আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে কি বুঝ

ভূমিকা

আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক আপনি অনেক খোঁজাখুজির পর নিশ্চয়ই  ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কি তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন।
২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
হ্যাঁ আজকে আমি ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে কি বুঝ তা নিয়ে আলোচনা করব। এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে কি বুঝ বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হল প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি পালিত একটি আন্তর্জাতিক দিবস। এই দিনটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার উপর পাকিস্তান সরকারের গুলিবর্ষণের ঘটনার স্মরণে পালিত হয়। এ ঘটনায় সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার ও শফিউরসহ অসংখ্য বাঙালি শহীদ হন।

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের লক্ষ্য হল বিশ্বের সকল ভাষার মর্যাদা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতির প্রতি গণজাগরণ সৃষ্টি করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতিপাদ্য হল "ভাষার অধিকার, মানবাধিকার"। এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের ভাষার অধিকার রক্ষার দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির আয়োজন করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য অনেক। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে নিম্নলিখিত বিষয়গুলির প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়:

মাতৃভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব: মাতৃভাষা হল একটি জাতির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের বাহন। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে মাতৃভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।

মাতৃভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব

ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষা প্রচলিত। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করা হয়।

ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি
ভাষার অধিকার: ভাষা হল মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের ভাষার অধিকার রক্ষার দাবি জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভাষার অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার জন্য গণজাগরণ সৃষ্টি হয়। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয়।

বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য আরও বেশি। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার উপর পাকিস্তান সরকারের গুলিবর্ষণের ঘটনার স্মরণে এই দিবসটি পালিত হয়। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই ঘটনার পর থেকে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায় এবং অবশেষে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটি বিশ্বের সকল মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল ভাষার মর্যাদা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা সম্ভব।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে কি বুঝ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হল প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি পালিত একটি আন্তর্জাতিক দিবস। এই দিনটি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার উপর পাকিস্তান সরকারের গুলিবর্ষণের ঘটনার স্মরণে পালিত হয়। এ ঘটনায় সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার ও শফিউরসহ অসংখ্য বাঙালি শহীদ হন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই ঘোষণার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের লক্ষ্য হল বিশ্বের সকল ভাষার মর্যাদা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতির প্রতি গণজাগরণ সৃষ্টি করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতিপাদ্য হল "ভাষার অধিকার, মানবাধিকার"। এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের ভাষার অধিকার রক্ষার দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির আয়োজন করা হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য অনেক। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে নিম্নলিখিত বিষয়গুলির প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার তাৎপর্য ও গুরুত্ব: মাতৃভাষা হল একটি জাতির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরিচয়ের বাহন। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে মাতৃভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।

মাতৃভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব
ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষা প্রচলিত। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করা হয়।

ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতি
ভাষার অধিকার: ভাষা হল মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মানুষের ভাষার অধিকার রক্ষার দাবি জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভাষার অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার জন্য গণজাগরণ সৃষ্টি হয়। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয়।

বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য আরও বেশি। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার উপর পাকিস্তান সরকারের গুলিবর্ষণের ঘটনার স্মরণে এই দিবসটি পালিত হয়। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই ঘটনার পর থেকে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায় এবং অবশেষে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।

কেন পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয় মূলত দুটি কারণে:

বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ভাষা আন্দোলন ও ভাষা শহীদদের স্মরণে: ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) রাজধানী ঢাকায় বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, রফিক, বরকত ও জব্বারসহ অসংখ্য ভাষাপ্রেমী শহীদ হন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন আরও বেগবান হয়। 
অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন: বিশ্বে প্রায় ৭,০০০ ভাষা প্রচলিত রয়েছে। এই ভাষাগুলো বিভিন্ন সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয় এবং ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেমন, ভাষা শহীদদের স্মরণে সভা-সমাবেশ, আলোচনা সভা, প্রভাতফেরি, শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি। এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে ভাষার গুরুত্ব ও ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

