কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বই pdf - কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন -৫
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে আজকে Computer Office Application Exam Questions and Answers বা কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন -৫ কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বই pdf এবং
বিগত সালের কম্পিউটারের প্রশ্ন উত্তর ও চাকুরির প্রস্তুতি বা কম্পিউটার
পরীক্ষা নিয়ে আমরা আলোচনা শুরু করছি। আপনি নিশ্চয়ই বিগত সালের কম্পিউটারের
প্রশ্ন উত্তর ও চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে জানার জন্যই আমাদের এই সাইটটিতে
এসেছেন।
হ্যাঁ আজকে আমি Computer Office Application Exam Questions and Answers বা কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন -৫ কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বই pdf এবং বিগত সালের কম্পিউটারের
প্রশ্ন উত্তর ও চাকুরির প্রস্তুতি বা কম্পিউটার পরীক্ষা নিয়ে এ
লেখায় বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনার তথ্য সম্পর্কে জানতে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে
ফেলুন।
কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বলতে কি বুঝায় জেনে নিন
বর্তমানে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন একটি অনেক বড় বিষয় তাই আমরা বিষয়টি পার্ট, পার্ট আকারে দেখানোর চেষ্টা করেছি। আপনি কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন এর প্রতিটি পার্ট দেখবেন।
কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বলতে বোঝায় এমন কিছু সফটওয়্যার যা অফিসের কাজকর্ম সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
এই অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করে আপনি বিভিন্ন ধরণের কাজ করতে পারেন, যেমন:
লিখিত কাজ:
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার (যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, ওপেনঅফিস ওয়ার্ড) ব্যবহার করে আপনি চিঠি, প্রতিবেদন, ইত্যাদি লিখতে পারেন।
স্প্রেডশীট:
- স্প্রেডশীট সফটওয়্যার (যেমন মাইক্রোসফট এক্সেল, ওপেনঅফিস ক্যালক) ব্যবহার করে আপনি ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারেন, বাজেট তৈরি করতে পারেন, ইত্যাদি।
প্রেজেন্টেশন:
- প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার (যেমন মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট, ওপেনঅফিস ইমপ্রেস) ব্যবহার করে আপনি স্লাইড শো তৈরি করতে পারেন।
ডাটাবেস:
- ডাটাবেস সফটওয়্যার (যেমন মাইক্রোসফট অ্যাক্সেস, ওপেনঅফিস বেস) ব্যবহার করে আপনি ডেটা সংগ্রহ, সংগঠিত এবং পরিচালনা করতে পারেন।
ইমেইল:
- ইমেইল ক্লায়েন্ট (যেমন মাইক্রোসফট আউটলুক, মোজিলা থান্ডারবার্ড) ব্যবহার করে আপনি ইমেইল পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারেন।
ইন্টারনেট:
- ওয়েব ব্রাউজার (যেমন গুগল ক্রোম, মোজিলা ফায়ারফক্স) ব্যবহার করে আপনি ইন্টারনেটে ব্রাউজ করতে পারেন।
কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের অনেক সুবিধা রয়েছে। এগুলি আপনাকে:
সময় বাঁচাতে সাহায্য করে:
- অফিসের কাজকর্ম স্বয়ংক্রিয় করে, আপনি অনেক সময় বাঁচাতে পারেন।
উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে:
- অফিসের কাজকর্ম আরও দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করতে, আপনি আপনার উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারেন।
ভুল কমাতে সাহায্য করে:
- অফিসের কাজকর্ম স্বয়ংক্রিয় করে, আপনি ভুলের সম্ভাবনা কমাতে পারেন।
যোগাযোগ উন্নত করতে সাহায্য করে:
- ইমেইল এবং ইন্টারনেটের মতো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে, আপনি আপনার সহকর্মী এবং গ্রাহকদের সাথে আরও ভালভাবে যোগাযোগ করতে পারেন।
কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা খুব সহজ। বেশিরভাগ অ্যাপ্লিকেশনেই ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস রয়েছে যা আপনাকে সহজেই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে সাহায্য করে।
আপনি যদি অফিসের কাজকর্ম আরও দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করতে চান, তাহলে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা একটি দুর্দান্ত উপায়।
কম্পিউটার অফিস এপ্লিকেশন কি কি শেখানো হয়
কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন কোর্সে সাধারণত অফিস, পড়াশোনা ও চাকরির কাজে প্রয়োজনীয় নিচের বিষয়গুলো শেখানো হয়:
🖥️ ১. কম্পিউটার বেসিক
- কম্পিউটার পরিচিতি
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার
- অপারেটিং সিস্টেম (Windows)
- ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনা
📝 ২. MS Word
- ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা
- ফন্ট, প্যারাগ্রাফ, পেজ সেটআপ
- টেবিল, ছবি, হেডার–ফুটার
- আবেদনপত্র, রিপোর্ট, সিভি তৈরি
- প্রিন্ট ও পিডিএফ করা
📊 ৩. MS Excel
- ডাটা এন্ট্রি ও ফরম্যাটিং
- ফর্মুলা ও ফাংশন (SUM, AVERAGE, IF ইত্যাদি)
- চার্ট ও গ্রাফ তৈরি
- ফলাফল শিট, হিসাব-নিকাশ
- ডাটা সাজানো ও ফিল্টার করা
📽️ ৪. MS PowerPoint
- স্লাইড তৈরি ও ডিজাইন
- টেক্সট, ছবি, চার্ট যুক্ত করা
- অ্যানিমেশন ও ট্রানজিশন
- প্রেজেন্টেশন প্রস্তুত ও প্রদর্শন
🗂️ ৫. MS Access (বেসিক)
- ডাটাবেস পরিচিতি
- টেবিল, ফর্ম ও রিপোর্ট তৈরি
- সহজ ডাটা ম্যানেজমেন্ট
🌐 ৬. ইন্টারনেট ও ই-মেইল
- ইন্টারনেট ব্যবহার
- তথ্য অনুসন্ধান (Google)
- ই-মেইল তৈরি ও পাঠানো
- ফাইল ডাউনলোড ও আপলোড
⌨️ ৭. বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং
- কিবোর্ড পরিচিতি
- বাংলা টাইপিং (Bijoy/Avro)
- ইংরেজি টাইপিং গতি বৃদ্ধি
🖨️ ৮. অফিসিয়াল কাজের ব্যবহার
কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বই pdf জেনে নিন
বর্তমান যুগে কম্পিউটার শিক্ষা মানুষের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে অফিসিয়াল কাজ, পড়াশোনা ও চাকরির ক্ষেত্রে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন জানা এখন প্রায় বাধ্যতামূলক। এই শিক্ষাকে সহজ ও সবার নাগালে পৌঁছে দিতে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বই PDF একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
- কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বইয়ে সাধারণত MS Word, MS Excel, MS PowerPoint, MS Access, ইন্টারনেট ব্যবহার, ই-মেইল, টাইপিং ও ডাটা ম্যানেজমেন্ট–এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়।
