বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন বিস্তারিত জেনে নিন

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক আপনি অনেক খোঁজাখুজির পর নিশ্চয়ই বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন বা বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট কি তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন।
বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন
হ্যাঁ আজকে আমি সঠিকভাবে বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন বা বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট কি তা নিয়ে আলোচনা করব। এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন।

ভিসা কি বিস্তারিত জেনে নিন

ভিসা হলো একটি অনুমতি যা একজন বিদেশী নাগরিককে অন্য দেশে প্রবেশ করতে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেখানে থাকার অনুমতি দেয়। ভিসা বিভিন্ন ধরণের হতে পারে, যার প্রতিটির নিজস্ব উদ্দেশ্য এবং প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

ভিসার ধরণ বিস্তারিত জেনে নিন

ভিসা হলো একটি সরকারি অনুমতিপত্র, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এক দেশ থেকে অন্য দেশে প্রবেশ, অবস্থান বা ভ্রমণ করতে পারেন। ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভিসার বিভিন্ন ধরণ রয়েছে। নিচে প্রচলিত ও গুরুত্বপূর্ণ ভিসার ধরণগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।
ট্যুরিস্ট ভিসা: 
  • ভ্রমণ, অবকাশ যাপন বা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করার জন্য এই ভিসা দেওয়া হয়। সাধারণত এটি স্বল্পমেয়াদি এবং এতে চাকরি বা ব্যবসা করার অনুমতি থাকে না।
স্টুডেন্ট ভিসা: 
  • বিদেশে পড়াশোনা করার জন্য শিক্ষার্থীদের স্টুডেন্ট ভিসা নিতে হয়। নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার প্রমাণ দেখিয়ে এই ভিসা ইস্যু করা হয় এবং এটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধ থাকে।
ওয়ার্ক ভিসা: 
  • বিদেশে চাকরি করার উদ্দেশ্যে এই ভিসা দেওয়া হয়। নিয়োগকর্তার স্পনসরশিপ বা চাকরির অফার লেটার সাধারণত বাধ্যতামূলক।
বিজনেস ভিসা: 
  • ব্যবসায়িক সভা, সম্মেলন বা বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য এই ভিসা ব্যবহৃত হয়। এতে স্থায়ী চাকরি করার সুযোগ থাকে না।
ট্রানজিট ভিসা: 
  • এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার পথে তৃতীয় কোনো দেশে স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করতে হলে ট্রানজিট ভিসা প্রয়োজন হয়।
মেডিকেল ভিসা: 
  • চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশে যাওয়ার জন্য এই ভিসা দেওয়া হয়। হাসপাতালের কাগজপত্র ও চিকিৎসার প্রমাণ এতে গুরুত্বপূর্ণ।
ডিপ্লোম্যাটিক ভিসা: 
  • কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও সরকারি প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষ ভিসা।
ভিসার কিছু সাধারণ ধরণ হল:
দর্শন ভিসা: 
  • পর্যটন, ব্যবসা, পরিবার বা বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য ভ্রমণের জন্য।
শিক্ষা ভিসা: 
  • বিদেশে অধ্যয়নের জন্য।
কাজের ভিসা: 
  • বিদেশে কাজ করার জন্য।
অভিবাসী ভিসা: 
  • স্থায়ীভাবে বিদেশে বসবাস করার জন্য।
ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া দেশ এবং ভিসার ধরণের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণত, আবেদনকারীদের একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে এবং একটি ভিসা ফি প্রদান করতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে, আবেদনকারীদের একটি সাক্ষাৎকারের জন্য উপস্থিত হতে হতে পারে।
ভিসা অনুমোদন হওয়ার পরে, ভিসাধারীরা তাদের পাসপোর্টে একটি স্ট্যাম্প বা লেবেল পাবেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভিসাধারীদের অবশ্যই তাদের গন্তব্য দেশ ত্যাগ করতে হবে।

