ZamzamITPostAd

ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক আজকাল অনেকেই  ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা বিষয় নিয়ে জানতে চান। আপনিও হয়তো অনেক খোঁজাখুঁজির পর নিশ্চয়ই  ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা কি তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন।
ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা
হ্যাঁ আজকে আমি সঠিকভাবে  ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা নিয়ে আলোচনা করব। চলুন এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে ফেলি।

ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা

 ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা এ বিষগুলো জানার আগে ব্লগিং কি, কিভাবে ব্লগিং শিখব এবং শুরু করব, ব্লগিং এর সুবিধা - অসুবিধা, ইউটিউবিং কি? কিভাবে ইউটিউবিং শিখব এবং শুরু করব, ইউটিউবিং এর সুবিধা - অসুবিধা এ বিষগুলো বিস্তারিত জানতে হবে।

ব্লগিং কি?

ব্লগিং হল একটি অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। ব্লগ শব্দটি ওয়েবব্লগের সংক্ষিপ্ত রূপ। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন।

কিভাবে ব্লগিং শিখব এবং শুরু করব

ব্লগিং শিখতে এবং শুরু করতে হলে আপনাকে নিম্নলিখিত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে:
১. আপনার নিশ নির্বাচন করুন
ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে প্রথমে একটি নিশ নির্বাচন করতে হবে। নিশ হল একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা ক্ষেত্র যা সম্পর্কে আপনি লিখতে চান। আপনার নিশ নির্বাচন করার সময়, নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করুন:
  • আপনি কোন বিষয়ে আগ্রহী?
  • আপনি কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ?
  • আপনার নিশের জন্য একটি বড় শ্রোতা আছে কিনা?
২. একটি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করুন
ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম হল সেই সরঞ্জাম যা আপনি আপনার ব্লগ তৈরি করতে এবং পরিচালনা করতে ব্যবহার করবেন। 
দুটি প্রধান ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম হল:
কন্ট্রোল্ড হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম: 
  • এই প্ল্যাটফর্মগুলি আপনাকে ডোমেইন, হোস্টিং এবং থিম সহ আপনার ব্লগের জন্য সমস্ত কিছু সরবরাহ করে। কন্ট্রোল্ড হোস্টিং প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে জনপ্রিয় বৈকল্পিকগুলির মধ্যে রয়েছে ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস, এবং জোর্ডন।
স্বতন্ত্র হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম: 
  • এই প্ল্যাটফর্মগুলি আপনাকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে এবং আপনার নিজের থিম এবং প্লগইনগুলি ইনস্টল করতে দেয়। স্বতন্ত্র হোস্টিং প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে জনপ্রিয় বৈকল্পিকগুলির মধ্যে রয়েছে গুগল অ্যাকাউন্ট, ওয়েবহোস্টিং প্রদানকারী এবং ওয়ার্ডপ্রেস.com।
আপনার জন্য কোন ব্লগিং প্ল্যাটফর্মটি সঠিক তা আপনার প্রয়োজনীয়তা এবং দক্ষতার উপর নির্ভর করে। যদি আপনি একজন নতুন ব্লগার হন তবে একটি কন্ট্রোল্ড হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম দিয়ে শুরু করা ভাল। এটি আপনাকে ব্লগিং শুরু করতে এবং আপনার দক্ষতা বিকাশ করতে সহায়তা করবে।
৩. আপনার ব্লগের জন্য নাম এবং লোগো নির্বাচন করুন
  • আপনার ব্লগের জন্য একটি আকর্ষণীয় এবং স্মরণীয় নাম নির্বাচন করুন। আপনার নামটি আপনার নিশ এবং আপনার ব্লগের সামগ্রীর সাথে সম্পর্কিত হওয়া উচিত। আপনি আপনার ব্লগের জন্য একটি লোগোও তৈরি করতে পারেন। একটি লোগো আপনার ব্লগের জন্য একটি অনন্য আইকন তৈরি করতে সাহায্য করবে।
৪. আপনার ব্লগের জন্য ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনুন
  • আপনার ব্লগের জন্য একটি ডোমেইন নাম কিনুন। একটি ডোমেইন নাম হল আপনার ব্লগের ঠিকানা। এটি সাধারণত একটি ".com" বা ".org" এর মতো বিন্দু-বিভক্ত উপসর্গ সহ একটি শব্দ বা শব্দের সংমিশ্রণ। আপনি আপনার ব্লগের জন্য হোস্টিংও কিনতে হবে। হোস্টিং হল আপনার ব্লগের সামগ্রী এবং ফাইলগুলি সংরক্ষণ করার জায়গা।
৫. আপনার ব্লগের জন্য থিম এবং প্লগইন ইনস্টল করুন
  • আপনার ব্লগের জন্য একটি থিম নির্বাচন করুন। একটি থিম আপনার ব্লগের চেহারা এবং অনুভূতি নির্ধারণ করে। আপনি আপনার ব্লগের জন্য প্লগইনও ইনস্টল করতে পারেন। প্লগইনগুলি আপনার ব্লগের কার্যকারিতা এবং বৈশিষ্ট্যগুলি উন্নত করতে পারে।
৬. আপনার ব্লগে নিয়মিত পোস্ট করুন
  • ব্লগিং সফল হওয়ার জন্য আপনাকে নিয়মিত পোস্ট করতে হবে। আপনার পোস্টগুলি আপনার নিশের সাথে সম্পর্কিত এবং তথ্যপূর্ণ হওয়া উচিত। আপনি আপনার পোস্টগুলিতে চিত্র, ভিডিও এবং অন্যান্য মিডিয়া উপাদান অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
৭. আপনার ব্লগকে প্রচার করুন
  • আপনার ব্লগকে প্রচার করতে আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেল মার্কেটিং এবং অন্যান্য কৌশলগুলি ব্যবহার করতে হবে। আপনি আপনার ব্লগের জন্য একটি বিনামূল্যের ব্লগিং প্রচারকও তৈরি করতে পারেন।

