বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি

 ভূমিকা

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক জমজম আইডির পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম। আপনি নিশ্চয়ই বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি বা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন তা জানার জন্যই এখানে এসেছেন।

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি  - ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন

হ্যাঁ এখন আমি বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি বা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন সে বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ফ্রিল্যান্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং হলো মুক্তপেশাজীবী হিসেবে কাজ করার একটি পদ্ধতি যেখানে আপনি নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেন। ইন্টারনেটের উত্থানের ফলে ফ্রিল্যান্সিং ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, কারণ এটি ব্যক্তিদের তাদের দক্ষতা এবং জ্ঞান ব্যবহার করে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে কাজ করার সুযোগ করে দেয়।

ফ্রিল্যান্সিং কেন

ফ্রিল্যান্সিং হল এমন একটি পেশা যেখানে একজন ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করে তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। ফ্রিল্যান্সাররা সাধারণত ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের কাজ খুঁজে পায় এবং সম্পন্ন করে।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের অনেক সুবিধা রয়েছে বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি  বা  ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন, এর মধ্যে রয়েছে:

 কাজের স্বাধীনতা:

ফ্রিল্যান্সাররা তাদের কাজের সময়, স্থান এবং পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তারা তাদের কাজের গতি এবং পরিমাণও নির্ধারণ করতে পারে। একজন ফ্রেন্ড স্যার ইচ্ছা করলে তার ইচ্ছামতময়ী কাজ সম্পন্ন করে ডেলিভারি করতে পারি এভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার স্বাধীনভাবে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন।

চাকরির ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা: 

যারা যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন তারা সকল বিষয়ে পারদর্শী হন। ফ্রিল্যান্সাররা একাধিক ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতে পারে, তাই তাদের চাকরির নিশ্চয়তা বেশি থাকে। কাজ করতে এক সময়ে দক্ষ হয়ে ওঠে এ কারণে তাদের চাকরির ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা বেশি থাকে।

উচ্চ আয়: 

একজন ফ্রিল্যান্সার একাধিক প্রজেক্ট সম্পন্ন করে মাসে অনেক টাকা আয় করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সাররা তাদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে উচ্চ আয় করতে পারে। এতে করে অন্যান্য চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে একজন ফ্রিল্যান্সারের আর্থিক আয় বাড়াতে পারেন।

বিশ্বব্যাপী সুযোগ: 

একজন ফ্রিল্যান্সার যেহেতু ঘরে বসে সারা বিশ্বের বাইরের সাথে যোগাযোগ করে কাজ গ্রহণ করেন এবং সে কাজ সঠিকভাবে করে ডেলিভারি করেন। ফ্রিল্যান্সাররা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে পারে। তাই একজন ফ্রেন্ডের বিশ্বব্যাপী কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়ে ওঠে।

ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন

আসলে ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন এবিটি আপনার জানা দরকার অনেকেই এই বিষয়েই প্রশ্ন করে থাকেন। পাঠক ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন চলুন বিস্তারিত জেনে নেই । আজকাল আমাদের দেশের চাকরির অভাব রয়েছে কিন্তু দক্ষ জনবল নেই । একজন ফ্রিল্যান্সার অনলাইনে নিজে ঘরে বসে সকল ধরনের কাজ করে আয় করতে পারেন।

 এ কারণে বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় না এবং অল্প সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন বাইরের সাথে যোগাযোগ করে কাজ সংগ্রহ করা যায়। কাজ করতে করতে দক্ষ হয়ে দেশের বোঝা না হয়ে বরং দেশের সম্পদে পরিণত হওয়া যায় এবং দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আনার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করা যায়। 

ফ্রিল্যান্সিং করে আর্থিক সফলতার সাথে সাথে সমাজে সুন্দর একটা জায়গা তৈরি করে নেয়া যায় সুতরাং আজই ফ্রিল্যান্সিং শিখুন এবং ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেন এ বিষয়টি জানুন।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কিছু অসুবিধা

ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে নিম্নে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং এর সবচেয়ে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি এবং ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন হবে এ বিষয়ে জানতে পুরো আর্টিকেলটি দেখতে থাকুন।