মালয়েশিয়া ই ভিসা কি বিস্তারিত জেনে নিন

মালয়েশিয়া ই-ভিসা হলো একটি ইলেকট্রনিক ভিসা যা বাংলাদেশি নাগরিকদের মালয়েশিয়া ভ্রমণের জন্য অনুমোদন দেয়। এটি পর্যটন, ব্যবসা, পরিবার বা বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

ওয়ার্ক পারমিট ভিসা কি বিস্তারিত জেনে নিন

ওয়ার্ক পারমিট ভিসা হলো একটি ভিসা যা একজন বিদেশী নাগরিককে অন্য দেশে কাজ করার অনুমতি দেয়। ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বিভিন্ন ধরণ রয়েছে, এবং প্রতিটি ধরণের নিজস্ব নিয়ম এবং প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
  • ওয়ার্ক পারমিট ভিসা হলো এমন একটি সরকারি অনুমতিপত্র, যার মাধ্যমে একজন বিদেশি নাগরিক কোনো নির্দিষ্ট দেশে আইনগতভাবে চাকরি করতে পারেন। 
  • সাধারণ ট্যুরিস্ট বা ভিজিট ভিসায় কাজ করার অনুমতি থাকে না, তাই বিদেশে বৈধভাবে কাজ করতে চাইলে অবশ্যই ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিতে হয়। 
  • এই ভিসা মূলত শ্রমবাজারের নিয়ম-কানুন মেনে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য প্রদান করা হয়।
  • ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সাধারণত নিয়োগকর্তা বা কোম্পানির স্পনসরশিপের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়। অর্থাৎ, যে দেশে কাজ করা হবে সেই দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাকরির অফার লেটার থাকতে হয়। 
  • নিয়োগকর্তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে প্রমাণ করেন যে ওই পদের জন্য স্থানীয় কর্মী পাওয়া যায়নি বা বিদেশি কর্মী প্রয়োজন।
  • এই ভিসার মেয়াদ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত হয়, যেমন এক বছর বা দুই বছর। কাজের ধরন ও চুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে। 
  • অনেক দেশে ওয়ার্ক পারমিট ভিসাধারীদের পরিবারকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগও থাকে, যা ডিপেনডেন্ট ভিসার মাধ্যমে সম্ভব হয়।
  • ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার জন্য সাধারণত পাসপোর্ট, চাকরির অফার লেটার, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অভিজ্ঞতার প্রমাণ, মেডিকেল রিপোর্ট এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। কিছু দেশে ভাষা দক্ষতা বা স্কিল টেস্টও বাধ্যতামূলক।
সঠিক নিয়ম মেনে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা গ্রহণ করলে বিদেশে নিরাপদ, বৈধ ও সম্মানজনক কর্মজীবন গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

