সরকারি চাকুরিজীবিদের পেনশন হিসাব করার নতুন নিয়ম বা সূত্র

ভূমিকা

আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক জমজম আইটির পক্ষ থেকে আপনাকে সু-স্বাগতম। আপনি নিশ্চয়ই সরকারি চাকুরিজীবিদের পেনশন হিসাব করার নতুন নিয়ম বা সূত্র তা জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে এসেছেন। 
সরকারি চাকুরিজীবিদের পেনশন হিসাব করার নতুন নিয়ম বা সূত্র
হ্যাঁ আজকে আমি সরকারি চাকুরিজীবিদের পেনশন হিসাব করার নতুন নিয়ম বা সূত্র সেগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এই লেখার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে পেজের সুচি তালিকা দেখে আসুন।

কি কি থাকবে এই লেখায় তার সূচিপত্রঃ  সরকারি চাকুরিজীবিদের পেনশন হিসাব করার নতুন নিয়ম বা সূত্র:
  • কত বছরে কত টাকা পেনশন - সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন নীতিমালা পেনশন হিসাব
  • নিজের পেনশন নিজেই হিসাব করে বের করুন
  • সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন সহজীকরণ নীতিমালা
  • সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩
  • পেনশনারের দ্বিতীয় স্ত্রী বা স্বামীর পেনশন প্রাপ্যতা
  • পেনশন ও গ্র্যাচুইটির হিসাব বের করার সহজ কার্যকর পদ্ধতি
  • সরকারি কর্মচারি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের নিয়মাবলী
  • সর্বজনীন পেনশন স্কিমের টাকা পাওয়া কি সহজ হবে

সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন সহজীকরণ নীতিমালা

বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশন সহজীকরণ নীতিমালা ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। এই নীতিমালার উদ্দেশ্য হল সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন সুবিধা প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা এবং তাদের জন্য পেনশন সুবিধা আরও আকর্ষণীয় করা।

এই নীতিমালার মাধ্যমে নিম্নলিখিত সুবিধাগুলি প্রদান করা হয়েছে:
  • অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ থেকে ৫৮ বছর করা হয়েছে।
  • অবসর গ্রহণের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি নগদায়নের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
  • পেনশনের হার বৃদ্ধি করা হয়েছে।
  • পেনশন সুবিধা প্রাপ্তির জন্য জমাকৃত চাঁদার পরিমাণ কমানো হয়েছে।
এই নীতিমালার আওতায় সরকারি চাকরিজীবীরা নিম্নলিখিত সুবিধাগুলি পাবেন:

পেনশন: সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর গ্রহণের পর তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতার উপর ভিত্তি করে পেনশন দেওয়া হবে।
জিপিএফ সুবিধা: সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর গ্রহণের পর তাদের জমাকৃত জিপিএফ অর্থের উপর সুদ এবং মুনাফা দেওয়া হবে।
ছুটির পাওনা: সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর গ্রহণের পর তাদের অব্যবহৃত ছুটির জন্য পাওনা দেওয়া হবে। 
সরকারি চাকরিজীবীরা এই নীতিমালার অধীনে পেনশন সুবিধা প্রাপ্তির জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করতে পারেন:
  • অবসর গ্রহণের আবেদনপত্র জমা দেওয়া।
  • পেনশনের জন্য আবেদনপত্র।
  • জিপিএফের জন্য আবেদনপত্র।
এই নীতিমালা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশন সুবিধা প্রাপ্তিকে আরও সহজতর করেছে এবং তাদের জন্য পেনশন সুবিধা আরও আকর্ষণীয় করেছে। এই নীতিমালা সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর জীবনকে আরও নিশ্চিত এবং সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করবে।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশন সহজীকরণ নীতিমালার কিছু উল্লেখযোগ্য দিক নিম্নরূপ:

অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ থেকে ৫৮ বছর করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের আরও বেশি সময় চাকরিতে থাকার সুযোগ হবে এবং তাদের পেনশন সুবিধা আরও বেশি হবে।

অবসর গ্রহণের আগে সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি নগদায়নের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সুবিধার ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা তাদের অব্যবহৃত ছুটির জন্য অর্থ পেতে পারবেন এবং তাদের পেনশন সুবিধা আরও বেশি হবে।

পেনশনের হার বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন সুবিধা আরও বেশি হবে। পেনশন সুবিধা প্রাপ্তির জন্য জমাকৃত চাঁদার পরিমাণ কমানো হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন সুবিধা আরও বেশি সহজলভ্য হবে।

এই নীতিমালা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই নীতিমালার মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন সুবিধা প্রাপ্তি আরও সহজতর এবং আকর্ষণীয় হবে।