ব্লগিং এর সুবিধা - অসুবিধা

ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা তা জানা জানার পূর্বেই আমরা ব্লগিং এর সুবিধা এবং অসুবিধা গুলো নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরছি। ব্লগিং এর বিভিন্ন সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে। তবে অসুবিধার চেয়ে সুবিধা গুলো বেশি। চলুন নিচে ব্লগিং এর সুবিধা- অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করি।
ব্লগিং এর সুবিধা
স্বাধীনতা: 
  • ব্লগিং একটি স্ব-নিয়ন্ত্রিত কাজ। আপনি আপনার নিজের সময়সূচী এবং কাজের চ্যালেঞ্জগুলি বেছে নিতে পারেন।
আর্থিক সুবিধা: 
  • ব্লগিং থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আপনি বিজ্ঞাপন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, বা পণ্য বা পরিষেবা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
অনলাইন উপস্থিতি: 
  • ব্লগিং আপনাকে অনলাইনে একটি দৃশ্যমান উপস্থিতি তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। এটি আপনার ব্র্যান্ড বা ব্যবসাকে প্রচারের জন্য একটি দুর্দান্ত উপায়।
জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করা: 
  • ব্লগিং আপনাকে আপনার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে শেয়ার করার একটি দুর্দান্ত উপায়। এটি একটি সম্প্রদায় তৈরি করতে এবং অন্যদের সাথে সংযোগ করতেও সাহায্য করতে পারে।
ব্লগিং এর অসুবিধা: ব্লগিং করতে গেলে নিম্নোক্ত সমস্যার বা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।
সময় এবং প্রচেষ্টা: 
  • ব্লগিং একটি সময় এবং প্রচেষ্টাসাপেক্ষ কাজ। আপনাকে নিয়মিত পোস্ট করতে হবে, আপনার ব্লগকে প্রচার করতে হবে এবং আপনার পাঠকদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
প্রতিযোগিতা: 
  • ব্লগিং একটি প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্র। আপনি আপনার ব্লগকে দর্শকদের আকর্ষণ করতে এবং অন্যান্য ব্লগারদের থেকে আলাদা করতে হবে।
প্রযুক্তিগত জ্ঞান: 
  • ব্লগিংয়ের জন্য কিছু প্রযুক্তিগত জ্ঞান প্রয়োজন। আপনাকে আপনার ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এবং ওয়েবসাইট হোস্টিং সম্পর্কে জানতে হবে।
ব্লগিং শুরু করার আগে, সুবিধা এবং অসুবিধাগুলির ওজন করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একটি চ্যালেঞ্জিং কিন্তু ফলপ্রসূ কাজ করতে প্রস্তুত হন, তাহলে ব্লগিং আপনার জন্য একটি দুর্দান্ত বিকল্প হতে পারে।