দুবাই ভিসা কি বন্ধ বিস্তারিত জেনে নিন

না, দুবাই ভিসা বন্ধ নয়। কিছু ধরণের ভিসা বন্ধ থাকলেও, অন্যান্য ধরণের ভিসা এখনও চালু আছে। নিচে “দুবাই ভিসা কি বন্ধ?” বিষয়টি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া পরিস্থিতি ও স্বীকার-নিকাশ নিয়ে ২৫০ শব্দে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হলো:
সম্প্রতি বিভিন্ন মিডিয়ায় দুবাইতে (সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, UAE) ভিসা বন্ধ বা স্থগিত হয়েছে এমন খবর ছড়িয়েছে। অনেক দাবি করা হয়েছে যে বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা ইস্যু করা বন্ধ বা কঠোর করা হয়েছে। এগুলোর পেছনে মূলত বিশ্লেষণ ও সরকারি স্টেটমেন্ট নাও থাকা সংক্রান্ত বিভ্রান্তি ছিল।
  • ২০২৫ সালের দুর্গম কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে কিছু দেশ (যেমন আফগানিস্তান, লিবিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া, লেবানন, বাংলাদেশ, ক্যামেরুন, সুদান, উগান্ডা) থেকে নতুন ট্যুরিস্ট ও কর্ম ভিসার আবেদন স্থগিত রাখা হয়েছে; মানে নতুন ভিসা আবেদন সাময়িকভাবে বন্ধ আছে। 
  • এই সিদ্ধান্তটি নিরাপত্তা, ডকুমেন্ট যাচাই এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনার কারণে নেওয়া হয়েছে বলে অনানুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ পায়। কিন্তু এই ঘোষণা সরকারি বা আনুষ্ঠানিক ভাবে কখনও UAE কর্তৃপক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়নি।
  • বাংলাদেশের দূতাবাসও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে “কোনো আনুষ্ঠানিক ভিসা নিষেধাজ্ঞা নেই” এবং সামাজিক মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়া অনেক খবর ভুল বা ভিত্তিহীন। 
  • তাই বাংলাদেশিদের জন্য সর্বত্র ভিসা দেওয়া নিয়মিতভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন কোনো সরকারিভাবে ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
কিন্তু বাস্তবে অনেকের ভিসা আবেদন কঠোর যাচাইয়ের কারণে দীর্ঘ সময় নিচ্ছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ভিসা ইস্যু কঠিন হয়েছে বলে অনানুষ্ঠানিক সমস্যা দেখা গেছে। বিশেষত শিক্ষার্থী, কর্মী বা পর্যটক ভিসার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ডকুমেন্ট যাচাই কঠিন হওয়ায় আবেদন প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে — যা অনানুষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা থেকে জানা গেছে।
বর্তমানে বন্ধ থাকা ভিসাগুলির মধ্যে রয়েছে:
শ্রমিক ভিসা: 
  • ২০১২ সালের আগস্ট থেকে নতুন শ্রমিক ভিসা ইস্যু করা বন্ধ রয়েছে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে শ্রমিক ভিসা পাওয়া সম্ভব।
জিটিভি (গ্রাউন্ড ট্রানজিট ভিসা): 
  • ২০২০ সালের মার্চ থেকে জিটিভি বন্ধ রয়েছে।
তবে, 
  • ট্যুরিস্ট ভিসা
  • ব্যবসায়িক ভিসা
  • ভিজিট ভিসা
  • নারী গৃহকর্মী ভিসা
  • আরটিএ (রোড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি) ভিসা
গভর্নমেন্ট অফ দুবাই, গভর্নমেন্ট অফ রাস আল খাইমা, এবং গভর্নমেন্ট অফ ফুজাইরাহ-এর ভিসা
এখনও চালু আছে।