একুশে ফেব্রুয়ারি কি দিবস

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) রাজধানী ঢাকায় বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে সালাম, রফিক, বরকত ও জব্বারসহ অসংখ্য ভাষাপ্রেমী শহীদ হন।

কত সাল থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়

বাংলাদেশে:
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের গুলিবর্ষণে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার ও শফিউরসহ কতিপয় ছাত্র শহীদ হন। এই ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও ভাষা আন্দোলন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

বিশ্বব্যাপী:
১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘ ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর থেকে প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

সুতরাং, বাংলাদেশে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন করা শুরু হয় ১৯৫২ সালে, আর বিশ্বব্যাপী পালন করা শুরু হয় ১৯৯৯ সালে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত সাল থেকে সারা বিশ্বে পালিত হয়

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়। সুতরাং, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশে, ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের গুলিবর্ষণে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার ও শফিউরসহ কতিপয় ছাত্র শহীদ হন। এই ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও ভাষা আন্দোলন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রশ্ন-উত্তর

১. প্রশ্ন:পূর্ব বাংলায় কিসের ভিত্তিতে ভাষা আন্দোলন হয়েছে?
উত্তরঃ বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ।
২. প্রশ্ন: সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় কবে?
উত্তরঃ ৩০ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে।
৩.প্রশ্ন: বাংলাভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেয় কখন?
উত্তরঃ ৭ মে ১৯৫৪ সালে ( ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানের ২১৪(১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয় ”The state language of Pakistan shall be Urdu and Bengali.”)
৪.প্রশ্ন: ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি কে উত্থাপন করেন? বা, ভাষা আন্দোলনের পথ প্রদর্শক খ্যাত ছিলেন কে?
উত্তরঃ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
৫.প্রশ্ন: ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা দেয় কবে?
উত্তরঃ ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ সালে।
৬. প্রশ্ন: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রুয়ারি’- গানের রচয়িতা/গীতিকার কে?
উত্তরঃ আবদুল গাফফার চৌধুরী।[ গানটির সুরকার আলতাফ মাহমুদ। তবে গানটিতে প্রথম সুর দেন আব্দুল লতিফ]
৭. প্রশ্ন: ‘এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার উর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি’ – এর রচয়িতা কে? উত্তরঃ মাহবুব আলম চৌধুরী।
৮. প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে? উত্তরঃ ২১ শে ফেব্রুয়ারি।
৯. প্রশ্ন: বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার দাবিতে প্রথম ধর্মঘট কবে হয়?
উত্তরঃ ১১ মার্চ ১৯৪৮ ।
১০.প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থাপতি কে?
উত্তরঃ হামিদুর রহমান।
১১.প্রশ্ন: কোন সংস্থা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষনা করে?
উত্তরঃ ইউনেস্কো (UNESCO)।
১২.প্রশ্ন: ভারতের কোন রাজ্যে বাংলাভাষাকে দ্বিতীয় সরকারি ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ ঝাড়খণ্ড।
১৩.প্রশ্ন: ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি বাংলা কত সাল ছিল?
উত্তরঃ ১৩৫৮ (বৃহস্পতিবার, ৮ ফাল্গুন)।
১৪.প্রশ্ন: ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
১৫. প্রশ্ন: বাংলাকে কোন দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করা হয়েছে?
উত্তরঃ সিয়েরা লিওন।
১৬. প্রশ্ন: কত সাল থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালিত হচ্ছে?
উত্তরঃ ২০০০ সাল থেকে।
১৭.প্রশ্ন: ’কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা
খোকা তুই কবে আসবি’ – পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।