ব্লগে আয় করার সেরা ৫ পদ্ধতি

ব্লগে আয় করার সেরা ৫ পদ্ধতি: ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা
 ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা এর পাশাপাশি আপনার ব্লগ থেকে আয় করার অনেকগুলি উপায় রয়েছে, তবে কিছু সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কার্যকর পদ্ধতিগুলির মধ্যে রয়েছে:
১. বিজ্ঞাপন: ব্লগে আয় করার সেরা ৫ পদ্ধতি
Google AdSense: 
  • এটি ব্লগারদের জন্য বিজ্ঞাপন প্রদানকারী একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। আপনি যখন আপনার ব্লগে AdSense বিজ্ঞাপনগুলি অনুমোদন করেন, তখন Google আপনার সাইটের বিষয়বস্তুর সাথে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপনগুলি প্রদর্শন করবে। আপনি যখন কেউ সেই বিজ্ঞাপনগুলিতে ক্লিক করে বা সেগুলি দেখে, তখন আপনি আয় করবেন।
সরাসরি বিজ্ঞাপনদাতা: 
  • আপনি আপনার ব্লগে সরাসরি বিজ্ঞাপন বিক্রি করতে পারেন। এটি করার জন্য, আপনাকে এমন কোম্পানি খুঁজে বের করতে হবে যারা আপনার লক্ষ্য দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে আগ্রহী। আপনি আপনার ব্লগের ট্র্যাফিক, অডিয়েন্সের ডেমোগ্রাফিক এবং বিজ্ঞাপনের আকারের উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপনগুলির জন্য মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন।
২. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং:ব্লগে আয় করার সেরা ৫ পদ্ধতি
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: 
  • এই পদ্ধতিতে, আপনি অন্যান্য কোম্পানির পণ্য বা পরিষেবা প্রচার করেন এবং যখন কেউ আপনার লিঙ্কের মাধ্যমে ক্রয় করে তখন আপনি কমিশন পান। আপনার ব্লগে প্রাসঙ্গিক অ্যাফিলিয়েট পণ্যগুলির পর্যালোচনা বা সুপারিশ লিখে আপনি এটি করতে পারেন।
নিজস্ব পণ্য তৈরি: 
  • আপনি আপনার নিজস্ব ডিজিটাল বা শারীরিক পণ্য তৈরি করে এবং আপনার ব্লগের মাধ্যমে সেগুলি বিক্রি করে আয় করতে পারেন। এটি ইবুক, অনলাইন কোর্স, প্রিন্টেবল, পোশাক বা অন্য যেকোনো কিছু হতে পারে যা আপনার দর্শকরা চাইবে।
৩. সদস্যপনা:ব্লগে আয় করার সেরা ৫ পদ্ধতি
সদস্যপ্ল্যান: 
  • আপনি ekskluziv বিষয়বস্তু, সম্প্রদায় বা পরিষেবা অ্যাক্সেসের জন্য আপনার ব্লগের জন্য একটি সদস্যপ্ল্যান অফার করতে পারেন। এটি দীর্ঘমেয়াদী আয়ের একটি দুর্দান্ত উপায় হতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনি উচ্চমানের সামগ্রী বা পরিষেবা প্রদান করেন।
৪. কোচিং ও পরামর্শদান:ব্লগে আয় করার সেরা ৫ পদ্ধতি
আপনার দক্ষতা বিক্রি করুন: 
  • আপনি যদি কোনও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হন তবে আপনি আপনার ব্লগ ব্যবহার করে আপনার কোচিং বা পরামর্শ পরিষেবা প্রচার করতে পারেন। এটি একক সেশন, প্যাকেজ বা গ্রুপ প্রোগ্রাম হতে পারে।
৫. অনুদান ও দান:ব্লগে আয় করার সেরা ৫ পদ্ধতি
অনুদান ও দান: 
  • আপনি আপনার ব্লগের জন্য অনুদান বা দান গ্রহণ করতে পারেন। এটি করার জন্য, আপনাকে আপনার ব্লগ এবং আপনি কী অর্জন করতে চান সে সম্পর্কে স্পষ্ট হতে হবে।