স্পাউস ভিসা কি বিস্তারিত জেনে নিন

স্পাউস ভিসা হলো একটি ভিসা যা একজন বিদেশী নাগরিককে তার স্বামী/স্ত্রীর সাথে পুনরায় মিলিত হতে এবং তারা যে দেশে বসবাস করে সেখানে বসবাস করার অনুমতি দেয়।
  • স্পাউস ভিসা হলো এমন একটি ভিসা, যার মাধ্যমে কোনো দেশের নাগরিক বা বৈধভাবে বসবাসকারী ব্যক্তি তার স্বামী বা স্ত্রীকে ওই দেশে থাকার অনুমতি দিতে পারেন। 
  • সাধারণত যারা বিদেশে কাজ করেন, পড়াশোনা করেন বা স্থায়ীভাবে বসবাস করেন, তারা তাদের জীবনসঙ্গীকে সঙ্গে নেওয়ার জন্য স্পাউস ভিসার আবেদন করে থাকেন। এই ভিসার মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবারকে একত্রে বসবাসের সুযোগ প্রদান করা।
  • স্পাউস ভিসা পেতে হলে আবেদনকারীকে বৈধ বৈবাহিক সম্পর্কের প্রমাণ দেখাতে হয়। এর জন্য নিকাহনামা বা ম্যারেজ সার্টিফিকেট, উভয়ের পাসপোর্ট কপি, ছবি এবং কিছু ক্ষেত্রে একসাথে থাকার প্রমাণ দিতে হয়। 
  • অনেক দেশে ম্যারেজ সার্টিফিকেট অনুবাদ ও নোটারি করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া স্পনসর ব্যক্তির বৈধ ভিসা, চাকরির প্রমাণ, আয়ের তথ্য এবং থাকার ঠিকানার কাগজপত্রও জমা দিতে হয়।
  • স্পাউস ভিসার মেয়াদ সাধারণত স্পনসর ব্যক্তির ভিসার মেয়াদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। 
  • কিছু দেশে স্পাউস ভিসাধারী স্বামী বা স্ত্রী কাজ করার অনুমতি পান, আবার কিছু দেশে আলাদা ওয়ার্ক পারমিট নিতে হয়। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের নিয়ম ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি।
এই ভিসা প্রক্রিয়ায় মেডিকেল রিপোর্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং ভিসা ইন্টারভিউও লাগতে পারে। সঠিক কাগজপত্র ও নিয়ম মেনে আবেদন করলে স্পাউস ভিসা পাওয়া তুলনামূলক সহজ হয়।
সব মিলিয়ে, স্পাউস ভিসা পরিবারকে একসাথে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মানবিক ভিসা ব্যবস্থা।

বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন জেনে নিন

বিদেশ ভ্রমণ বা বিদেশে কাজ, পড়াশোনা কিংবা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যেতে হলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও প্রস্তুতি থাকা অত্যন্ত জরুরি। সঠিকভাবে এসব প্রস্তুতি নিলে বিদেশ যাত্রা সহজ ও নিরাপদ হয়। নিচে বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।
  • প্রথমত, পাসপোর্ট হলো বিদেশ যাওয়ার প্রধান দলিল। পাসপোর্টের মেয়াদ সাধারণত কমপক্ষে ছয় মাস বৈধ থাকতে হয়। পাসপোর্ট ছাড়া কোনোভাবেই বিদেশ ভ্রমণ সম্ভব নয়।
  • দ্বিতীয়ত, ভিসা প্রয়োজন। ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী ট্যুরিস্ট, ওয়ার্ক, স্টুডেন্ট, মেডিকেল বা স্পাউস ভিসা সংগ্রহ করতে হয়। সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা অনলাইন ভিসা সিস্টেমের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করা হয়।
  • তৃতীয়ত, বিমান টিকিট ও ভ্রমণ পরিকল্পনা থাকতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে রিটার্ন টিকিট বা বুকিং দেখাতে হয়। পাশাপাশি হোটেল বুকিং বা থাকার ঠিকানার প্রমাণও প্রয়োজন হতে পারে।
  • চতুর্থত, আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংক স্টেটমেন্ট, স্পনসর লেটার বা বৈদেশিক মুদ্রা দেখাতে হতে পারে, যাতে প্রমাণ হয় যে বিদেশে অবস্থানকালে খরচ বহনের সক্ষমতা আছে।
  • পঞ্চমত, মেডিকেল রিপোর্ট ও ভ্যাকসিন সনদ প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে কাজ বা পড়াশোনার ভিসার ক্ষেত্রে। কিছু দেশে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটও বাধ্যতামূলক।
এছাড়া চাকরির অফার লেটার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কাগজ, ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স এবং প্রয়োজনীয় ছবি সঙ্গে রাখতে হয়।
  • বিদেশে যাওয়ার পূর্বে কি কি প্রয়োজন হয় তা আলোচনা পূর্বেই আমরা আলোচনা করতে চাচ্ছি যে আপনি কেন বিদেশে যাবেন। প্রথমেই আপনার বিদেশে যাওয়ার কারণটি সঠিক কিনা তা যাচাই করুন। 
  • আপনার বিদেশে যাওয়ার কারণটি যাচাইয়ের পর আপনার প্রয়োজন হবে বিদেশে যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন। চলুন বিদেশে যাওয়ার জন্য আমাদের কি কি প্রয়োজন জেনে নেই। 
  • ভিসা পাসপোর্ট এর পাশাপাশি মেডিকেল টেস্ট ছাড়পত্র সহ বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়।

