রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া - কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব

ভূমিকা

সুপ্রিয় পাঠক আজকাল অনেকেই অনলাইনে রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া - কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব নিয়ে জানতে চান। আপনিও হয়তো অনেক খোঁজাখুঁজির পর নিশ্চয়ই .রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া - কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব কি তা জানার জন্যই আমাদের এই জমজম আইটি সাইটটিতে এসেছেন।
রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া - কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব
হ্যাঁ আজকে আমি সঠিকভাবে রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া - কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব তা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব। চলুন এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে নিচের লেখা গুলো পুরোপুরি পড়ে নিন।

কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব জেনে নিন

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এই ধর্মে মানুষের আত্মিক ও দৈহিক শুদ্ধতার জন্য কিছু মৌলিক ইবাদত নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সাওম (রোজা)। রমযান মাসে সাওম পালন করা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি এবং এটি প্রত্যেক যোগ্য মুসলমানের জন্য ফরজ বা ওয়াজিব। আল্লাহ তাআলা কুরআনে ইরশাদ করেছেন:
  • “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।”  (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩)
তবে ইসলাম অত্যন্ত বাস্তবধর্মী ও মানবিক ধর্ম। তাই সবার ওপর সমানভাবে রোজা ফরজ করা হয়নি। কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে তবেই রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব হয়। নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো কাদের ওপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব।
১. মুসলমান হওয়া
  • রমযানের সাওম পালন করার প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো মুসলমান হওয়া। অমুসলিমদের ওপর রোজা ফরজ নয়। কারণ ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর আনুগত্য ও সন্তুষ্টি অর্জন করা, যা ঈমান ছাড়া সম্ভব নয়।
  • যদি কোনো ব্যক্তি অমুসলিম অবস্থায় রোজা রাখে, ইসলামের দৃষ্টিতে তা ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে না। তবে কেউ যদি রমযান মাসে ইসলাম গ্রহণ করে, তাহলে ইসলাম গ্রহণের পর থেকে তার ওপর রোজা পালন করা ওয়াজিব হয়ে যাবে।
২. বালেগ (প্রাপ্তবয়স্ক) হওয়া
রমযানের রোজা বালেগ মুসলমানের ওপরই ওয়াজিব। বালেগ বলতে বোঝায় শরিয়ত নির্ধারিত বয়স বা লক্ষণে পৌঁছানো।
বালেগ হওয়ার লক্ষণ:
  • ছেলে: স্বপ্নদোষ হওয়া
  • মেয়ে: হায়েজ (মাসিক) শুরু হওয়া
  • অথবা বয়সের দিক থেকে সাধারণভাবে ১২–১৫ বছরের মধ্যে পৌঁছানো
  • নাবালেগ শিশুদের ওপর রোজা ফরজ নয়। তবে অভিভাবকদের জন্য সুন্নত ও উত্তম হলো শিশুদের ধীরে ধীরে রোজার অভ্যাস করানো। এতে তারা ভবিষ্যতে সহজে ফরজ রোজা পালন করতে পারবে।
৩. সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হওয়া (আকল থাকা)
যে ব্যক্তি বুদ্ধি-বিবেকহীন বা পাগল, তার ওপর রোজা ওয়াজিব নয়। কারণ ইসলামে ইবাদতের জন্য বিবেক ও সচেতনতা অপরিহার্য।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
  • “তিন ব্যক্তির ওপর কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে—ঘুমন্ত ব্যক্তি যতক্ষণ না সে জাগে, নাবালেগ শিশু যতক্ষণ না সে বালেগ হয় এবং পাগল ব্যক্তি যতক্ষণ না সে সুস্থ হয়।” — (আবু দাউদ)
  • অতএব, মানসিকভাবে অসুস্থ বা বিবেকহীন ব্যক্তি রোজা পালনে বাধ্য নয়।
৪. শারীরিকভাবে সক্ষম হওয়া
রমযানের রোজা পালন করার জন্য শারীরিক সক্ষমতা থাকা জরুরি। যারা গুরুতর অসুস্থ, এমন রোগে আক্রান্ত যাদের রোজা রাখলে রোগ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে বা সুস্থ হতে দেরি হয় তাদের ওপর রোজা সাময়িকভাবে ওয়াজিব নয়।
এ ক্ষেত্রে দুটি অবস্থা হতে পারে:
সাময়িক অসুস্থতা:
  • সুস্থ হলে পরে কাজা রোজা রাখতে হবে।
স্থায়ী অসুস্থতা বা বার্ধক্য:
  • রোজা রাখার ক্ষমতা না থাকলে প্রতিটি রোজার বদলে ফিদইয়া আদায় করতে হবে।
৫. মুকিম হওয়া (মুসাফির না হওয়া)
  • যারা শরিয়তের দৃষ্টিতে মুসাফির (ভ্রমণকারী), তাদের ওপর রমযানের রোজা রাখা ওয়াজিব নয়। তবে এটি ছাড় (রুখসত), বাধ্যবাধকতা নয়।
  • মুসাফির ব্যক্তি চাইলে রোজা রাখতে পারেন, আবার না রাখলে পরে কাজা আদায় করবেন। সাধারণভাবে প্রায় ৪৮–৭৮ কিলোমিটার বা তার বেশি দূরত্ব সফর করলে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী মুসাফির গণ্য করা হয়।
৬. হায়েজ ও নেফাস মুক্ত হওয়া (নারীদের ক্ষেত্রে)
নারীদের জন্য একটি বিশেষ বিধান রয়েছে। হায়েজ (মাসিক) ও নেফাস (প্রসব পরবর্তী রক্তপাত) অবস্থায় রোজা রাখা হারাম।
এই সময় নারীদের ওপর রোজা ওয়াজিব নয়। তবে:
  • রমযানের পর ঐ দিনগুলোর কাজা রোজা আদায় করতে হবে
  • নামাজের কাজা নেই, কিন্তু রোজার কাজা রয়েছে এটি ইসলামের বিশেষ হিকমতপূর্ণ বিধান
৭. রোজা রাখার নিয়ত করা
  • রমযানের রোজা ওয়াজিব হওয়ার জন্য নিয়ত করা শর্ত। নিয়ত ছাড়া রোজা সহিহ হয় না। নিয়ত মনে মনে করলেই যথেষ্ট; মুখে বলা ফরজ নয়।
রমযানের ফরজ রোজার নিয়ত সাধারণত রাতেই করা উত্তম, তবে সূর্য ঢলার আগ পর্যন্ত নিয়ত করা জায়েজ।

রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া বিস্তারিত জেনে নিন

রমাযানের সওম বা রোজা ইসলাম ধর্মের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে তৃতীয় স্তম্ভ। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর রমাযান মাসে রোজা পালন করা ওয়াজিব। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৩)
তবে সবার ওপর একভাবে রোজা ওয়াজিব নয়। কিছু শর্ত পূরণ হলে তবেই রমাযানের সওম ওয়াজিব হয়।
  • প্রথম শর্ত হলো মুসলমান হওয়া। অমুসলিমদের ওপর রোজা ফরজ নয়। 
  • দ্বিতীয় শর্ত বালেগ হওয়া। অর্থাৎ শরিয়ত নির্ধারিত বয়সে পৌঁছানো। নাবালেগ শিশুদের ওপর রোজা ফরজ না হলেও অভ্যাস করানো উত্তম। 
  • তৃতীয় শর্ত হলো সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হওয়া। পাগল বা বিবেকহীন ব্যক্তির ওপর রোজা ওয়াজিব নয়।
  • চতুর্থ শর্ত হলো শারীরিক সক্ষমতা থাকা। গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি বা অতিবৃদ্ধ যাদের রোজা রাখলে ক্ষতির আশঙ্কা আছে, তাদের ওপর রোজা সাময়িকভাবে ওয়াজিব নয়। সুস্থ হলে কাজা আদায় করতে হয়। স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে ফিদইয়া দিতে হয়।
  • পঞ্চম শর্ত মুকিম হওয়া। অর্থাৎ সফরে না থাকা। মুসাফির ব্যক্তি চাইলে রোজা রাখতে পারেন, না রাখলে পরে কাজা করবেন। 
  • এছাড়া নারীদের ক্ষেত্রে হায়েজ ও নেফাস মুক্ত হওয়া জরুরি। এই অবস্থায় রোজা রাখা নিষিদ্ধ হলেও পরে কাজা আদায় করতে হয়।
সবশেষে, রোজা সহিহ হওয়ার জন্য নিয়ত করা আবশ্যক। নিয়ত ছাড়া রোজা গ্রহণযোগ্য নয়।

রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া সম্পর্কে।

وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمْ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ)
মহান আল্লাহর বাণীঃ ’’হে মু’মিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়াম ফরজ করা হল, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পার।’’ (আল-বাকারাহ্ঃ ১৮৩)
১৮৯১. তালহা ইবনু ’উবায়দুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এলোমেলো চুলসহ একজন গ্রাম্য আরব আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এলেন। অতঃপর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে বলুন, আল্লাহ তা’আলা আমার উপর কত সালাত ফরজ করেছেন? তিনি বললেনঃ পাঁচ (ওয়াক্ত) সালাত; তবে তুমি যদি কিছু নফল আদায় কর তা স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন, বলুন, আমার উপর কত সিয়াম আল্লাহ তা’আলা ফরজ করেছেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ রমাযান মাসের সওম; তবে তুমি যদি কিছু নফল সিয়াম আদায় কর তা হল স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন, বলুন, আল্লাহ আমার উপর কী পরিমাণ যাকাত ফরজ করেছেন? রাবী বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইসলামের বিধান জানিয়ে দিলেন। এরপর তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য দিয়ে সম্মানিত করেছেন, আল্লাহ আমার উপর যা ফরজ করেছেন, আমি এর মাঝে কিছু বাড়াব না এবং কমাবও না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সত্য বলে থাকলে সফলতা লাভ করল কিংবা বলেছেন, সে সত্য বলে থাকলে জান্নাত লাভ করল। (৯৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৭)
بَاب وُجُوبِ صَوْمِ رَمَضَانَ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنَّ أَعْرَابِيًّا جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ثَائِرَ الرَّأْسِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَخْبِرْنِي مَاذَا فَرَضَ اللهُ عَلَيَّ مِنْ الصَّلاَةِ فَقَالَ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ إِلاَّ أَنْ تَطَّوَّعَ شَيْئًا فَقَالَ أَخْبِرْنِي مَا فَرَضَ اللهُ عَلَيَّ مِنْ الصِّيَامِ فَقَالَ شَهْرَ رَمَضَانَ إِلاَّ أَنْ تَطَّوَّعَ شَيْئًا فَقَالَ أَخْبِرْنِي بِمَا فَرَضَ اللهُ عَلَيَّ مِنْ الزَّكَاةِ فَقَالَ فَأَخْبَرَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم شَرَائِعَ الإِسْلاَمِ قَالَ وَالَّذِي أَكْرَمَكَ لاَ أَتَطَوَّعُ شَيْئًا وَلاَ أَنْقُصُ مِمَّا فَرَضَ اللهُ عَلَيَّ شَيْئًا فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَفْلَحَ إِنْ صَدَقَ أَوْ دَخَلَ الْجَنَّةَ إِنْ صَدَقَ

حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا اسماعيل بن جعفر عن ابي سهيل عن ابيه عن طلحة بن عبيد الله ان اعرابيا جاء الى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثاىر الراس فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم اخبرني ماذا فرض الله علي من الصلاة فقال الصلوات الخمس الا ان تطوع شيىا فقال اخبرني ما فرض الله علي من الصيام فقال شهر رمضان الا ان تطوع شيىا فقال اخبرني بما فرض الله علي من الزكاة فقال فاخبره رسول الله صلى الله عليه وسلم شراىع الاسلام قال والذي اكرمك لا اتطوع شيىا ولا انقص مما فرض الله علي شيىا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم افلح ان صدق او دخل الجنة ان صدق

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting

রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া সম্পর্কে জেনে নিন

১৮৯২. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আশূরার দিন সিয়াম পালন করেছেন এবং এ সিয়ামের জন্য আদেশও করেছেন। পরে যখন রমাযানের সিয়াম ফরজ হল তখন তা ছেড়ে দেওয়া হয়। ‘আবদুল্লাহ (রহ.) এ সিয়াম পালন করতেন না, তবে মাসের যে দিনগুলোতে সাধারণত সিয়াম পালন করতেন, তার সাথে মিল হলে করতেন। (২০০০, ৪৫০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৮)
بَاب وُجُوبِ صَوْمِ رَمَضَانَ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ صَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ تُرِكَ وَكَانَ عَبْدُ اللهِ لاَ يَصُومُهُ إِلاَّ أَنْ يُوَافِقَ صَوْمَهُ

حدثنا مسدد حدثنا اسماعيل عن ايوب عن نافع عن ابن عمر قال صام النبي صلى الله عليه وسلم عاشوراء وامر بصيامه فلما فرض رمضان ترك وكان عبد الله لا يصومه الا ان يوافق صومه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/১. রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া সম্পর্কে।
১৮৯৩. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, জাহিলী যুগে কুরায়শগণ ‘আশূরার দিন সওম পালন করত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ও পরে এ সওম পালনের নির্দেশ দেন। অবশেষে রমাযানের সিয়াম ফরজ হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার ইচ্ছা ‘আশূরার সিয়াম পালন করবে এবং যার ইচ্ছা সে সওম পালন করবে না। (১৫৯২, মুসলিম ১৩/১৯, হাঃ ১১২৫, আহমাদ ২৬১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৯ )
بَاب وُجُوبِ صَوْمِ رَمَضَانَ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ أَنَّ عِرَاكَ بْنَ مَالِكٍ حَدَّثَهُ أَنَّ عُرْوَةَ أَخْبَرَهُ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ قُرَيْشًا كَانَتْ تَصُومُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ ثُمَّ أَمَرَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِصِيَامِهِ حَتَّى فُرِضَ رَمَضَانُ وَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ شَاءَ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ

حدثنا قتيبة بن سعيد حدثنا الليث عن يزيد بن ابي حبيب ان عراك بن مالك حدثه ان عروة اخبره عن عاىشة ان قريشا كانت تصوم يوم عاشوراء في الجاهلية ثم امر رسول الله صلى الله عليه وسلم بصيامه حتى فرض رمضان وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من شاء فليصمه ومن شاء افطر
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/২. সওমের ফযীলত।
১৮৯৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সিয়াম ঢাল স্বরূপ। সুতরাং অশ্লীলতা করবে না এবং মূর্খের মত কাজ করবে না। যদি কেউ তার সাথে ঝগড়া করতে চায়, তাকে গালি দেয়, তবে সে যেন দুই বার বলে, আমি সওম পালন করছি। ঐ সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, অবশ্যই সওম পালনকারীর মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিসকের সুগন্ধির চাইতেও উৎকৃষ্ট, সে আমার জন্য আহার, পান ও কামাচার পরিত্যাগ করে। সিয়াম আমারই জন্য। তাই এর পুরস্কার আমি নিজেই দান করব। আর প্রত্যেক নেক কাজের বিনিময় দশ গুণ। (১৯০৪, ৫৯২৭, ৭৪৯২, ৭৫৩৮, মুসলিম ১৩/২৯, হাঃ ১১৫১, আহমাদ ৭৩০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭০)
بَاب فَضْلِ الصَّوْمِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ عَنْ مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الصِّيَامُ جُنَّةٌ فَلاَ يَرْفُثْ وَلاَ يَجْهَلْ وَإِنْ امْرُؤٌ قَاتَلَهُ أَوْ شَاتَمَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ مَرَّتَيْنِ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللهِ تَعَالَى مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ يَتْرُكُ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ وَشَهْوَتَهُ مِنْ أَجْلِي الصِّيَامُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا

حدثنا عبد الله بن مسلمة عن مالك عن ابي الزناد عن الاعرج عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الصيام جنة فلا يرفث ولا يجهل وان امرو قاتله او شاتمه فليقل اني صاىم مرتين والذي نفسي بيده لخلوف فم الصاىم اطيب عند الله تعالى من ريح المسك يترك طعامه وشرابه وشهوته من اجلي الصيام لي وانا اجزي به والحسنة بعشر امثالها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting

সওম (পাপের) কাফ্ফারা (ক্ষতিপূরণ) জেনে নিন

১৮৯৫. হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) বললেন, ফিতনা সম্পর্কিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীসটি কার মুখস্থ আছে? হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, পরিবার, ধন-সম্পদ এবং প্রতিবেশীই মানুষের জন্য ফিতনা। সালাত, সিয়াম এবং সদকা এর কাফফারা হয়ে যায়। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ ফিতনা সম্পর্কে আমি প্রশ্ন করছি না, আমি তো প্রশ্ন করেছি ঐ ফিতনা সম্পর্কে, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের ন্যায় আন্দোলিত হতে থাকবে। হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, এ ফিতনার সামনে বন্ধ দরজা আছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, এ দরজা কি খুলে যাবে, না ভেঙ্গে যাবে? হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, ভেঙ্গে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তাহলে তো তা কিয়ামত পর্যন্ত বন্ধ হবে না। আমরা মাসরূক (রহ.)-কে বললাম, হুযাইফাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করুন, ‘উমার (রাঃ) কি জানতেন, কে সেই দরজা? তিনি বললেন, হাঁ, তিনি এরূপ জানতেন যেরূপ কালকের দিনের পূর্বে আজকের রাত। (৫২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭১ )
بَاب الصَّوْمُ كَفَّارَةٌ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا جَامِعٌ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ قَالَ عُمَرُ مَنْ يَحْفَظُ حَدِيثًا عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْفِتْنَةِ قَالَ حُذَيْفَةُ أَنَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَجَارِهِ تُكَفِّرُهَا الصَّلاَةُ وَالصِّيَامُ وَالصَّدَقَةُ قَالَ لَيْسَ أَسْأَلُ عَنْ ذِهِ إِنَّمَا أَسْأَلُ عَنْ الَّتِي تَمُوجُ كَمَا يَمُوجُ الْبَحْرُ قَالَ وَإِنَّ دُونَ ذَلِكَ بَابًا مُغْلَقًا قَالَ فَيُفْتَحُ أَوْ يُكْسَرُ قَالَ يُكْسَرُ قَالَ ذَاكَ أَجْدَرُ أَنْ لاَ يُغْلَقَ إِلَى يَوْمِ

الْقِيَامَةِ فَقُلْنَا لِمَسْرُوقٍ سَلْهُ أَكَانَ عُمَرُ يَعْلَمُ مَنْ الْبَابُ فَسَأَلَهُ فَقَالَ نَعَمْ كَمَا يَعْلَمُ أَنَّ دُونَ غَدٍ اللَّيْلَةَ
حدثنا علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا جامع عن ابي واىل عن حذيفة قال قال عمر من يحفظ حديثا عن النبي صلى الله عليه وسلم في الفتنة قال حذيفة انا سمعته يقول فتنة الرجل في اهله وماله وجاره تكفرها الصلاة والصيام والصدقة قال ليس اسال عن ذه انما اسال عن التي تموج كما يموج البحر قال وان دون ذلك بابا مغلقا قال فيفتح او يكسر قال يكسر قال ذاك اجدر ان لا يغلق الى يوم القيامة فقلنا لمسروق سله اكان عمر يعلم من الباب فساله فقال نعم كما يعلم ان دون غد الليلة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ হুযায়ফাহ ইবন আল-ইয়ামান (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting

সওম পালনকারীর জন্য রাইয়্যান জেনে নিন

১৮৯৬. সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জান্নাতে রাইয়্যান নামক একটি দরজা আছে। এ দরজা দিয়ে কিয়ামতের দিন সওম পালনকারীরাই প্রবেশ করবে। তাদের ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা দেয়া হবে, সওম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়াবে। তারা ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের প্রবেশের পরই দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। যাতে করে এ দরজাটি দিয়ে আর কেউ প্রবেশ না করে। (৩২৫৭, মুসলিম ১৩/৩, হাঃ ১১৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭ ৭২)
بَاب الرَّيَّانُ لِلصَّائِمِينَ
حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ عَنْ سَهْلٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ فِي الْجَنَّةِ بَابًا يُقَالُ لَهُ الرَّيَّانُ يَدْخُلُ مِنْهُ الصَّائِمُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ يُقَالُ أَيْنَ الصَّائِمُونَ فَيَقُومُونَ لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ فَإِذَا دَخَلُوا أُغْلِقَ فَلَمْ يَدْخُلْ مِنْهُ أَحَدٌ

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال قال حدثني ابو حازم عن سهل عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان في الجنة بابا يقال له الريان يدخل منه الصاىمون يوم القيامة لا يدخل منه احد غيرهم يقال اين الصاىمون فيقومون لا يدخل منه احد غيرهم فاذا دخلوا اغلق فلم يدخل منه احد
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা'দ (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/৪. সওম পালনকারীর জন্য রাইয়্যান।
১৮৯৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ আল্লাহর পথে জোড়া জোড়া ব্যয় করবে তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ হতে ডাকা হবে, হে আল্লাহর বান্দা! এটাই উত্তম। অতএব যে সালাত আদায়কারী, তাকে সালাতের দরজা হতে ডাকা হবে। যে মুজাহিদ, তাকে জিহাদের দরজা হতে ডাকা হবে। যে সিয়াম পালনকারী, তাকে রাইয়্যান দরজা হতে ডাকা হবে। যে সাদাকা দানকারী, তাকে সাদাকার দরজা হতে ডাকা হবে। এরপর আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হোক, সকল দরজা হতে কাউকে ডাকার কোন প্রয়োজন নেই, তবে কি কাউকে সব দরজা হতে ডাকা হবে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হাঁ। আমি আশা করি তুমি তাদের মধ্যে হবে। (২৭৪১, ৩২১৬, ৩৬৬৬, মুসলিম ১২/২৭, হাঃ ১০২৭, আহমাদ ৭৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৩)
بَاب الرَّيَّانُ لِلصَّائِمِينَ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ قَالَ حَدَّثَنِي مَعْنٌ قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ فِي سَبِيلِ اللهِ نُودِيَ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ يَا عَبْدَ اللهِ هَذَا خَيْرٌ فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلاَةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّلاَةِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجِهَادِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الْجِهَادِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصِّيَامِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الرَّيَّانِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّدَقَةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّدَقَةِ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا عَلَى مَنْ دُعِيَ مِنْ تِلْكَ الأَبْوَابِ مِنْ ضَرُورَةٍ فَهَلْ يُدْعَى أَحَدٌ مِنْ تِلْكَ الأَبْوَابِ كُلِّهَا قَالَ نَعَمْ وَأَرْجُو أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ

حدثنا ابراهيم بن المنذر قال حدثني معن قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من انفق زوجين في سبيل الله نودي من ابواب الجنة يا عبد الله هذا خير فمن كان من اهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من اهل الجهاد دعي من باب الجهاد ومن كان من اهل الصيام دعي من باب الريان ومن كان من اهل الصدقة دعي من باب الصدقة فقال ابو بكر بابي انت وامي يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما على من دعي من تلك الابواب من ضرورة فهل يدعى احد من تلك الابواب كلها قال نعم وارجو ان تكون منهم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/৫. রমাযান বলা হবে, না রমাযান মাস বলা হবে? আর যাদের মতে উভয়টি বলা যাবে।
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَقَالَ لاَ تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘যে ব্যক্তি রমাযানে সওম পালন করবে’’
এবং আরো বলেছেনঃ ‘‘তোমরা রমাযানের আগে সওম পালন করবে না’’
১৮৯৮. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন রমাযান আসে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। (১৮৯৯, ৩২৭৭, মুসলিম ১৩/১, হাঃ ১০৭৯, আহমাদ ৮৬৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৪ )
بَاب هَلْ يُقَالُ رَمَضَانُ أَوْ شَهْرُ رَمَضَانَ وَمَنْ رَأَى كُلَّهُ وَاسِعًا
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِذَا جَاءَ رَمَضَانُ فُتِحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ

حدثنا قتيبة حدثنا اسماعيل بن جعفر عن ابي سهيل عن ابيه عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اذا جاء رمضان فتحت ابواب الجنة
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting

রমাযান বলা হবে, না রমাযান মাস বলা হবে জেনে নিন

১৮৯৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাযান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করে দেয়া হয়। (১৮৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৫ )
بَاب هَلْ يُقَالُ رَمَضَانُ أَوْ شَهْرُ رَمَضَانَ وَمَنْ رَأَى كُلَّهُ وَاسِعًا
حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ عَنْ عُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي أَنَسٍ مَوْلَى التَّيْمِيِّينَ أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ السَّمَاءِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ جَهَنَّمَ وَسُلْسِلَتْ الشَّيَاطِينُ

حدثني يحيى بن بكير قال حدثني الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني ابن ابي انس مولى التيميين ان اباه حدثه انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا دخل شهر رمضان فتحت ابواب السماء وغلقت ابواب جهنم وسلسلت الشياطين

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/৫. রমাযান বলা হবে, না রমাযান মাস বলা হবে? আর যাদের মতে উভয়টি বলা যাবে।
১৯০০. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি, যখন তোমরা তা (চাঁদ) দেখবে তখন সওম রাখবে, আবার যখন তা দেখবে তখন ইফ্তার করবে। আর যদি আকাশ মেঘলা থাকে তবে সময় হিসাব করে (ত্রিশ দিন) পূর্ণ করবে। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহ.) ব্যতীত অন্যরা লায়স (রহ.) হতে ‘উকায়ল এবং ইউনুস (রহ.) সূত্রে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথাটি বলেছেন রমাযানের চাঁদ সম্পর্কে। (১৯০৬, ১৯০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৬ )

بَاب هَلْ يُقَالُ رَمَضَانُ أَوْ شَهْرُ رَمَضَانَ وَمَنْ رَأَى كُلَّهُ وَاسِعًا
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ قَالَ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ عَنْ عُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ وَقَالَ غَيْرُهُ عَنْ اللَّيْثِ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ وَيُونُسُ لِهِلاَلِ رَمَضَانَ

حدثنا يحيى بن بكير قال حدثني الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني سالم بن عبد الله بن عمر ان ابن عمر قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول اذا رايتموه فصوموا واذا رايتموه فافطروا فان غم عليكم فاقدروا له وقال غيره عن الليث حدثني عقيل ويونس لهلال رمضان

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/৬. যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের উদ্দেশে সংকল্প সহকারে সিয়াম পালন করবে।
وَقَالَتْ عَائِشَةُ عَنْ النَّبِيِّ يُبْعَثُونَ عَلَى نِيَّاتِهِمْ
‘আয়িশাহ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, কিয়ামতের দিন নিয়ত অনুযায়ীই লোকদের উঠানো হবে।
১৯০১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরে ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রাত জেগে ‘ইবাদত করে, তার পিছনের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করা হবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানসহ সওয়াবের আশায় রমাযানে সিয়াম পালন করবে, তারও অতীতের সমস্ত গোনাহ মাফ করা হবে। (৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৭)

بَاب مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا وَنِيَّةً
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ وَمَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

حدثنا مسلم بن ابراهيم حدثنا هشام حدثنا يحيى عن ابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قام ليلة القدر ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ومن صام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting

নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমাযানে সবচেয়ে বেশী দান করতেন

১৯০২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধন-সম্পদ ব্যয় করার ব্যাপারে সকলের চেয়ে দানশীল ছিলেন। রমাযানে জিবরাঈল (আঃ) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো অধিক দান করতেন। রমাযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতেই জিবরাঈল (আঃ) তাঁর সঙ্গে একবার সাক্ষাৎ করতেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন শুনাতেন। জিবরাঈল (আঃ) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি রহমতসহ প্রেরিত বায়ুর চেয়ে অধিক ধন-সম্পদ দান করতেন। (৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৮ )
بَاب أَجْوَدُ مَا كَانَ النَّبِيُّ يَكُونُ فِي رَمَضَانَ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَجْوَدَ النَّاسِ بِالْخَيْرِ وَكَانَ أَجْوَدُ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ وَكَانَ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلاَم يَلْقَاهُ كُلَّ لَيْلَةٍ فِي رَمَضَانَ حَتَّى يَنْسَلِخَ يَعْرِضُ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْقُرْآنَ فَإِذَا لَقِيَهُ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلاَم كَانَ أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنْ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ

حدثنا موسى بن اسماعيل حدثنا ابراهيم بن سعد اخبرنا ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة ان ابن عباس قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اجود الناس بالخير وكان اجود ما يكون في رمضان حين يلقاه جبريل وكان جبريل عليه السلام يلقاه كل ليلة في رمضان حتى ينسلخ يعرض عليه النبي صلى الله عليه وسلم القران فاذا لقيه جبريل عليه السلام كان اجود بالخير من الريح المرسلة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/৮. যে ব্যক্তি সওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল পরিত্যাগ করে না।
১৯০৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। (৬০৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৯)
بَاب مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فِي الصَّوْمِ
حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالْعَمَلَ بِهِ فَلَيْسَ للهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ

حدثنا ادم بن ابي اياس حدثنا ابن ابي ذىب حدثنا سعيد المقبري عن ابيه عن ابي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يدع قول الزور والعمل به فليس لله حاجة في ان يدع طعامه وشرابه
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/৯. কাউকে গালি দেয়া হলে সে কি বলবে, ‘আমি তো সায়িম?
১৯০৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, সওম ব্যতীত আদম সন্তানের প্রতিটি কাজই তার নিজের জন্য, কিন্তু সিয়াম আমার জন্য। তাই আমি এর প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ। তোমাদের কেউ যেন সিয়াম পালনের দিন অশ্লীলতায় লিপ্ত না হয় এবং ঝগড়া-বিবাদ না করে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা তার সঙ্গে ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, আমি একজন সায়িম। যাঁর কবজায় মুহাম্মাদের প্রাণ, তাঁর শপথ! অবশ্যই সায়িমের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মিস্কের গন্ধের চাইতেও সুগন্ধি। সায়িমের জন্য রয়েছে দু’টি খুশী যা তাকে খুশী করে। যখন সে ইফতার করে, সে খুশী হয় এবং যখন সে তার রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন সওমের বিনিময়ে আনন্দিত হবে। (১৮৯৪, মুসলিম ১৩/৩০, হাঃ ১১৫১, আহমাদ ৭৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮০)
بَاب هَلْ يَقُولُ إِنِّي صَائِمٌ إِذَا شُتِمَ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ عَنْ أَبِي صَالِحٍ الزَّيَّاتِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ اللهُ كُلُّ عَمَلِ ابْنِ آدَمَ لَهُ إِلاَّ الصِّيَامَ فَإِنَّهُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ وَالصِّيَامُ جُنَّةٌ وَإِذَا كَانَ يَوْمُ صَوْمِ أَحَدِكُمْ فَلاَ يَرْفُثْ وَلاَ يَصْخَبْ فَإِنْ سَابَّهُ أَحَدٌ أَوْ قَاتَلَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي امْرُؤٌ صَائِمٌ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَخُلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ لِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ يَفْرَحُهُمَا إِذَا أَفْطَرَ فَرِحَ وَإِذَا لَقِيَ رَبَّهُ فَرِحَ بِصَوْمِهِ

حدثنا ابراهيم بن موسى اخبرنا هشام بن يوسف عن ابن جريج قال اخبرني عطاء عن ابي صالح الزيات انه سمع ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الله كل عمل ابن ادم له الا الصيام فانه لي وانا اجزي به والصيام جنة واذا كان يوم صوم احدكم فلا يرفث ولا يصخب فان سابه احد او قاتله فليقل اني امرو صاىم والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصاىم اطيب عند الله من ريح المسك للصاىم فرحتان يفرحهما اذا افطر فرح واذا لقي ربه فرح بصومه
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting

অবিবাহিত ব্যক্তি যে নিজের ব্যাপারে ভয় করে, তার জন্য সওম

১৯০৫. ‘আলকামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে চলতে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে ছিলাম, তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে নেয়। কেননা বিয়ে চোখকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে সংযত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সওম পালন করে। সওম তার প্রবৃত্তিকে দমন করে।
আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, الْبَاءَةَ শব্দে অর্থ বিবাহ। (৫০৬৫, ৫০৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮১ )
بَاب الصَّوْمِ لِمَنْ خَافَ عَلَى نَفْسِهِ الْعُزْبَةَ
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ عَنْ أَبِي حَمْزَةَ عَنْ الأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ بَيْنَا أَنَا أَمْشِي مَعَ عَبْدِ اللهِ فَقَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَنْ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ

حدثنا عبدان عن ابي حمزة عن الاعمش عن ابراهيم عن علقمة قال بينا انا امشي مع عبد الله فقال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فقال من استطاع الباءة فليتزوج فانه اغض للبصر واحصن للفرج ومن لم يستطع فعليه بالصوم فانه له وجاء

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আলকামাহ (রহঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/১১. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উক্তি : যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার বন্ধ কর।
وَقَالَ صِلَةُ عَنْ عَمَّارٍ مَنْ صَامَ يَوْمَ الشَّكِّ فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ
সেলাহ (রহ.) ’আম্মার (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে সওম পালন করল সে আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নাফরমানী করল।