ব্লগ তৈরির নিয়ম

ব্লগিং করতে হলে ভালো মানের একটি ব্লক তৈরী করা প্রয়োজন। তাই এ নিচে ব্লক তৈরি করার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করছি। আপনার নিস সিলেকশন হয়ে যাওয়ার পর ডোমেইন এবং হোস্টিং কেনার পর আপনার পুরো সাইটকে অপটিমাইজ করে নেবেন। ব্লগিং করার পূর্বেই ব্লক তৈরির নিয়ম বা ব্লক থেকে কি ভাবে আয় করা যায় বা ব্লক থেকে কত টাকা আয় করা যায় সে বিষয়টি জানাও আছে। ব্লগ তৈরির নিয়ম সম্পর্কে জানতে নিচের ভিডিওটি দেখে আসতে পারেন।

ইউটিউবিং কি?

ইউটিউবিং হলো ভিডিও তৈরি, আপলোড এবং শেয়ার করার প্রক্রিয়া, যা YouTube: youtube.com নামক একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে করা হয়। ইউটিউবিং-এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরণের ভিডিও তৈরি করে লক্ষ লক্ষ মানুষের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

কিভাবে ইউটিউবিং শিখব এবং শুরু করব

ইউটিউবিং শিখতে এবং শুরু করতে আপনাকে সাহায্য করার জন্য অনেকগুলি রিসোর্স  রয়েছে।
এটি YouTube-এর একটি নিজস্ব রিসোর্স যা আপনাকে ভিডিও তৈরি, সম্পাদনা, আপলোড এবং প্রচার করতে শিখতে সাহায্য করবে।
অনলাইন কোর্স গ্রহণ করুন:
  •  বিভিন্ন ইউটিউবিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে বিভিন্ন ইউটিউবিং কোর্স রয়েছে। এই কোর্সগুলি আপনাকে ভিডিও তৈরির প্রক্রিয়া, SEO, মার্কেটিং, এবং আরও অনেক কিছু সম্পর্কে শিখতে সাহায্য করবে।
ইউটিউবিং টিউটোরিয়াল দেখুন:
  • YouTube-এ অসংখ্য ইউটিউবিং টিউটোরিয়াল রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ের উপর টিউটোরিয়াল অনুসন্ধান করুন এবং আপনার জন্য কী কাজ করে তা দেখুন।
অন্যান্য ইউটিউবারদের অনুসরণ করুন:
  • আপনার আগ্রহের ক্ষেত্রে সফল ইউটিউবারদের অনুসরণ করুন এবং তাদের ভিডিও থেকে শিখুন।
অনুশীলন শুরু করুন:
  • শিখতে শুরু করার সর্বোত্তম উপায় হলো অনুশীলন শুরু করা। একটি ক্যামেরা এবং মাইক্রোফোন (ঐচ্ছিক) দিয়ে শুরু করুন এবং ভিডিও তৈরি করুন।