ছাড়পত্র সংগ্রহ করবেন কিভাবে জেনে নিন

ছাড়পত্র সংগ্রহ করবেন কিভাবে
ছাড়পত্র (Police Clearance Certificate) হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সনদ, যা বিদেশে যাওয়া, চাকরি, ভিসা বা পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে ছাড়পত্র সংগ্রহের প্রক্রিয়া বর্তমানে বেশ সহজ ও অনলাইনভিত্তিক।
প্রথমে বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অনলাইন আবেদন করতে হয়। আবেদন ফরমে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মসনদ অনুযায়ী ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা ও পাসপোর্টের তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি অনলাইনে বা ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়।
আবেদন সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট থানায় আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করা হয়। প্রয়োজনে থানার পক্ষ থেকে ফোন কল বা সরাসরি যোগাযোগ করা হতে পারে। যাচাই শেষে সবকিছু সঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাড়পত্র ইস্যু করা হয়।
ছাড়পত্র সাধারণত সরাসরি পুলিশ অফিস থেকে সংগ্রহ করা যায় অথবা কিছু ক্ষেত্রে ডাকযোগে পাঠানো হয়। সঠিক তথ্য প্রদান করলে সহজেই ছাড়পত্র সংগ্রহ করা সম্ভব।
  • আপনারা সকলে জানেন যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় কর্মসংস্থান অফিস রয়েছে এই অফিস থেকে আপনাকে বাহিরের কোন রাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য ছাড়পত্র নিতে হবে। 
  •  আপনার জেলার কর্মসংস্থান অফিস থেকে কার্ড পাওয়ার জন্য আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের দরকার হবে। 
  • এই কাগজপত্রগুলো সঠিকভাবে নিয়ে আপনাকে আবেদন করতে হবে। এগুলোসহ অফিসে যেতে হবে আবেদন করতে হবে এবং সেখানে আপনাকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে।

ছাড়পত্রের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ লাগবে জেনে নিন

ছাড়পত্র (Police Clearance Certificate) সংগ্রহ করতে কিছু নির্দিষ্ট কাগজপত্র জমা দিতে হয়। সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ কাগজপত্র থাকলে আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়। নিচে প্রয়োজনীয় কাগজগুলোর তালিকা দেওয়া হলো:
পাসপোর্টের কপি
  • পাসপোর্টের প্রথম পৃষ্ঠা ও ঠিকানা সংক্রান্ত পৃষ্ঠার ফটোকপি লাগবে। পাসপোর্টের মেয়াদ বৈধ থাকতে হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্ম সনদের কপি
  • আবেদনকারীর পরিচয় যাচাইয়ের জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
  • অনলাইন আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি
বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইট থেকে পূরণ করা আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি জমা দিতে হয়।
চালান বা ফি পরিশোধের রসিদ
  • নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার প্রমাণ হিসেবে ব্যাংক রসিদ বা অনলাইন পেমেন্ট স্লিপ প্রয়োজন।
পাসপোর্ট সাইজ ছবি
  • সাধারণত ২ কপি সাম্প্রতিক তোলা ছবি লাগে।
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ
প্রয়োজনে বিদ্যুৎ বিল, ইউটিলিটি বিল বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র চাওয়া হতে পারে।
সব কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দিলে সহজেই ছাড়পত্র পাওয়া যায়।
  • ছাড়পত্রে আপনার কি কি প্রয়োজন হবে চলুন জেনে নিন। মহিলাদের জন্য একজনার ভিসার জন্য আইনানুগ অভিভাবক থেকে ১৫০/০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের আপত্তি পত্র দিতে হবে।
  • আপনার যে ভিসা আছে সে ভিসা ফটোকপি করতে হবে। ভিসার পৃষ্ঠাসহ পাসপোর্ট এর প্রথম ছয় পৃষ্ঠার ফটোকপি জমা দিতে হবে। ভিসা সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় পূরণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
  • মূল ভিসা অ্যাডভাইস এন ও সি ও ফটোকপি দিতে হবে। প্রতিটি কাগজপত্রের মূল কপির পাশাপাশি এক বা একাধিক ফটোকপি সঙ্গে রাখবেন।
  • ব্যক্তিগত অঙ্গীকারনামা ১৫০/০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দিতে হবে। টেম্প কেনার পূর্বেই অবশ্যই স্ট্যাম্পের তারিখ এবং ভেন্ডার এর নাম দেখে নিবেন।
  • এবং চাকরিজীবীদের জন্য আলাদা নিয়ম এবং আলাদা সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যারা চাকরি করেন সরকারি অথবা রাষ্ট্রের কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন তাদেরকে বিদেশ যাওয়ার জন্য নিয়োগ কর্তা থেকে রিলিজ অর্ডার পত্র জমা দিতে হবে। সেই ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর সহ অফিস প্রত্যয়ন সকল কিছুই আপডেট করে নেবেন।