অর্থনৈতিক ঝুঁকি: 

ফ্রিল্যান্সিং একটি মুক্ত পেশা । এ পেশায় সঠিক সময়ে সঠিক প্রজেক্ট বা কাজ পাওয়া যায় না এ কারণে অনেক সময় বসে থাকতে হয়। ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয়ের বিষয়ে অনিশ্চিত হতে পারে। তারা সবসময়ই একই ধরনের কাজ থাকে না এ কারণেই একজন ফ্রিল্যান্সার আর্থিক ঝুঁকিতে থাকেন।

নিজেকে প্রচার করা: 

নিজেকে প্রচার করতে গিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা অনেক সময় ভুলভাল তথ্য দিয়ে নিজের কে বিপদে মুখে ফেলে দেয়। এ কারণে অনলাইনে সঠিক তথ্য দিয়ে নিজেকে নিরাপদ রাখা প্রয়োজন। ফ্রিল্যান্সারদের তাদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা প্রচার করতে হবে।

অনলাইন নিরাপত্তা: 

যেহেতু অনলাইনের বিষয়গুলো নিয়ে একজন ফ্রান্সের কাজ করে থাকেন সেহেতু অনলাইনের সকল তথ্য জেনে বুঝে দেওয়া উচিত। তাছাড়া একজন ফ্রিল্যান্সার অনেক সময় ভুল করেই নিজের অ্যাকাউন্ট সহ বিভিন্ন তথ্য দিয়ে থাকেন এবং অনলাইন নিরাপত্তা হীনতায় ভুগে থাকেন। ফ্রিল্যান্সারদের তাদের কাজ এবং ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে সুরক্ষিত রাখতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা কাজের ধরন অনুসারে পরিবর্তিত হয়। আমার পরামর্শ হলো যে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য যে প্রয়োজনে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা প্রয়োজন ততটুকু দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা নিয়ে মার্কেটপ্লেস এ কাজ করা উচিত। 

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি - ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন তবে, সাধারণত ফ্রিল্যান্সারদের নিম্নলিখিত দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে:

কম্পিউটার দক্ষতা: 

বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শুরুর জন্য যে দক্ষতা গুলো প্রয়োজন তা বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টারগুলো শিখিয়ে থাকেন। তবে এখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেটা হচ্ছে কম্পিউটার দক্ষতা অনেকেই কম্পিউটার দক্ষতা অর্জন না করে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে দেন। 

এতে করে বিপদে পড়ে যান। ফ্রিল্যান্সারদের কম্পিউটারের মৌলিক দক্ষতা, যেমন ওয়ার্ডপ্রসেসিং, স্প্রেডশিট এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন টুলস এর ব্যবহার সম্পর্কে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

যোগাযোগ দক্ষতা: 

যেহেতু অনলাইনে কাজ করে থাকেন সেহেতু তাকে অবশ্যই যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যেমন: হোয়াটসঅ্যাপ, ম্যাসেঞ্জার, স্ইকাপ এবং ইমেইল সহ সকল ধরনের অনলাইন যোগাযোগ ব্যবস্থা আপডেট করে সেই ব্যবস্থার সাথে যুক্ত থাকতে হবে। ফ্রিল্যান্সারদের তাদের ক্লায়েন্টদের সাথে কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে সক্ষম হতে হবে।

সময় ব্যবস্থাপনা দক্ষতা: 

কথাই বলে সময় এবং নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। তাই সময়কে সকলের গুরুত্ব দেয়া উচিত। একজন ফ্রিল্যান্সার যদি সঠিক সময়ে সঠিক প্রোজেক্ট সম্পূর্ণ না করে ডেলিভারি করেন তাহলে বায়ার তার ডেলিভারি একসেপ্ট করেন না। সুতরাং একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে দক্ষ হতে হবে। ফ্রিল্যান্সারদের তাদের সময়কে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং একটি আকর্ষণীয় এবং লাভজনক পেশা হতে পারে। তবে, এটি শুরু করার আগে, ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। আমার পরামর্শ হল বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং জগতে কাজ করতে হলে অবশ্যই যে কোন একটি বিষয়ে ভালোভাবে দক্ষ হয়ে কাজ শুরু করুন।

