলম লাগানোর পর অপ্রয়োজনীয় ছোট ছোট শাখা প্রশাখা কেটে দিলে কান্ড তৈরিতে সহায়ক হয়।
- কাঁঠাল ফল সংগ্রহকালীন সময় বড় গাছের মরা ডাল, অভ্যন্তরের ছোট ছোট শাখা প্রশাখা এবং পূর্ববর্তী বছরের ফলের বোটার অবশিষ্ট অংশ প্রুনিং করে দিলে ফলন বৃদ্ধি পায়।
আগাছা দমন ঃ
- জমি সব সময় আগাছামুক্ত রাখা দরকার। চারা গাছের ক্ষেত্রে নিয়মিত নিড়ানী দিয়ে এবং ফলন্ত গাছের ক্ষেত্রে বর্ষার শুরুতে এবং বর্ষার শেষে কোদাল দ্বারা কুপিয়ে বা চাষ দিয়ে আগাছা দমনের ব্যবস্থা করতে হবে।
গাছে সার প্রয়োগ ঃ
গাছে সার প্রয়োগ সুপারিশ বিস্তারিত জেনে নিন
|
mv‡ii bvg
|
Mv‡Qi eqm
(eQi) |
|||||
|
1-4 |
5-7 |
8-10 |
11-15 |
16-20 |
20- Gi D‡×© |
|
|
‡Mvei
†KwR) |
26 |
35 |
45 |
55 |
70 |
85 |
|
BDwiqv (MÖvg) |
440 |
875 |
1315 |
1750 |
2625 |
3500 |
|
wUGmwc (MÖvg) |
240 |
440 |
875 |
875 |
1315 |
1750 |
|
GgIwc(MÖvg) |
175 |
350 |
440 |
700 |
875 |
1400 |
|
wRcmvg (MÖvg) |
175 |
350 |
435 |
610 |
700 |
875 |
|
wRsK mvj‡dU (MÖvg) |
20 |
20 |
30 |
30 |
35 |
45 |
|
ewiK GwmW (MÖvg) |
35 |
35 |
55 |
55 |
70 |
90 |
অনুমোদিত মাত্রার ইউরিয়া,পটাশ ও অন্যান্য সার দুই ভাগ করে প্রথম ভাগ বর্ষা মৌসুম আরম্ভ হওয়ার পূর্বে অর্থাৎ বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে এবং অবশিষ্ঠ্য ২য় ভাগ সার বর্ষার শেষে আশ্বিন-কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়।
পানি সেচ ও নিস্কাশন ঃ
- কাঁঠালের মুচি অবস্থায় গাছে পানি সেচ প্রয়োগ অপরিহার্য, এ সময় সেচ দিলে ফল ধারন বৃদ্ধি পায় এবং ফলন ও ফলের গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।
- এছাড়া শুকনো মৌসুমে ১৫ দিন অন্তর পানি সেচ দিলে কাঁঠাল গাছ জলাবদ্ধতার প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
- এজন্য বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা করা আবশ্যক।
কৃষক ভাইয়েরা, লাভজনক ভাবে কাঁঠাল উৎপাদনের জন্য রোগ এবং তার প্রতিকারের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। কাঁঠাল বাগানে যে সকল রোগের আক্রমন দেখা যায় তার নাম ও প্রতিকার নিয়ে বলছি।
রোগের নাম ও প্রতিকার করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন
১। কাঁঠালের ডাইব্যাক রোগ বিস্তারিত জেনে নিন
- এ রোগের আক্রমন প্রথমে কচি পাতা ও ডগা থেকে শুরু হয়। আক্রান্ত অংশ বাদামী হতে কালো রং ধারণ করে।
- এই কালো অংশ দ্রুত বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয় এবং কচি ডাল উপর থেকে নীচের দিকে শুকাতে থাকে।
- আক্রান্ত ডালের পাতা বাদামী হয়ে ঝরে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত ডালটি মরে যায় যা দূর থেকেই দেখা যায়।
- ছত্রাকের আক্রমনে এ রোগের সৃষ্টি হয়ে থাকে।
প্রতিকার ব্যবস্থা
(ক) পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কাঁঠাল বাগান রোগ দমনের পূর্বশর্ত। এ কারণে কাঁঠাল বাগান সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাছের নীচের পরিত্যক্ত মরা ডালপালা সংগ্রহ করে পুড়ে ফেলতে হবে।
(খ) আক্রান্ত ডগা কিছুটা সুস্থ অংশসহ কেটে ফেলতে হবে।
(গ) কাটা অংশে বোর্দোপেষ্ট (প্রতি লিটার পানিতে ১০০ গ্রাম তুঁতে ও ১০০ গ্রাম চুন) এর প্রলেপ দিতে হবে।
২। আঠাঝরা বা গামোসিসঃ
- এ রোগের প্রভাবে গাছের বাকলে ফাটল ধরে ও সে স্থান থেকে অবিরত রস ঝরে । কাঠ বেরিয়ে আসে, ক্ষতস্থানে গর্ত হতে থাকে ও পঁচন ধরে।
- চারা গাছ সংবেদনশীল বিধায় ধীরে ধীরে মারা যায়।
প্রতিকারঃ
- ক্ষতস্থান বাটাল বা ধারালো ছুরি দিয়ে চেঁছে (স্কুপিং) উক্তস্থানে বর্দোপেস্ট/আলকাতরা প্রয়োগ করতে হবে।
- প্রথমবার দেয়ার পর পরবর্তী ১৫ দিন অন্তর আরো দু’বার প্রয়োগ করতে হবে।
৩। কাঁঠালের ফল পঁচা রোগঃ
- কাঁঠালের ফল অনেক সময় রাইজোপাস ছত্রাক জীবানু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে ফল ছোট অবস্থায় কালো হয়ে পঁচে যায়।
- এমতাবস্থায় আক্রান্ত ফল সংগ্রহ করে মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে এবং প্রোপিকোণাজল গ্রুপের ছত্রাকনাশক (০.৫ মিলি/লিঃ) অথবা ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক (২ গ্রাম/লিঃ) প্রয়োগ করে ছত্রাক দমন করা সম্ভব।
কাঁঠাল খাওয়ার উপকারিতা বিস্তারিত জেনে নিন
কাঁঠাল খাওয়ার উপকারিতা নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: কাঁঠালে থাকা ভিটামিন C শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে।
- হজমে সহায়ক: এতে প্রচুর খাদ্যআঁশ (ফাইবার) রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
- হৃদ্যন্ত্র ভালো রাখে: পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়।
- শক্তি যোগায়: প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
- চোখের যত্নে উপকারী: ভিটামিন A চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়ক।
- রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সাহায্য করে: এতে থাকা আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
- হাড় মজবুত করে: ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের শক্তি বাড়ায়।
- ত্বক সুন্দর রাখে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যবান রাখে।
- পরিমিত পরিমাণে কাঁঠাল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
উপসংহার
আজ আমরা কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ সময়ে করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে ভালো কোনো টপিক নিয়ে হাজির হবো। আশা করছি উপরের কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ সময়ে করনীয় বিস্তারিত জেনে নিন বিষয়ে আলোচনা আপনার ভালো লেগেছে। যদি এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানান । আমাদের ফলো করে সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।


জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url