- PDF ফরম্যাটে এই বইগুলো পাওয়া গেলে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই মোবাইল, ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে যেকোনো সময় পড়াশোনা করতে পারে।
- আলাদা করে ভারী বই বহন করার প্রয়োজন পড়ে না, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুবিধা।
- বাংলাদেশে নবম–দ্বাদশ শ্রেণি, ডিপ্লোমা, কারিগরি শিক্ষা এবং বিভিন্ন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন বই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- অনেক প্রকাশিত বইয়ের ডিজিটাল বা PDF সংস্করণ বাজারে পাওয়া যায়, আবার কিছু শিক্ষামূলক ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে শেখার উপকরণও থাকে।
তবে PDF ডাউনলোড করার সময় অবশ্যই বিশ্বস্ত ও বৈধ উৎস ব্যবহার করা উচিত, যাতে কপিরাইট সমস্যা বা ভাইরাসের ঝুঁকি না থাকে।
ই-মেইল কী জেনে নিন
উত্তর: ইলেকট্রনিক মেইল এর সংক্ষিপ্ত রুপ হলো ই- মেইল। এটি ইন্টারনেটের একটি বিশেষ সেবা, যার মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে অবস্থিত ইলেকট্রনিক মেইল অ্যাড্রেসধারী যে কোনো ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে বার্তা প্রেরণ এবং বার্তা গ্রহণ করা যায়।
২০২. WWW বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: একটি ওয়েব পেজের সাথে অপর এক বা একাধিক ওয়েব পেজের সংযোগ স্থাপন করা যায়। এভাবে স্থাপিত সংযোগকে হাইপার লিংক বলা হয়।
২০৩. দুটি Network operating systems এর নাম লেখ।
উত্তর: UNIX, LINUX
২০৪. দুটি জনপ্রিয় Search Engine এর নাম লিখ।
উত্তর: দুটি জনপ্রিয় Search Engine হলো-
(i)Yahoo (ii) Google
২০৫. Yahoo messenger এর কাজ কী?
উত্তর: Chatting করা, Text, audio, Video ইত্যাদি Message পাঠানো।
২০৬. ওয়েব ব্রাউজার কী?
উত্তর: ব্যবহারকারী তার কম্পিউটারে ওয়েবসাইট দেখার জন্য যে প্রোগ্রামটি ব্যবহার
করে, সেটি হচ্ছে ব্রাউজার। ব্রাউজার মুলত সার্ভার হতে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীর
সামনে উপস্থাপন করে। তাই ওয়েব পেজটি দেখতে কেমন হবে তা নির্ভর করে ব্রাউজারের
উপর। ওয়েব পেজ ডিজাইন করতে HTML এর সহযোগীতার প্রয়োজন হয়।
২০৭. হোমপেজ কী?
উত্তর: একটি ওয়েব পেইজ এর প্রাথমিক বা প্রধানি পেজ হচ্ছে হোম পেইজ। ওয়েব পেইজের
সব ধরনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ থাকে এই হোম পেইজে।
২০৮.
ICT এর পূর্ণরুপ কী জেনে নিন
ICT বলতে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত সকল প্রযুক্তির সমষ্টিকে বোঝায়। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, ই-মেইল, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক এবং ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা। আধুনিক যুগে শিক্ষা, ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং, সরকারী কার্যক্রম ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ICT গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দ্রুত ও সহজে তথ্য আদান-প্রদান, সময় ও খরচ সাশ্রয় এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি ICT-এর প্রধান সুবিধা। একটি আধুনিক ও ডিজিটাল সমাজ গঠনে ICT অপরিহার্য।
উত্তর: ICT এর পূর্ণরুপ হলো – Information and communication Technology