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা কি কি

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা কাজের স্বাধীনতা: 

  • নিজের পছন্দের কাজ, প্রকল্প এবং ক্লায়েন্ট নির্বাচন করার সুযোগ।
  • নিজের কাজের সময়সূচী নির্ধারণ করার স্বাধীনতা।
  • নিজের কর্মক্ষেত্র তৈরি করার স্বাধীনতা (যেমন: বাড়ি, অফিস, ক্যাফে)।
  • নিজের পোশাক এবং কর্মপরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করার স্বাধীনতা।

আয়ের সুবিধা: ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা কি কি

  • নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে আয় নির্ধারণ করার সুযোগ।
  • একাধিক ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করে আয় বৃদ্ধি করার সুযোগ।
  • অতিরিক্ত আয়ের উৎস তৈরি করার সুযোগ।
  • বিশ্বব্যাপী ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ।

ক্যারিয়ারের সুবিধা: ফ্রিল্যান্সিং কি

  • বিভিন্ন দক্ষতা এবং জ্ঞান অর্জনের সুযোগ।
  • বিভিন্ন শিল্প এবং ব্যবসায় অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ।
  • নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা প্রদর্শনের জন্য পোর্টফোলিও তৈরি করার সুযোগ।
  • নিয়োগকর্তাদের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ।

অন্যান্য সুবিধা: ফ্রিল্যান্সিং কি

  • ভ্রমণ এবং বিভিন্ন সংস্কৃতি অনুভব করার সুযোগ।
  • কর্মজীবনের সাথে ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার সুযোগ।
  • নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া এবং নেটওয়ার্ক তৈরি করার সুযোগ।
  • নিজের সময় ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা এবং দায়িত্ববোধের দক্ষতা বৃদ্ধি করার সুযোগ।

উল্লেখ্য যে, ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু অসুবিধাও রয়েছে। যেমন:

  • আয়ের অনিশ্চয়তা।
  • নিজের কাজের জন্য বাজারজাতকরণ এবং প্রচার করার প্রয়োজন।
  • ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করার প্রয়োজন।
  • সময় ব্যবস্থাপনা এবং শৃঙ্খলার অভাবের ফলে কাজের ক্ষতি।
  • আইনি এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকি।

তবে, সঠিক প্রস্তুতি, দক্ষতা এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং একটি সফল এবং পূর্ণাঙ্গ ক্যারিয়ার হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সার সংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান কত

২০২৩ সালের হিসাবে, ফ্রিল্যান্সার সংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের ১৩তম। বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ফ্রিল্যান্সার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সেদিন সিমে কাজ করার শুরুতেই আপনাকে সেই বিষয়ে সঠিক ডাটা কালেক্ট করে সেই কাজ করতে হবে।

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে । মার্কেটপ্লেস ফ্রিল্যান্সাররা যে ধরনের কাজগুলো করে থাকে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো। চলুন জেনে নেই।

  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • কন্টেন্ট রাইটিং
  • অনুবাদ
  • মার্কেটিং
  • অ্যাকাউন্টিং
  • সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
  • ডাটা এন্ট্রি

যে মার্কেটপ্লেসে এবং মার্কেটপ্লেসের বাহিরে কাজ করে দক্ষ হয়ে ওঠেন তাদের বড় মাপের ফ্রিল্যান্সার বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কাজ পায় এবং ভালো আয় করে।

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বেকারত্ব কমাতে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয়ও বাড়ায়। আসুন কাজ শিখি কাজ করি আর বাড়াই।

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি সেই বিষয়ে জানার পূর্বেই আমরা জেনে নেই বিশ্বের শীর্ষ যে দেশগুলোর তালিকা রয়েছে। নিচে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের একটি তালিকা দেওয়া হল:

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • ভারত
  • যুক্তরাজ্য
  • রাশিয়া
  • ইউক্রেন
  • ব্রাজিল
  • অস্ট্রেলিয়া
  • ফিলিপাইন
  • চীন
  • বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সরকার ফ্রিল্যান্সারের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতের উন্নতির জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান।
  • ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলিকে উৎসাহিত করা।
  • ফ্রিল্যান্সিং খাতের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা।
  • ফ্রিল্যান্সারের আর্থিক উন্নয়নের জন্য ঋণ প্রদান
  • ফ্রিল্যান্সারের আইডি কার্ড প্রদান।

এই পদক্ষেপগুলির ফলে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং খাত আরও উন্নত হবে এবং এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এইভাবে ফ্রিল্যান্সিং আগাতে থাকলে অবশ্যই একদিন বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াবে।

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা

আসুন জেনে রাখি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা কত। বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষের বেশি। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ হোসেন পলক এর তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা সাড়ে ছয় লক্ষের বেশি এবং বাংলাদেশে প্রতি বছর বার্ষিক ১০ হাজার ৬০০ কোটি টাকার মতো আয় করছে ফ্রিল্যান্সার সেক্টর থেকে।

ফ্রিল্যান্সিং একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প এবং বাংলাদেশে এটি একটি জনপ্রিয় কর্মসংস্থান বিকল্প হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকেন, যার মধ্যে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন, ডেটা এন্ট্রি, টেক্সট রাইটিং, এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।

ট্রেন ছাড়া ঘরে বসে অনলাইনে বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আয় করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের জন্য কাজ করে থাকেন। তারা তাদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেশে এবং বিদেশে অর্থ উপার্জন করছে।

ফ্রিল্যান্সিং একটি ভালো ক্যারিয়ার হতে পারে যদি আপনি প্রযুক্তিতে দক্ষ এবং কাজ করার জন্য একটি স্ব-প্রণোদিত ব্যক্তি হন। ফ্রিল্যান্সিং আপনাকে আপনার নিজস্ব সময়সূচি এবং কাজের পরিবেশ নির্ধারণ করার স্বাধীনতা দেয়। এটি আপনাকে বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের সাথে কাজ করার সুযোগও দেয়।

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য অনেকগুলি সুযোগ রয়েছে। সরকার এবং বেসরকারি খাত উভয়ই ফ্রিল্যান্সিংকে উৎসাহিত করছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য সহায়তা প্রদানের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগও রয়েছে।

বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ

উপরে আলোচনা করা হয়েছে যে সকল বিষয় নিয়ে ফ্রিল্যান্সার রা কাজ করে থাকেন। আমার মতে বিশ্বে কোনদিনই ফ্রিল্যান্সারের কাজ কমে যাবে না। কারণ হলো ইন্টারনেট যতদিন টিকে থাকবে বিশ্ব যতদিন টিকে থাকবে ততদিন ইন্টারনেট থাকবে আর ইন্টারনেট যতদিন থাকবে ততদিন ফ্রিল্যান্সারের কাজ শেষ হবে না। বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলে মনে হচ্ছে।  

নিম্নলিখিত কারণগুলির জন্য ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলে মনে হচ্ছে :

প্রযুক্তির উন্নয়ন: মোবাইলসহ প্রযুক্তির উন্নয়ন ফ্রিল্যান্সিংকে আরও সহজ এবং সুবিধাজনক করে তুলছে। নতুন সফ্টওয়্যার এবং প্ল্যাটফর্ম ফ্রিল্যান্সারদের কাজ খুঁজে পেতে, যোগাযোগ করতে এবং গ্রাহকদের সাথে কাজ করতে সহায়তা করছে। আমরা সকল প্রযুক্তিকে কাজে গিয়ে সামনে এগিয়ে যাব।

শিক্ষার উন্নয়ন: বাংলাদেশে শিক্ষার মান উন্নত হচ্ছে। এর ফলে আরও বেশি মানুষ প্রযুক্তি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে উঠছে, যা ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য চাহিদা বাড়াবে। শিক্ষার উন্নয়নের ফলে প্রতিবছর হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরি হচ্ছে এবং হাজার হাজার নতুন নতুন কাজ তৈরি হচ্ছে।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: যেহেতু ফ্রিল্যান্সাররা অনলাইনে কাজ করে বহির্বিশ্ব থেকে আর্নিং করে দেশের আর্থিক খাতে অবদান রাখছে সেহেতু বর্তমান সরকার সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে নতুন ব্যবসা এবং উদ্যোগের সৃষ্টি হচ্ছে, যা ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য সুযোগ তৈরি করবে।

বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের আইটি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তবে দক্ষ জনবল তৈরি করছেন। বাংলাদেশ সরকার এবং বেসরকারি খাত উভয়ই ফ্রিল্যান্সিংকে উৎসাহিত করছে। সরকার ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য সহায়তা প্রদানের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 

বেসরকারি খাত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদান করে ফ্রিল্যান্সিংকে সহজতর করছে। সুতরাং একজন দক্ষ জনবল পাড়ে জাতিকে ভালো কিছু উপহার দিতে। এ কারণেই বলা যায় ভবিষ্যৎ খুব উজ্জ্বল।

এই সমস্ত কারণগুলির কারণে, বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলে মনে হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিং একটি লাভজনক এবং ক্রমবর্ধমান শিল্প হয়ে উঠবে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। উপরের আলোচনা থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন যে বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং কেমন পরিবেশ তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতে এর অবস্থান কেমন হবে।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন

ক্যারিয়ার কেমন হবে সেই বিষয়টি জানার আগে আপনাকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং কি? একটি বিষয় উদাহরণ দিলে আমরা ভালোভাবে বিষয়টি বোঝাবো আমরা যখন শিক্ষা জীবন শুরু করি তখন প্রাণের প্রাইমারিতেই পাঁচ বছর এই ভাবে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক গণ্ডি পেরিয়ে একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পৌঁছে যায়। 

এভাবে মোটামুটি ২০ থেকে ২৫ বছর সময় শিক্ষার বিষয়ে সময় দিয়ে থাকে এবং শিক্ষা শেষে সার্টিফিকেট নিয়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি নিয়ে থাকি। আর বর্তমান সময়ে আমরা তিন থেকে ছয় মাস ট্রেনিং নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করি। 

অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন যে, ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করা হালাল নাকি হারাম? তারা এখানে চাপ দিয়ে ভিডিওটি দেখে আসতে পারেন।

এই বিষয়টি যদি একবার ভাবেন যে ২০ থেকে ২৫ বছর শিক্ষার পিছনে সময় দেওয়ার পর যদি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করেন তাহলে আপনি মাসে যদি এক লক্ষ থেকে দুই লক্ষ টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার দক্ষতা কেমন হবে। 

কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা আছে উপরেই সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রতিটি কাজের ভালো এবং মন্দ কিছু দিক আছে তেমনি এই ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এর ও তো ভালো এবং মন্দ দিক আছে। সুতরাং ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন হবে এ বিষয়টি নিয়ে চলুন আলোচনা করি।

আপনি যদি একা একা কাজ করতে ভালোবাসেন, নিরিবিলি পরিবেশে কাজ করতে ভালোবাসেন, অনলাইনে কাজ করতে ভালোবাসেন, মাসে যদি হিউজ পরিমাণে আর্নিং করতে চান, কাজের মধ্যে স্বাধীনতা খুঁজে পেতে চান, তাহলে অবশ্য অবশ্যই শুরু করে দিন ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার।

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পূর্বে কি কি করা উচিত

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:

আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা চিহ্নিত করুন। আপনি কোন ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্স করতে চান তা নির্ধারণ করুন। আপনার টার্গেট মার্কেট চিহ্নিত করুন। আপনি কোন ধরনের গ্রাহকদের লক্ষ্য করছেন তা নির্ধারণ করুন।

আপনি আপনার দক্ষতা পাঠান। আপনার কাজের কোয়ালিটি বাড়ান। আপনার মূল্য নির্ধারণ করুন। আপনার কাজের জন্য আপনি কত চার্জ করবেন তা নির্ধারণ করুন।

পূর্বের কাজের স্যাম্পল দিয়ে আপনার প্রোফাইল তৈরি করুন। আপনার প্রোফাইলে আপনি যে কাজগুলোতে দক্ষ সে বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করুন। আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা প্রদর্শন করে একটি প্রোফাইল তৈরি করুন।