ইউটিউবিং এর সুবিধা - অসুবিধা

এখানে আমরা ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা আলোচনা করে পূর্বেই ব্লগিং কি এর সুবিধা ও অসুবিধা কি কি ইউটিউবিং কি কি বিষয় নিয়ে পড়া যায় এর পাশাপাশি ইউটিউবিং এর সুবিধা অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করব। চলুন এর সুবিধা এবং অসুবিধা কি কি আছে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি।
ইউটিউবিং এর সুবিধা:
বিনোদন:
  • গান, নাচ, রসিকতা, গেমিং, ভ্রমণ, রান্না, ইত্যাদির মতো বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরি করে লোকদের বিনোদন দিতে পারেন।
  • আপনার প্রতিভা, দক্ষতা এবং জ্ঞান অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
শিক্ষা:
  • বিভিন্ন বিষয়ের উপর শিক্ষামূলক ভিডিও তৈরি করে লোকেদের শিক্ষিত করতে পারেন।
  • টিউটোরিয়াল, কোর্স, এবং অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে জ্ঞান ভাগ করে নিতে পারেন।
ব্যবসা:
  • আপনার পণ্য বা পরিষেবা প্রচার করতে ভিডিও ব্যবহার করতে পারেন।
  • ব্র্যান্ডিং এবং মার্কেটিংয়ের জন্য ইউটিউব একটি কার্যকর মাধ্যম।
অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য বিভিন্ন উপায় রয়েছে, যেমন বিজ্ঞাপন, স্পন্সরশিপ, এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।
সম্প্রদায় তৈরি:
  • একই রকম আগ্রহের মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারেন এবং একটি সম্প্রদায় তৈরি করতে পারেন।
  • আপনার ভিডিওর মাধ্যমে অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং তাদের সাথে আলোচনা করতে পারেন।
আত্ম-প্রকাশ: 
  • আপনার চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং ধারণাগুলি বিশ্বের সাথে শেয়ার করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম।
পেশাদার উন্নয়ন: 
  • আপনার দক্ষতা এবং জ্ঞান প্রদর্শন করার এবং নতুন সুযোগ তৈরি করার একটি উপায়।
আয়ের উৎস: 
  • বিভিন্ন উপায়ে টাকা আয় করার সম্ভাবনা।
ইউটিউবিং এর অসুবিধা: ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা
সময় এবং প্রচেষ্টা:
  • ভিডিও তৈরি, সম্পাদনা এবং আপলোড করতে সময় এবং প্রচেষ্টা লাগে।
  • নিয়মিত ভিডিও তৈরি করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা কঠিন হতে পারে।
প্রতিযোগিতা:
  • YouTube-এ অনেক প্রতিযোগিতা রয়েছে, এবং আপনার ভিডিওগুলি দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে কঠিন হতে পারে।
নেতিবাচক মন্তব্য:
  • অনলাইনে নেতিবাচক মন্তব্য এবং সমালোচনার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রযুক্তিগত দক্ষতা:
  • ভালো মানের ভিডিও তৈরির জন্য কিছু প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং জ্ঞানের প্রয়োজন।
আরও কিছু অসুবিধা:
সাইবার বুলিং: 
  • অনলাইনে হয়রানি বা হুমকির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা।
  • সকল তথ্য কফির সম্ভাবনা থাকে।
সময় নষ্ট: 
  • অতিরিক্ত সময় ব্যয় করার সম্ভাবনা যা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকি: 
  • আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে শেয়ার করার ঝুঁকি।