একজন সরকারি চাকরিজীবী সারা জীবন চাকরি করার পর যখন এলপিআর বা পেনশনে যায় চাকরিজীবী কত টাকা পেনশন পাবে তা সহজে হিসাব করতে পারেন না। পেনশনের টাকা সহজেই কিভাবে হিসাব করা যায় আমরা সূত্রের মাধ্যমে তা দেখব।

আজ আমরা আলোচনা করব সরকারি চাকুরিজীবিদের পেনশন হিসাব করার নতুন নিয়ম ধরুন, আপনার শেষ Basic বা প্রত্যাশিত শেষ বেতন ২৮০০০/= টাকা। তাহলে লাম্পগ্র্যান্ট : শেষ Basic×১৮ হবে। মূল বেতনের ১৮ মাসের সমপরিমান।

উদাহরণ: লাম্পগ্র্যান্ট, যা পেনশন/পিআরএল এর শুরুতে এককালীন পাবেন ২৮০০০ x ১৮=৫,০৪,০০০/=টাকা (তবে এটা নির্ভর করে ওই ব্যাক্তির ছুটি পাওনা থাকার উপর। যত মাস ছুটি পাওনা তাতো মাসের Basic একত্রে পাবেন, তবে সেটা সর্বোচ্চ ১৮ মাসের বেশি নয়।)

গ্রাচুইটি হিসাব করা

যা পিআরএল (PRL) শেষ হলে এককালীন পাবেন। ধরুন পি আর এল শেষে ইনক্রিমেন্টসহ আপনার শেষ বেসিক ২৮০০০+১২০০ (ইনক্রিমেন্ট)=২৯,২০০ টাকা বা, শেষ মূল বেতন বা ইএলপিসি অনুসারে (বেসিক×৯০%)÷২=( )×২৩০

উপরের উদাহরণ অনুযায়ী চলুন আমরা হিসাব করিঃ

উদাহরণ: (২৯,২০০×৯০%)÷২=()×২৩০=( )
=(২৬২৮০÷২)×২৩০
=১৩১৪০×২৩০
=৩০,৩২,০০০/=টাকা।

এখানে শেষ বেসিক এর সাথে পি আর এল এ থাকার সময়ের একটি ইনক্রিমেন্ট যোগ হবে এবং সেইভাবে হিসাব করতে হবে।

এবার আমরা টেনশন নির্ণয়ের সূত্র প্রয়োগ করে চিকিৎসা ভাতা বের করবঃ

পেনশন নির্ণয় সূত্র: (শেষ বেসিক x ৯০%)÷২ = ( )+১৫০০ (মাসিক চিকিৎসা ভাতা)
নিম্নে উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি আরো পরিস্কার করার চেষ্টা করছি।

উদাহরণ: (২৯,২০০×৯০%)÷২=()+১৫০০/=টাকা। =(২৬,২৮০÷২)=()+১৫০০/=টাকা। =১৩,১৪০+১৫০০/=টাকা

=১৪,৬৪০/= টাকা যা আপনি প্রতি মাসে চিকিৎসা ভাতাসহ পেনশন পাবেন, আর প্রতি বছর দুইটি উৎসব ভাতা ও পহেলা বৈশাখে ২০%হারে একবার ভাতা পাবেন।

আশা করছি উপরের আলোচনায় কিভাবে আপনি আপনার পেনশনের হিসাব করবেন সে বিষয়টি বুঝে গেছেন। যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানান। এরকম ধরনের আরও তথ্য জানার জন্য এই কনটেন্টটি শেয়ার করুন। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে আজকে এখানেই শেষ করছি ভালো থাকবেন সবাই।

সরকারি কর্মচারি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের নিয়মাবলী

সরকারি কর্মচারি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের নিয়মাবলী নিম্নরূপ:
চাকরির মেয়াদ পঁচিশ (২৫) বছর পূর্ণ হওয়ার পর যে কোন সময় একজন সরকারি কর্মচারী অবসর গ্রহণের অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে পারেন। অবসর গ্রহণের অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে হবে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নিকট কমপক্ষে ত্রিশ (৩০) দিন পূর্বে।

অবসর গ্রহণের অভিপ্রায় চূড়ান্ত হিসাবে গণ্য হবে এবং তা সংশোধন বা প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। অবসর গ্রহণের তারিখ হবে অবসর গ্রহণের অভিপ্রায় ব্যক্ত করার তারিখ থেকে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে।

সরকারি কর্মচারি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে:
  • অবসর গ্রহণের আবেদনপত্র
  • চাকরি বহির মূল কপি
  • ছুটি প্রাপ্যতার সনদ
  • জিপিএফ জমার চাঁদা পরিশোধের সনদ
  • স্বাস্থ্য সনদ
অবসর গ্রহণের আবেদনপত্র নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ফরমে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে উল্লিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