E-mail এর ক্ষেত্রে CC ও BCC এর মাঝে পার্থক্য কী
ই-মেইল পাঠানোর সময় সাধারণত To, CC এবং BCC এই তিনটি অপশন ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে CC ও BCC মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য ব্যক্তিদের ই-মেইলের কপি পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে এদের ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও গোপনীয়তায় পার্থক্য রয়েছে।
- CC (Carbon Copy) ব্যবহার করা হয় যখন মূল প্রাপকের পাশাপাশি আরও কিছু ব্যক্তিকে ই-মেইলের কপি পাঠানো প্রয়োজন হয় এবং সবাইকে জানানো দরকার হয় যে কাদের কাছে মেইলটি পাঠানো হয়েছে।
- CC-তে যুক্ত করা ই-মেইল ঠিকানাগুলো সব প্রাপক দেখতে পারেন। সাধারণত অফিসিয়াল নোটিস, রিপোর্ট, বা তথ্যভিত্তিক ই-মেইলে CC ব্যবহার করা হয়, যেখানে স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ।
- অন্যদিকে BCC (Blind Carbon Copy) ব্যবহার করা হয় গোপনীয়তার জন্য। BCC-তে যুক্ত করা ই-মেইল ঠিকানাগুলো অন্য কোনো প্রাপক দেখতে পান না।
- অর্থাৎ To বা CC-তে থাকা ব্যক্তিরা জানতেই পারেন না যে আর কাদের কাছে ই-মেইলটি পাঠানো হয়েছে। একাধিক ব্যক্তিকে একসঙ্গে মেইল পাঠানোর সময় বা প্রাপকদের ই-মেইল ঠিকানা গোপন রাখতে চাইলে BCC ব্যবহার করা হয়।
- সংক্ষেপে বলা যায়, CC স্বচ্ছতার জন্য আর BCC গোপনীয়তার জন্য ব্যবহৃত হয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিকভাবে CC ও BCC ব্যবহার করলে ই-মেইল যোগাযোগ আরও পেশাদার ও নিরাপদ হয়।
উত্তর: CC এর পূর্ণরুপ হলো কার্বন কপি, এবং BCC এর পূর্ণরুপ হলো- ব্লাইন্ড কার্বন
কপি। এর মাধ্যমে কোনো মেইল প্রেরণ করলে সেখানে সেন্ডারের ইমেইল অ্যাড্রেস শো
করবে। কিন্তু BCC এর মাধ্যমে কোনো মেইল প্রেরণ করলে সেখানে প্রেরকের নাম শো করবে।
২১০. দুটি ব্রাউজার সফটওয়্যার এর নাম লেখ।
উত্তর: দুটি ব্রাউজার সফটওয়্যার এর নাম নিম্নরুপ-
ক. গুগল ক্রোম খ. মোজিলা ফায়ার ফক্স
২১১. ই-মেইল অ্যাড্রেসের ফরমেট লেখ।
উত্তর: zamzamit.com8@yahoo.com অথবা zamzamit.com8@gamil.com
২১২. ই- মেইল অ্যাড্রেসের বিভিন্ন অংশগুলো চিহ্নিত কর।
উত্তর: ই- মেইল অ্যাড্রেস একটি ইউনিক অ্যাড্রেস। অর্থাৎ এক নামে শুধু একটিমাত্র
ই-মেইল অ্যাড্রেস থাকে। ই-মেইল অ্যাড্রেস ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষরে লিখতে হয়।ই
মেইল অ্যাড্রেসের সাধারণ গঠন হলোঃ < User id>@ domain Name>. প্রতিটি
ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে। অংশ দুটির মাঝে সেপারেটর হিসাবে একটি @ (cat
sign) ব্যবহৃত হয়। যেমন: info@zamzamit.com
২১৩. BTEB এর পূর্ণরুপ লেখ।
উত্তর: Bangladesh Technical Education Board.
২১৪. দুটি ই-মেইল সফটওয়্যার এর নাম লেখ।
উত্তর: Yahoo, G-mail
২১৫. Mozila Firefox কী?
উত্তর:এটি একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার।
২১৬.
VIOP এর পূর্ণরুপ কী জেনে নিন
উত্তর: Voice over Internet Protocol.
২১৭. IRC কী?
উত্তর: IRC এর পূর্ণরুপ হচ্ছে- Internet Relay chat. এটি একটি ইন্টারনেট চ্যাটিং
স্থান, যা ফিনল্যান্ডে প্রথম শুরু হয়।
২১৮. Linux কী?
উত্তর: Linux হলো ওপেন সোর্স সফটওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম।