ইউটিউবে কি কি বিষয় নিয়ে কাজ করা যায়

ইউটিউবে কাজ করার জন্য অসংখ্য বিষয় রয়েছে! আপনার আগ্রহ, দক্ষতা এবং জ্ঞানের উপর নির্ভর করে আপনি যেকোনো বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারেন। কিছু জনপ্রিয় বিষয়ের মধ্যে রয়েছে:
  • বিনোদন: গান, নাচ, রসিকতা, গেমিং, ভ্রমণ, রান্না, DIY (নিজে করুন) প্রকল্প, ইত্যাদি।
  • শিক্ষা: বিভিন্ন বিষয়ের উপর টিউটোরিয়াল, কোর্স, এবং অনলাইন ক্লাস।
  • ব্যবসা এবং বিপণন: আপনার পণ্য বা পরিষেবা প্রচার, ব্র্যান্ডিং, এবং মার্কেটিং।
  • প্রযুক্তি: গ্যাজেট রিভিউ, সফ্টওয়্যার টিউটোরিয়াল, প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধান।
  • লাইফস্টাইল: ফ্যাশন, সৌন্দর্য, ভ্রমণ, খাদ্য, ফিটনেস, ইত্যাদি।
  • খেলাধুলা: খেলাধুলার হাইলাইট, টিউটোরিয়াল, এবং মন্তব্য।
  • সংগীত: গানের কভার, মূল গান, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, ইত্যাদি।
  • বিনোদন: ভ্লগিং, চ্যালেঞ্জ, প্রাঙ্ক, ইত্যাদি।
সংবাদ এবং বর্তমান ঘটনা: খবরের প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, এবং মতামত। এছাড়াও, আরও অনেক বিষয় রয়েছে যা আপনি অন্বেষণ করতে পারেন।
১. সিনেমাটোগ্রাফি
২. ফটোগ্রাফি
৩. টেকনোলজি রিলেটেড
৫. কার্টুন ভিডিও
৬. সচেতনতামূলক ভিডিও
৭. পলিটিকাল ভিউ
৮. এনিমেটেড
৯. মোটিভেশনাল ও শিক্ষামূলক ভিডিও
১০. সমাধানমূলক ভিডিও
১১. গান বা সংগীত ভিডিও
১২. ক্রাফট ওয়ার্ক ভিডিও
১৩. প্রতিবেদন মূলক ভিডিও
১৪. খাবারের উপর তৈরি করা ভিডিও
১৫. ট্যুরিজম বা দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের ভিডিও
১৬. বিনোদনমূলক ভিডিও
১৭. লাইভ ভিডিও
১৮. টেকনিক্যাল ভিডিও
১৯. ধর্মীয় ভিডিও
২০. বিভিন্ন প্রোগ্রামের ভিডিও
২১. লাইফ হ্যাকস এর ভিডিও
২২. রান্নাবান্না সম্পর্কিত ভিডিও
২৩. মুভি ও মুভি ট্রেলার
২৪. দেশ বিদেশের খবর
২৫. নাটক, টেলিফিল্ম ও শর্ট ভিডিও
২৬. অলৌকিক ভিডিও
২৭. রহস্য মূলক ভিডিও
২৮. স্টাডি রিলেটেড ভিডিও
২৯. রিভিউ ভিডিও
৩০. বিজ্ঞান সম্পর্কিত
প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি এগুলো ছাড়াও অনেক বিষয় নিয়ে এখন কাজ করে আয় করা যায়। এখন  ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা তা বিস্তারিত জানার জন্য নিচের ভিডিওটি দেখুন।

উপসংহার

প্রিয় পাঠক আজ  ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে অন্য কোনো ভালো টপিক নিয়ে হাজির হবো। আশা করছি উপরের  ব্লগিং নাকি ইউটিউবিং ইনকাম এর জন্য কোনটি সেরা আলোচনা আপনার ভালো লেগেছে। যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান আর আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে এই কনটেন্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের ফলো করে সাথেই থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url