১৮.প্রশ্ন: ১৯৪৮-৫২ -এর ভাষা আন্দোলনের সময়কালে প্রতি বছর ‘ভাষা দিবস’ হিসাবে কোন দিনটি পালন করা হত?
উত্তরঃ ১১ মার্চ।
১৯.প্রশ্ন: কোনটি ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল?
উত্তরঃ সাপ্তাহিক সৈনিক।
২০.প্রশ্ন: ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ -এই পুস্তিকার লেখক কয়জন?
উত্তরঃ ৩ জন ( অধ্যাপক আবুল কাসেম, অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেন ও আবুল মনসুর আহমদ)।
২১. প্রশ্ন: ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তরঃ নুরুল আমিন।
২২.প্রশ্ন: “উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়” – এটি কার উক্তি?
উত্তরঃ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্‌ ( ২১ শে মার্চ ১৯৪৮ সালে রেসকোর্স ময়দানে এক ভাষণে পাকিস্তানের স্থপতি ও গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ এই কথা বলেছেন।এছাড়াও ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন একই কথা বলেন ) ।
২৩. প্রশ্ন: বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বের ( ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবতির্ত হয় ) ।
২৪. প্রশ্ন: তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয় কবে?
উত্তরঃ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
২৫. প্রশ্ন: সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় কবে?
উত্তরঃ ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে।
২৬. প্রশ্ন: একুশের প্রথম গান ‘ভুলব না, ভুলব না একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’ – এর রচয়িতা কে?
উত্তরঃ ভাষাসৈনিক আ ন ম গাজীউল হক।
২৭. প্রশ্ন: ভাষা আন্দোলনে প্রথম শহীদ হন কে?
উত্তরঃ রফিকউদ্দিন আহমদ
২৮. প্রশ্ন: ভাষা শহীদ আবুল বরকত কে কবে একুশে পদক (মরণোত্তর) দেয়া হয়?
উত্তরঃ ২০০০ সালে
২৯.প্রশ্ন: শহীদ আবদুস সালাম পেশায় কি ছিলেন?
উত্তরঃ সরকারের ডিরেক্টর অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের পিয়ন
৩০. প্রশ্ন: ভাষা আন্দোলনের দ্বিতীয় শহীদ কে?
উত্তরঃ আবদুল জব্বার
৩১.প্রশ্ন: ভাষা শহীদ শফিউর রহমান পেশায় কি ছিলেন?
উত্তরঃ ঢাকা হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার কেরানি
৩২.প্রশ্ন: ভাষা শহীদ আবদুল আউয়াল কিভাবে শহীদ হন?
উত্তরঃ ২১ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ মিছিল হাইকোর্টের সামনে পৌছলে পুলিশ বাহিনীর ট্রাকের চাপায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৩৩.প্রশ্ন: বালক অহিউল্লাহ কত বছর বয়সে রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন্য শহীদ হন?
উত্তরঃ মাত্র ৮ বছর বয়সে
৩৪.প্রশ্ন: ভাষা আন্দোলনের ফলে কোন প্রতিষ্ঠানটি সৃষ্টি হয়?
উত্তরঃ বাংলা একাডেমি
৩৫. প্রশ্ন: দেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় কোথায়?
উত্তরঃ টোকিও, জাপান।
৩৬. প্রশ্ন: ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি কেন বাংলা ভাষার জন্য আন্দোলন হয়েছিল?
উত্তর: ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে কেবলমাত্র উর্দুকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।
৩৭. প্রশ্ন: ভাষা আন্দোলনে কতজন শহীদ হয়েছিলেন এবং তাদের নাম কী কী?
উত্তর: ভাষা আন্দোলনে নির্দিষ্ট সংখ্যক শহীদের সংখ্যা বিতর্কিত, তবে ধারণা করা হয় কয়েক ডজন থেকে শুরু করে কয়েকশ শহীদ হয়েছিলেন।
৩৮. প্রশ্ন: কীভাবে ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিল?
উত্তর: ভাষা আন্দোলন বাঙালিদের মধ্যে ঐক্য ও স্বাধীনচেতনা জাগ্রত করে।
৩৯. প্রশ্ন: ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো কীভাবে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
উত্তর: বাংলাদেশের প্রস্তাবনায় ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

উপসংহার

প্রিয় পাঠক আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে কি বুঝ বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কি বা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বলতে কি বুঝ তা আলোচনা করলাম। আগামীতে অন্য কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো। এরকম সুন্দর সুন্দর পোস্ট পেতে আমাদের ফলো করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url