২১৯. TCP/ IP এর পূর্ণরুপ কী?
উত্তর: TCP/ IP এর পূর্ণরুপ হলো- Transmission control Protocol/ Internet
Protocol
২২০. গুগল জি স্যুইট এর উপাদান সমূহ লেখ।
উত্তর: গুগল জি স্যুইট এর উপাদান সমূহ হলোঃ
- জি- মেইল
- হ্যাং আউট
- ক্যালেন্ডার
- ড্রাইভ
- ডকস
- শিটস
- ম্যাপস
- স্লাইডস
কত সালে গুগল আবিষ্কার করা হয় জেনে নিন
উত্তর: ১৯৯৬ সালে গবেষণা প্রকল্প হিসাবে ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড
বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন পিএইচডি কোর্সের ছাত্র এটির কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে
ডোমেইন নাম হিসাবে ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে গুগল নিবন্ধিত হয় এবং কর্পোরেশন
হিসাবে ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
২২২. কোথায় গুগল আবিষ্কৃত হয়?
উত্তর: ক্যালিফোর্নিয়ার মেনেলো পার্কে গুগল আবিষ্কৃত হয়।
২২৩. গুগল আবিষ্কারকের নাম লেখ।
উত্তর: ল্যারি পেজ এবং সার্জি ব্রিন।
২২৪. গুগলের ওয়েবসাইটের নাম লেখ।
উত্তর: Google. Com
২২৫. জি-মেইল কী?
উত্তর: জি –মেইল হলো গুগলের একটি ফ্রি সেবা, যার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী
ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল আদান প্রদান করতে পারে।
২২৬. গুগলের ডকস এর কাজ কী?
উত্তর: গুগল ডকস হলো গুগলের একটি জনপ্রিয় সেবা,যার মাধ্যমে বিভিন্ন ডকুমেন্ট গুগল
ড্রাইভে স্টোর করে রাখা যায়।
২২৭. গুগল কোন ধরনের ল্যাংগুয়েজ সমর্থন করে?
উত্তর: গুগল HTML (Hypertext markup language)
২২৮. অফিসিয়ালি গুগল কবে যাত্রা শুরু করে?
উত্তর: ১৯৯৮ সালে ৪ সেপ্টেম্বর গুগল অফিশিয়ালি যাত্রা শুরু করে।
২২৯.গুগলের ব্যবহার লেখ।
উত্তর: গুগর সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় ওয়েব বেসড সার্চ ইঞ্জিন।
ব্রান্ড বলতে কি বুঝায় জেনে নিন
উত্তর: মার্কা হচ্ছে একটি নাম, পরিচিতজ্ঞাপক শব্দগুচ্ছ, একটি স্মারকচিহ্ন, একটি
প্রতীক এবং নকশা পরিকল্পনা অথবা এসবগুলোর একটি সমন্বিত রুপ, যা কোনো বিক্রেতা বা
বিক্রেতা গোষ্ঠীর পণ্য ও সেবার নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তোলে এবং প্রতিযোগদের চেয়ে
নিজেদের আলাদাভাবে উপস্থাপন করে।
২৩১. ব্রান্ড এর উপাদান সমূহ লেখ।
উত্তর: ব্রান্ড সাধারণত অনেকগুলো উপাদান নিয়ে গঠিত,যথা-
ক. নাম
খ. লোগো
গ. ট্যাগলাইন
ঘ. গ্রাফিক্স
ঙ. রং
২৩২.
আরো পড়ুনঃ
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে কী বুঝায়
উত্তর: সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার,
ইনস্টাগ্রাম, লিঙ্কডইন ইত্যাদি সাইটগুলোকেই বুঝায়। অর্থাৎ এসব সাইটে পোস্ট করে
এবং ভিডিও প্রকাশ করে যে মার্কেটিং করা হয়, তাকে স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে।
২৩৩. ভিডিও পোর্টফোলিও বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: আগে ডিজাইনাররা প্রিন্ট সংস্করণের মাধ্যমে তাদের ডিজাইন প্রদর্শন করে।
বর্তমানে গ্রাফিক্স ক্রিয়েটিভ ডিজাইনাররা তাদের কাজকে পোর্টফোলিওর মাধ্যমে প্রকাশ
করতে পারে। পোর্টফোলিও হচ্ছে স্কিলস, গুণ, শিক্ষা, ট্রেনিং এবং অভিজ্ঞতার সমস্টি।
সুতরাং ভিডিও পোর্ট ফোলিও হলো একজন ব্যক্তির গুণ, শিক্ষা, ট্রেনিং ইত্যাদি
বিষয়সমূহ ভিডিওর মাধ্যমে উপস্থাপন করা। একজন ফ্রিল্যান্সারের কাজের বৈশিষ্ট্য ও
কোয়ালিটি পোর্টফোলিওর মাধ্যমে মাপা যায়।
২৩৪. আপওয়ার্ক কী?