বিদেশ যাওয়ার আগে যেসব বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া উচিত

এখন আসুন আলোচনা করি বিদেশ যাওয়ার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে। অবশ্য প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রেই একটি পূর্ব প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে নিজেকে তৈরি করে ফেলুন।
এখন আমি আপনাদেরকে বলবো বিদেশ যাওয়ার পূবেই যেসকল বিষয়গুলি আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে  এবং বিস্তারিত জেনে নিতে হবে সেগুলো  হলঃ
  • আপনি যখন টাকার লেনদেন করবেন তার টাকা প্রদানের রশিদ ও চুক্তি পত্র পরীক্ষা করে নিতে হবে।
  • টিকিট দেখতে হবে।
  • মেডিকেল রিপোর্ট করাতে হবে।
  • আপনার পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
  • চাকরির চুক্তিপত্র দেখতে হবে।
  • আপনার নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে।
আপনি যে দেশে যাবেন বাংলাদেশের সে দেশের দূতাবাসে আপনার মোবাইল নাম্বার এবং ঠিকানা জমা দিতে হবে। সকল কাগজপত্র হাতে পাওয়ার পর নিজে অথবা একজন দক্ষ লোকের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষরে নিবেন।
  • ভিসা দেখে নিতে হবে
  • জনশক্তি বা কর্মসংস্থান ব্যুরোর ছাড়পত্র নিতে হবে
  • চুক্তিপত্রের বিষয়গুলো পরীক্ষা করে দেখবেন কিভাবে
এখন আমি আপনাদেরকে  যে সকল বিষয় নিয়ে আমি বিস্তারিত জেনে যাবেন। নিম্নে সে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করছি। 
  • মানুষ তোর গ্যারান্টি নেই। সুতরাং বিদেশে আপনার মৃত্যু হলে লাশ পাঠানোর ব্যবস্থা আছে কিনা নিশ্চিত হবেন।
  • বসবাসের জন্য বাসস্থানের ভাতা দিতে হবে।
  • আপনি যে খাবার খাবেন সে খাবারের খাবারের টাকা দিতে হবে।
  • অনেক সময় এবং থাকার জায়গা মাঝামাঝিতে যানবাহন ব্যবহার করতে হয় । সে ক্ষেত্রেযাতায়াতের ভাড়া দিতে হবে।
যেখানে আপনি কাজ করবেন সেখানে যদি অসুস্থতা হয়ে যান অথবা মৃত্যু হয় তাহলে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। আপনি যদি কোন কারনে দুর্ঘটনার স্বীকার হন উক্ত কারনে এই বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে।
  • কোন কারনে আপনার জন্য স্বাস্থ্য সেবার সুবিধা থাকতে হবে।
  • অসুস্থ হলে ছুটির ব্যবস্থা থাকতে হবে। অসুস্থকালীন বেতনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • চাকরির নাম জানতে হবে। কি সংশ্লিষ্ট কোন বিষয়ে কাজ করতে হবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হবে।
  • আপনি যেখানে কাজ করবেন কোম্পানির নাম জানতে হবে এবং ঠিকানা জানতে হবে।
  • কোন কোম্পানির সাথে চুক্তি হলে চাকরির মেয়াদ জানতে হবে।
  • আপনার কাজের জন্যমাসে কত টাকা দিবে সেটা অবশ্যই জানতে হবে।
  • ছুটি থাকতে হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা থাকতে হবে। আপনার পারিপার্শ্বিক অবস্থার সাথে মৌলিক অধিকারের সবকিছু আছে কিনা জানতে হবে।
  • নিয়মিত কাজের ব্যবস্থা এবং সাপ্তাহিক ছুটির ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোন কাজ শেষ হয়ে গেলে কি করবেন সে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।

বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট বিস্তারিত জেনে নিন

বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট: সবকিছু এক নজরে
বিদেশ যাওয়ার আগে কী কী নিয়ে যাবেন, তা নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন সময় ভাবতে থাকেন। এই লিস্টটি আপনাকে একটু সহায়তা করবে। তবে মনে রাখবেন, আপনার গন্তব্য, মৌসুম এবং ভ্রমণের ধরন অনুযায়ী এই লিস্টে কিছুটা পরিবর্তন আনতে পারেন।
দস্তাবেজ:বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট
  • পাসপোর্ট
  • ভিসা
  • ফ্লাইট টিকিট
  • হোটেল বুকিং
  • ভ্রমণ বীমা
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স (যদি প্রয়োজন হয়)
  • আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট
  • ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড
  • নগদ অর্থ (সীমিত পরিমাণে)
পোশাক:বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট
মৌসুম অনুযায়ী পোশাক:
  • গরমের পোশাক: টি-শার্ট, শর্টস, স্কার্ট, স্যান্ডেল
  • শীতের পোশাক: সোয়েটার, জ্যাকেট, কোট, গ্লাভস, স্কারফ, বুট
  • বৃষ্টির জন্য রেইন কোট, ছাতা
আনুষ্ঠানিক পোশাক: যদি প্রয়োজন হয়
  • স্বচ্ছন্দ পোশাক: বিমানে ভ্রমণের জন্য
  • সাঁতারের পোশাক: যদি সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে
  • অভ্যন্তরীণ পোশাক: যথেষ্ট পরিমাণে
  • জুতা: স্নিকার্স, স্যান্ডেল, বুট (মৌসুম অনুযায়ী)
পরিচ্ছদ:
  • টুথব্রাশ ও পেস্ট
  • শ্যাম্পু, কন্ডিশনার
  • সাবান
  • লোশন
  • মেকআপ (যদি প্রয়োজন হয়)
  • সানস্ক্রিন
  • ইনসেক্ট রিপেলেন্ট
  • কন্টাক্ট লেন্স সলিউশন (যদি প্রয়োজন হয়)
  • ছোট্ট টয়লেট্রি ব্যাগ
অন্যান্য:বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট
  • সানগ্লাস
  • ঘড়ি
  • হাতির দাঁত
  • মোবাইল চার্জার
  • অ্যাডাপ্টার
  • ছোট্ট টর্চ
  • ছাতা
  • ছবি তোলার ক্যামেরা
  • ল্যাপটপ (যদি প্রয়োজন হয়)
  • বই বা ম্যাগাজিন
  • ছোট্ট প্রথম চিকিৎসা বাক্স
  • ছোট্ট তোয়ালে
খাবার:বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট
  • ড্রাই ফ্রুটস
  • বিস্কুট
  • চকলেট
  • ছোট্ট প্যাকেটে জুস
দরকারি টিপস:বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট
  • হালকা ও ছোট্ট জিনিসপত্র নিয়ে যান: যাতে ব্যাগ বেশি ভারী না হয়।
  • একটি মাস্টার কপি রাখুন: আপনার সব দস্তাবেজের একটি মাস্টার কপি বা স্ক্যান করে রাখুন এবং আলাদা জায়গায় রাখুন।
  • স্থানীয় মুদ্রা বিনিময় করে নিন: গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর আগে স্থানীয় মুদ্রা বিনিময় করে নিন।
  • অতিরিক্ত জিনিসপত্র না নেওয়ার চেষ্টা করুন: গন্তব্যস্থলে অনেক কিছুই কিনতে পাওয়া যাবে।
  • আপনার গন্তব্য এবং মৌসুম অনুযায়ী এই লিস্টে যোগ বা বাদ দিতে পারেন।
  • আপনার ভ্রমণ যেন সুখকর হয়!
  • আপনি কি কোন নির্দিষ্ট দেশে যাচ্ছেন?
  • আপনার ভ্রমণের ধরন কেমন হবে?
  • আমি আপনার জন্য আরও বিস্তারিত তথ্য দিতে পারব।
দ্রষ্টব্য: এই লিস্টটি কেবল একটি নির্দেশিকা। আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী এই লিস্টে পরিবর্তন আনতে পারেন।