১৯০৬. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের কথা আলোচনা করে বললেনঃ চাঁদ না দেখে তোমরা সওম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফ্তার বন্ধ করবে না। যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে তার সময় (ত্রিশ দিন) পরিমাণ পূর্ণ করবে। (১৯০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮২)
بَاب قَوْلِ النَّبِيِّ إِذَا رَأَيْتُمْ الْهِلاَلَ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَأَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ رَمَضَانَ فَقَالَ لاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلاَلَ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ

حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا مالك عن نافع عن عبد الله بن عمران رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر رمضان فقال لا تصوموا حتى تروا الهلال ولا تفطروا حتى تروه فان غم عليكم فاقدروا له
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/১১. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উক্তি : যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার বন্ধ কর
১৯০৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে সওম শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাবৃত থাকে তাহলে তোমরা ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে। (১৯০০, মুসলিম ১৩/২, হাঃ ১০৮০, আহমাদ ৫২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮৩)
بَاب قَوْلِ النَّبِيِّ إِذَا رَأَيْتُمْ الْهِلاَلَ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ لَيْلَةً فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلاَثِينَ

حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الشهر تسع وعشرون ليلة فلا تصوموا حتى تروه فان غم عليكم فاكملوا العدة ثلاثين

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting

যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার বন্ধ কর

১৯০৮. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (দু‘হাতের অঙ্গুলি তুলে ইঙ্গিত করে) বলেনঃ মাস এত এত দিনে হয় এবং তৃতীয় বার বৃদ্ধাঙ্গুলিটি বন্ধ করে নিলেন। (১৯১৩, ৫৩০২, মুসলিম ১৩/২, হাঃ ১০৮০, আহমাদ ৪৮১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮৪)
بَاب قَوْلِ النَّبِيِّ إِذَا رَأَيْتُمْ الْهِلاَلَ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ جَبَلَةَ بْنِ سُحَيْمٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَخَنَسَ الإِبْهَامَ فِي الثَّالِثَةِ
حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة عن جبلة بن سحيم قال سمعت ابن عمر يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم الشهر هكذا وهكذا وخنس الابهام في الثالثة
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/১১. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উক্তি : যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার বন্ধ কর।
১৯০৯. ‘আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অথবা বলেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম আরম্ভ করবে এবং চাঁদ দেখে ইফতার করবে। আকাশ যদি মেঘে ঢাকা থাকে তাহলে শা‘বানের গণনা ত্রিশ দিন পুরা করবে। (মুসলিম ১৩/২, হাঃ ১০৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮৫)
بَاب قَوْلِ النَّبِيِّ إِذَا رَأَيْتُمْ الْهِلاَلَ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا
حَدَّثَنَا آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَوْ قَالَ قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ غُبِّيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا عِدَّةَ شَعْبَانَ ثَلاَثِينَ

حدثنا ادم حدثنا شعبة حدثنا محمد بن زياد قال سمعت ابا هريرة يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم او قال قال ابو القاسم صوموا لرويته وافطروا لرويته فان غبي عليكم فاكملوا عدة شعبان ثلاثين
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ) পুনঃনিরীক্ষণঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) 30/ Fasting
পরিচ্ছেদঃ ৩০/১১. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উক্তি : যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার বন্ধ কর।
১৯১০. উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাসের মত তাঁর স্ত্রীদের সাথে ঈলা করলেন। ঊনত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সকালে বা সন্ধ্যায় তিনি তাঁদের নিকট গমন করলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল, আপনি তো এক মাস পর্যন্ত না আসার শপথ করেছিলেন? তিনি বললেন, মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে। (৫২০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮৬ )
بَاب قَوْلِ النَّبِيِّ إِذَا رَأَيْتُمْ الْهِلاَلَ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ صَيْفِيٍّ عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم آلَى مِنْ نِسَائِهِ شَهْرًا فَلَمَّا مَضَى تِسْعَةٌ وَعِشْرُونَ يَوْمًا غَدَا أَوْ رَاحَ فَقِيلَ لَهُ إِنَّكَ حَلَفْتَ أَنْ لاَ تَدْخُلَ شَهْرًا فَقَالَ إِنَّ الشَّهْرَ يَكُونُ تِسْعَةً وَعِشْرِينَ يَوْمًا
حدثنا ابو عاصم عن ابن جريج عن يحيى بن عبد الله بن صيفي عن عكرمة بن عبد الرحمن عن ام سلمة ان النبي صلى الله عليه وسلم الى من نساىه شهرا فلما مضى تسعة وعشرون يوما غدا او راح فقيل له انك حلفت ان لا تدخل شهرا فقال ان الشهر يكون تسعة وعشرين يوما

উপসংহার

আজ আমরা রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া - কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে ভালো কোনো টপিক নিয়ে হাজির হবো। আশা করছি উপরের রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া - কাদের উপর রমযানের সাওম পালন করা ওয়াজিব বিষয়ে আলোচনা আপনার ভালো লেগেছে। যদি এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানান । আমাদের ফলো করে সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url