উত্তর: আপওয়ার্ক একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস। এটি একটি বিশ্বব্যাপী চাকরীর
বাজার ভিত্তিক কোম্পানি, যার লক্ষ্য হলো বিভিন্ন ধরনের কাজ, বিশ্বের যে কোনো
জায়গা থেকে কর্মী হায়ার করে নেয়া। এটি নির্দিষ্ট কোনো চাকরি নয়। এটি একটি
মুক্তপেশা।
গিগ কী জেনে নিন
উত্তর: গিগ হচ্ছে একটি অফার করা সার্ভিসের নাম।প্রাথমিক ভাবে গিগটির মুল্য হিসাবে
৫ ডলারে বায়ারের কাছে বিক্রি করা হয় এবং গিগটির তৈরি করার সময় নির্ধারিত শর্ত
অনুযায়ী সম্পূর্ণ করতে হয়।
২৩৬. ফ্রিল্যান্সিং বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: ফ্রিল্যান্সিং শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তপেশা। নির্দিষ্ট কোনো কোম্পানীর
অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে বিভিন্নি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করাকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং।
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব
আধুনিক যুগে কম্পিউটার মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, ব্যাংকিং ও অফিসিয়াল কাজে কম্পিউটারের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে একটি কম্পিউটার দীর্ঘদিন ভালোভাবে ব্যবহার করতে হলে শুধু হার্ডওয়্যার নয়, সফটওয়্যারের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যার প্রধানত সিস্টেমের কর্মক্ষমতা, নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
- অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট না করলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন ত্রুটি দেখা দেয়।
- আপডেটেড সফটওয়্যার নতুন ফিচার যোগ করার পাশাপাশি পুরোনো বাগ ও দুর্বলতা দূর করে, ফলে কম্পিউটার আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে।
- এছাড়া অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার ও হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে।
- ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় অজান্তেই ক্ষতিকর ফাইল ঢুকে পড়তে পারে, যা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নষ্ট করতে পারে।
- নিয়মিত স্ক্যান ও সিকিউরিটি আপডেট থাকলে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
- ডিস্ক ক্লিনআপ, ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট, ব্যাকআপ ও রিকভারি সফটওয়্যার কম্পিউটারের ডাটা সুরক্ষা ও স্টোরেজ ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেললে হার্ডডিস্কে জায়গা খালি হয় এবং কম্পিউটারের গতি বাড়ে। একই সঙ্গে নিয়মিত ব্যাকআপ রাখলে হঠাৎ সিস্টেম নষ্ট হলেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।
সবশেষে বলা যায়, কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে সফটওয়্যারের গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিক ও বৈধ সফটওয়্যার ব্যবহার, নিয়মিত আপডেট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি কম্পিউটার দীর্ঘদিন কার্যকর, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য রাখা সম্ভব। তাই কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
উপসংহার
আজ Computer Office Application Exam Questions and Answers বা কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন -৫ এবং বিগত সালের কম্পিউটারের প্রশ্ন উত্তর ও
চাকুরির প্রস্তুতি বা কম্পিউটার পরীক্ষা নিয়ে আলোচনা করলাম। আগামীতে নতুন
কোন টপিক নিয়ে আলোচনা করব।



জমজম আইটিরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url