বিদেশ যাবেন কিভাবে বিস্তারিত জেনে নিন

অনেক সময় জীবনের কথা চিন্তা না করে অনেক ঝুঁকি নিয়েই বিদেশে পাড়ি জমাত চেষ্টা করি। অনেক সময় বিপদে পড়ে অনেকে মৃত্যুবরণ করে থাকে। তাই বিদেশে যাওয়ার পূর্বেই অবশ্যই লিগাল ওয়েতে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। কোনভাবেই অবৈধ উপায়ে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না।
  • এখন আমরা আলোচনা করি বিদেশে যাত্রা শুরু কিভাবে করবেন তো চলুন জানা যাক। আপনি যদি কোন কারিগরি পেশায় বিদেশে যেতে চান তাহলে সেই পেশা সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র আপডেট করে নেবেন। 
  • আপনার সকল কাগজপত্রের ফটোকপির পাশাপাশি একটি অনলাইন কপি রাখার চেষ্টা করবেন।
  • আপনি বিদেশে যাওয়ার আগে আপনাকে জানতে হবে যে দেশে আপনি যাচ্ছেন সে দেশে কোন আপনার পরিচিত প্রবাসী রয়েছে কিনা তাহলে তার কাছ থেকে আপনি সবকিছু বুঝে নেবেন কি কি দরকার হয়। 
  • কি কি নিয়ে যেতে হয় তার কথা অনুযায়ী আপনাকে সেটা নিয়ে যেতে হবে এবং আপনাকেবিদেশে যাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে যেতে হবে এবং তার কাছ থেকে জেনে নিবেন। 
বিমানে ওঠার জন্য কি কি আদব কায়দার প্রয়োজন হয় এবং বিমানে কিভাবে যাতায়াত করতে হয় তাহলে আপনার জন্য সুবিধা হবে । প্রয়োজনে আপনার কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে একটি ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করে নেবেন। বা যারা দক্ষ আছেন বা পূর্বে এরকম কাজ করেছেন তাদের সাথে আলোচনা করে নেবেন।

উপসংহার

প্রিয় পাঠক আজ বিদেশ যাওয়ার জন্য কি কি প্রয়োজন বা বিদেশ যাওয়ার শপিং লিস্ট কি তা নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে অন্য কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো। উপরের আলোচনা যদি আপনার কাজে লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান আর আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে এই কনটেন্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url