সরকারি কর্মচারি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করলে তিনি নিম্নলিখিত সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন:
  • পেনশন
  • জিপিএফ সুবিধা
  • ছুটির পাওনা
  • অন্যান্য প্রাপ্যতা
পেনশনের পরিমাণ সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ, পদমর্যাদা এবং বেতন-ভাতার উপর নির্ভর করে। জিপিএফ সুবিধাও সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ এবং জমাকৃত চাঁদার পরিমাণের উপর নির্ভর করে।

সরকারি কর্মচারি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্র পর্যালোচনা করে অবসর গ্রহণের আবেদন মঞ্জুর বা নামঞ্জুর করতে পারেন।

পেনশনারের দ্বিতীয় স্ত্রী বা স্বামীর পেনশন প্রাপ্যতা

বাংলাদেশ সরকারের হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের স্মারক নং-০৭.০৩.০০০০.০১০.১১.৮৬৭.২০১৯-৫২০, তারিখ: ২৭-০২-২০২২ খ্রি. অনুসারে, পেনশন ভোগরত অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহ করলে পেনশনারের মৃত্যুর পর তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামী পারিবারিক পেনশন প্রাপ্য হবেন না।

সুতরাং, একজন সরকারি কর্মচারী অবসরগ্রহণের পর দ্বিতীয় বিবাহ করলে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামী পেনশনারের মৃত্যুর পর পারিবারিক পেনশন প্রাপ্য হবেন না। তবে, যদি পেনশনারের প্রথম স্ত্রী/স্বামী জীবিত থাকেন, তাহলে দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামীর পেনশন প্রাপ্যতার কোনো সুযোগ নেই।

এক্ষেত্রে, পেনশনারের দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামীকে প্রথম স্ত্রী/স্বামীর মৃত্যুর পর পেনশন প্রাপ্যতার জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে:
  • পেনশনারের মৃত স্ত্রী/স্বামীর মৃত্যু সনদ
  • দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামীর বিবাহ সনদ
  • পেনশনারের দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামীর জন্ম সনদ
  • দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র
  • পেনশনারের দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বামীর ব্যাংক হিসাবের তথ্য
আবেদনপত্র পেনশনারের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রেরণ করতে হবে।

সরকারি কর্মচারি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের নিয়মাবলী

বাংলাদেশের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৯-এর বিধান অনুসারে, একজন সরকারি কর্মচারী চাকুরীর মেয়াদ পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হওয়ার পর যে কোনো সময়, অবসর গ্রহণের অভিপ্রায়কৃত তারিখের কমপক্ষে ত্রিশ দিন পূর্বে নিয়ােগকারী কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত নােটিশ প্রদানপূর্বক চাকুরী হইতে অবসর গ্রহণের অভিপ্রায় ব্যক্ত করিতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই ব্যক্তকৃত অভিপ্রায় চুড়ান্ত হিসাবে গণ্য হইবে এবং তাহা সংশােধন বা প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া যাইবে না।

অবসর গ্রহণের আবেদনপত্রের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে:
  • অবসর গ্রহণের আবেদনপত্র
  • চাকরি সনদপত্র
  • চাকরির বই
  • জিপিএফ বই
  • অবসরকালীন ভাতা প্রাপ্যতার সনদ
  • পূর্ববর্তী চাকরির অভিজ্ঞতার সনদপত্র (যদি থাকে)
অবসর গ্রহণের আবেদনপত্রের নিম্নলিখিত তথ্যাবলী থাকতে হবে:
  • কর্মচারীর নাম, পদবী, কর্মস্থল
  • অবসর গ্রহণের অভিপ্রায়কৃত তারিখ
  • অবসর গ্রহণের কারণ
  • অবসর গ্রহণের আবেদনপত্রটি নিয়ােগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রেরণ করতে হবে।
অবসর গ্রহণের সুবিধা:
অবসর গ্রহণের পর, সরকারি কর্মচারীরা পেনশন, অবসরকালীন ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা ভাতা, বিনামূল্যে চিকিৎসা, ছুটি ভাতা, ত্রাণ ভাতা, ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

অবসর গ্রহণের পর কর্মসংস্থান:
অবসর গ্রহণের পর, সরকারি কর্মচারীরা চাকরি করতে চাইলে, তারা বেসরকারি চাকরি, ব্যবসা, বা অন্যান্য পেশা গ্রহণ করতে পারেন।

উপসংহার

প্রিয় পাঠক আজ সরকারি চাকুরিজীবিদের পেনশন হিসাব করার নতুন নিয়ম বা সূত্র নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে অন্য কোন টপিক নিয়ে হাজির হবো। আশা করছি উপরের আলোচনা আপনার কাজে লেগেছে যদি কাজে লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানান আর আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে এই কনটেন্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url