মার্কেটপ্লেস এবং মার্কেটপ্লেস এর বাহিরে কাজ খুঁজুন। ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এবং অন্যান্য উৎসগুলিতে কাজ খুঁজুন। গ্রাহকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। আপনার গ্রাহকদের সাথে ভাল সম্পর্ক বজায় রাখুন। প্রয়োজনে বিভিন্ন এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করে কাজ সংগ্রহ করুন।

যদি কঠোর পরিশ্রম করে আপনি একটি এজেন্সির সন্ধান পান এবং এজেন্সির সাথে কাজ করেন তাহলে আপনার কাজ শেষ হবে না। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার একটি সফল ক্যারিয়ার হতে পারে। তবে, এটি একটি কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন। দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে, আপনি একটি সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন।

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টরগুলি হল:  - ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট: বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প এবং ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যান্য ওয়েব-ভিত্তিক পণ্য এবং পরিষেবাগুলি তৈরি এবং ডেভেলপ করার জন্য ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভেলপারদের প্রয়োজন হয়।

গ্রাফিক ডিজাইন: আপনি যদি গ্রাফিক ডিজাইন একটি আরেকটি ক্রমবর্ধমান শিল্প এবং ফ্রিল্যান্সারে গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য প্রচুর চাহিদা রয়েছে। লোগো, ওয়েবসাইট ডিজাইন, ব্যানার, বিপণন উপকরণ এবং অন্যান্য গ্রাফিক উপাদান তৈরি করার জন্য ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনারদের প্রয়োজন হয়।

ডেটা এন্ট্রি: নতুনদের জন্য উপযোগী ডেটা এন্ট্রি কাজগুলো। ডেটা এন্ট্রি একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প এবং ফ্রিল্যান্স ডেটা এন্ট্রি কর্মীদের জন্য প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিপণন ডেটা, গ্রাহক ডেটা, আর্থিক ডেটা এবং অন্যান্য ধরণের ডেটা এন্ট্রি করার জন্য ফ্রিল্যান্স ডেটা এন্ট্রি কর্মীদের প্রয়োজন হয়।

টেক্সট রাইটিং: আপনি যদি লেখালেখি দক্ষ হন তাহলে টেক্সট আর রাইটিং আপনার জন্য উপযোগী। টেক্সট রাইটিং একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প এবং ফ্রিল্যান্স লেখকদের জন্য প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ওয়েবসাইট কন্টেন্ট, ব্লগ পোস্ট, ইমেল, বিপণন উপকরণ এবং অন্যান্য ধরণের পাঠ্য সামগ্রী তৈরি করার জন্য ফ্রিল্যান্স লেখকদের প্রয়োজন হয়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং: এস এম এল অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়াম মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর এক পাঠ। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প এবং ফ্রিল্যান্স সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটারদের জন্য প্রচুর চাহিদা রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে ব্র্যান্ডের উপস্থিতি তৈরি এবং পরিচালনা করার জন্য ফ্রিল্যান্স সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটারদের প্রয়োজন হয়।

বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ট্রেনিং সেক্টরের বা আউটসোর্সিং এর জন্য সবথেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনগুলো চলুন জেনে নেই। এই সেক্টরগুলি ছাড়াও, ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অন্যান্য ডিমান্ডেবল সেক্টরগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • আইটি এবং প্রকৌশল
  • বিপণন এবং যোগাযোগ
  • শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ
  • গ্রাহক সার্ভিস
  • অর্থনৈতিক সেবা
  • বিভিন্ন পস সফটওয়্যার

কাজ শিখি দক্ষ হই কাজ করি। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে চান, তাহলে এই ডিমান্ডেবল সেক্টরগুলির মধ্যে একটিতে দক্ষতা অর্জন করার উপর ফোকাস করুন।

উপসংহার

আশা করছি বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি বা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কেমন তা জেনে গেছেন। সুতরাং আপনি ও কাজ শিখতে থাকুন এবং কাজ করতে থাকুন তাহলে একদিন দক্ষ হয়ে উঠবেন। সুতরাং হতাশ না হয়ে কাজ করতে থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url